স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ ও ‘শিক্ষাবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা পুনর্বহালের জোরালো দাবি জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত শিশুদের বিজ্ঞানমনস্ক ও সংস্কৃতিমনস্ক হিসেবে গড়ে ওঠার পথ রুদ্ধ করবে এবং একটি কূপমণ্ডূক প্রজন্ম তৈরি করবে।
আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাঙলাদেশ লেখক শিবির ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সমাবেশে লেখক ও শিক্ষাবিদ চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘কিছু আমলা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত যারা নিয়েছেন, তাদের সন্তানরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে না। তাদের সন্তানদের গান, শারীরিক শিক্ষা ও চিত্রাঙ্কন শেখানোর জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে।’

চিত্রপরিচালক ও সংস্কৃতিকর্মী আকরাম খান বলেন, ‘আমরা ভাবছিলাম প্রাথমিক শিক্ষায় চলচ্চিত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, অথচ সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সৌদি আরবে ১৭ হাজার নারী সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, আর আমাদের দেশে তা বাতিল করা হচ্ছে।’
লেখক ও অনুবাদক জাভেদ হুসেন বলেন, ‘বর্তমান রাষ্ট্র গরিব মানুষকে রাষ্ট্রের কল-কব্জা হিসেবে দেখে। গরিব মানুষকে রাষ্ট্র তাঁর অংশ মনে করে না। আন্দোলন করতে গেলে সবার আগে মার খায় গরিব মানুষ ও শিক্ষকরা।’
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, প্রশাসনের মধ্যে কারা আমাদের শিশুদের কূপমণ্ডূকতার মধ্যে ঠেলে দিতে চায়। যারা ইহকালের সমস্যা বাদ দিয়ে পরকালের কাজে ব্যস্ত রাখতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করতে হবে।’
বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের সাধারণ সম্পাদক শফি রহমান বলেন, ‘এই শিক্ষক নিয়োগ হলে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। যারা বিজ্ঞান মানতে চান না, তাদের কাছে মাথা নত করা যাবে না।’
ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মিতু সরকারের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক ওমর তারেক চৌধুরী, লেখক ও প্রকাশক আফজালুল বাশার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়, অভিভাবক ইসমত জাহান প্রমুখ।

প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক পদ বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘প্রতিক্রিয়াশীল’ ও ‘শিক্ষাবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তা পুনর্বহালের জোরালো দাবি জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ, লেখক ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তাঁরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত শিশুদের বিজ্ঞানমনস্ক ও সংস্কৃতিমনস্ক হিসেবে গড়ে ওঠার পথ রুদ্ধ করবে এবং একটি কূপমণ্ডূক প্রজন্ম তৈরি করবে।
আজ শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাঙলাদেশ লেখক শিবির ও বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সমাবেশে লেখক ও শিক্ষাবিদ চৌধুরী মুফাদ আহমেদ বলেন, ‘কিছু আমলা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সিদ্ধান্ত যারা নিয়েছেন, তাদের সন্তানরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে না। তাদের সন্তানদের গান, শারীরিক শিক্ষা ও চিত্রাঙ্কন শেখানোর জন্য আলাদা ব্যবস্থা আছে।’

চিত্রপরিচালক ও সংস্কৃতিকর্মী আকরাম খান বলেন, ‘আমরা ভাবছিলাম প্রাথমিক শিক্ষায় চলচ্চিত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, অথচ সংগীত ও শারীরিক শিক্ষার শিক্ষক বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সৌদি আরবে ১৭ হাজার নারী সংগীত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে, আর আমাদের দেশে তা বাতিল করা হচ্ছে।’
লেখক ও অনুবাদক জাভেদ হুসেন বলেন, ‘বর্তমান রাষ্ট্র গরিব মানুষকে রাষ্ট্রের কল-কব্জা হিসেবে দেখে। গরিব মানুষকে রাষ্ট্র তাঁর অংশ মনে করে না। আন্দোলন করতে গেলে সবার আগে মার খায় গরিব মানুষ ও শিক্ষকরা।’
জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম বলেন, ‘আমরা জানতে চাই, প্রশাসনের মধ্যে কারা আমাদের শিশুদের কূপমণ্ডূকতার মধ্যে ঠেলে দিতে চায়। যারা ইহকালের সমস্যা বাদ দিয়ে পরকালের কাজে ব্যস্ত রাখতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে সচেতন করতে হবে।’
বাঙলাদেশ লেখক শিবিরের সাধারণ সম্পাদক শফি রহমান বলেন, ‘এই শিক্ষক নিয়োগ হলে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। যারা বিজ্ঞান মানতে চান না, তাদের কাছে মাথা নত করা যাবে না।’
ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মিতু সরকারের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন লেখক ও গবেষক ওমর তারেক চৌধুরী, লেখক ও প্রকাশক আফজালুল বাশার, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ রায়, অভিভাবক ইসমত জাহান প্রমুখ।

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় বাসার ভেতর রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধা সদরে পিকআপ ভ্যান ও ইজিবাইকের (ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা) সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন৷ আহত হয়েছেন অটোরিকশায় থাকা আরও চার যাত্রী। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার ঠাকুরের দিঘী মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সিলেট সীমান্তে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। সোমবার বিকেলে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রথম গুলি ছুড়ে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরাও গুলি ছোড়েন। এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বিজয় সরণি মোড় সংলগ্ন কলমি লতা বাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় সকাল ৭টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে বাজারের একটি দুই তলা মার্কেটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।
৪ ঘণ্টা আগে