রোববার থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টি, নিম্নচাপের শঙ্কা

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ২২: ৫৩
বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এর প্রভাবে এবং মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী রোববার থেকে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার (৩ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) পূর্বাভাস থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি একই এলাকায় অবস্থান করছে এবং আরও ঘনীভূত হতে পারে। অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা বলেন, লঘুচাপটি নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ শুক্রবার ও আগামীকাল শনিবার দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টি হলেও রোববার (৫ জুলাই) থেকে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে।

ওইদিন চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

বৃষ্টির এই ধারা সোমবার ও মঙ্গলবার আরও বাড়তে পারে। মঙ্গলবার নাগাদ দেশের সব কটি বিভাগের অধিকাংশ জায়গাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এ ছাড়া বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, এ সময়েও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃষ্টি বাড়ার কারণে রোববার সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। সেই সঙ্গে রাতের তাপমাত্রাও সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সদ্য বিদায়ী জুন মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে অন্তত ২৯ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে। তবে এ মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে বলে মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এ মাসে একাধিক লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও তাপ্রবাহও থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে, ৭২ মিলিমিটার। এ ছাড়া বান্দরবানে ৩৯ ও ফেনীতে ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়, ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল কিশোরগঞ্জের নিকলিতে, ২৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Ad 300x250
সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত