স্ট্রিম ডেস্ক

হঠাৎ একদিন অফিস থেকে জানানো হলো, আপনার চাকরি আর নেই। এমন পরিস্থিতিতে রাগ, দুশ্চিন্তা বা হতাশা কাজ করা স্বাভাবিক। তবে চাকরি হারানো মানেই আপনার যোগ্যতা নেই, এমন নয়। অনেক সময় কর্মীর কাজের মানের সঙ্গে চাকরি হারানোর সরাসরি সম্পর্কও থাকে না।
চাকরি হারানোর পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে কিছু বিষয় পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার।
চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার কারণটি সরাসরি জিজ্ঞেস করুন। আপনার কাজের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা ছিল কি না, নাকি প্রতিষ্ঠানগত কোনো কারণে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যতের জন্যও কাজে লাগতে পারে। কোথাও নিজের কোনো দুর্বলতা থাকলে সেটি বুঝে উন্নতি করার সুযোগ পাওয়া যায়। আবার যদি সমস্যাটি আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত না হয়, তাহলে অযথা নিজেকে দায়ী করার কারণও থাকে না।
চাকরি ছাড়ার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেওয়া উচিত। অন্য কোনো পদে যাওয়ার সুযোগ আছে কি না, আপনার জন্য কোনো রেফারেন্স বা সুপারিশপত্র দেওয়া হবে কি না, শেষ বেতন কবে পাবেন এবং চাকরি ছাড়ার আগে আপনার কোনো দায়িত্ব বাকি আছে কি না; এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিন।
চাকরি হারানোর পর অনেকেই আতঙ্কে সঙ্গে সঙ্গে অসংখ্য চাকরিতে আবেদন শুরু করে দেন। কিন্তু প্রথমেই তা করা জরুরি নয়। হঠাৎ চাকরি চলে যাওয়ার ধাক্কা সামলাতে নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া দরকার। বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কারণ এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতেই পারে।
যখন নিজেকে প্রস্তুত মনে হবে, তখন প্রথমেই নিজের রিজিউমে আপডেট করুন। আগের রিজিউমেটি শুধু কপি করে পাঠানোর বদলে যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার সঙ্গে মিল রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য সাজিয়ে নিন।
অনেক প্রতিষ্ঠান চাকরির আবেদন যাচাইয়ের জন্য অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম (এটিএস) ব্যবহার করে। তাই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক শব্দগুলো আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিললে রিজিউমেতে ব্যবহার করা কাজে দিতে পারে।
এরপর নিজের নেটওয়ার্কের দিকে নজর দিন। সাবেক সহকর্মী, পরিচিত মানুষ কিংবা পেশাগত যোগাযোগের মানুষদের জানান যে আপনি নতুন সুযোগ খুঁজছেন। পরিচিত কারও মাধ্যমে পাওয়া সুযোগ অনেক সময় সরাসরি আবেদন করার চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে।
এ ছাড়া বিভিন্ন চাকরির ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দের পদের জন্য জব অ্যালার্ট চালু করে রাখতে পারেন। এতে নতুন কোনো সুযোগ প্রকাশ হলে সেটি দ্রুত জানতে পারবেন।
নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে আগের চাকরি কেন ছেড়েছেন, এমন প্রশ্ন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা কৌশলী হতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সৎ থাকা, তবে অপ্রয়োজনীয় বিস্তারিত না বলা। আবার আগের বস বা কোম্পানিকে দোষারোপ করে কথা বলাও ঠিক হবে না। বরং কী ঘটেছিল, সেটি সংক্ষেপে বলুন। এরপর কথাটি নিয়ে যান আপনি কী শিখেছেন এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের সুযোগ চান, সেই দিকে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আগের কাজটি আপনার জন্য উপযুক্ত ছিল না এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছেন। এখন আপনি এমন একটি সুযোগ খুঁজছেন, যেখানে আপনার দক্ষতাগুলো আরও ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। এতে অতীতের নেতিবাচক অভিজ্ঞতার বদলে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই সামনে আসে।
মনে রাখবেন, চাকরি থেকে বরখাস্ত বা ছাঁটাই হওয়া অবশ্যই বড় ধাক্কা। তবে এটি যে শুধু আপনার সঙ্গেই ঘটেছে, তা নয়। অনেক মানুষের কর্মজীবনেই এমন সময় আসে। কারও ক্ষেত্রে এটি কাজের ধরন নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে, আবার কারও জন্য নতুন প্রতিষ্ঠানে নতুনভাবে শুরু করার দরজা খুলে দেয়।
তথ্যসূত্র: গ্লাসডোর

হঠাৎ একদিন অফিস থেকে জানানো হলো, আপনার চাকরি আর নেই। এমন পরিস্থিতিতে রাগ, দুশ্চিন্তা বা হতাশা কাজ করা স্বাভাবিক। তবে চাকরি হারানো মানেই আপনার যোগ্যতা নেই, এমন নয়। অনেক সময় কর্মীর কাজের মানের সঙ্গে চাকরি হারানোর সরাসরি সম্পর্কও থাকে না।
চাকরি হারানোর পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় আবেগের বশে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে কিছু বিষয় পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার।
চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার কারণটি সরাসরি জিজ্ঞেস করুন। আপনার কাজের কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা ছিল কি না, নাকি প্রতিষ্ঠানগত কোনো কারণে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে, তা পরিষ্কারভাবে জানা গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভবিষ্যতের জন্যও কাজে লাগতে পারে। কোথাও নিজের কোনো দুর্বলতা থাকলে সেটি বুঝে উন্নতি করার সুযোগ পাওয়া যায়। আবার যদি সমস্যাটি আপনার কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত না হয়, তাহলে অযথা নিজেকে দায়ী করার কারণও থাকে না।
চাকরি ছাড়ার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে নেওয়া উচিত। অন্য কোনো পদে যাওয়ার সুযোগ আছে কি না, আপনার জন্য কোনো রেফারেন্স বা সুপারিশপত্র দেওয়া হবে কি না, শেষ বেতন কবে পাবেন এবং চাকরি ছাড়ার আগে আপনার কোনো দায়িত্ব বাকি আছে কি না; এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নিন।
চাকরি হারানোর পর অনেকেই আতঙ্কে সঙ্গে সঙ্গে অসংখ্য চাকরিতে আবেদন শুরু করে দেন। কিন্তু প্রথমেই তা করা জরুরি নয়। হঠাৎ চাকরি চলে যাওয়ার ধাক্কা সামলাতে নিজেকে কিছুটা সময় দেওয়া দরকার। বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু, পরিবারের সদস্য বা কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কারণ এমন পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতেই পারে।
যখন নিজেকে প্রস্তুত মনে হবে, তখন প্রথমেই নিজের রিজিউমে আপডেট করুন। আগের রিজিউমেটি শুধু কপি করে পাঠানোর বদলে যে পদের জন্য আবেদন করছেন, তার সঙ্গে মিল রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য সাজিয়ে নিন।
অনেক প্রতিষ্ঠান চাকরির আবেদন যাচাইয়ের জন্য অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম (এটিএস) ব্যবহার করে। তাই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক শব্দগুলো আপনার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিললে রিজিউমেতে ব্যবহার করা কাজে দিতে পারে।
এরপর নিজের নেটওয়ার্কের দিকে নজর দিন। সাবেক সহকর্মী, পরিচিত মানুষ কিংবা পেশাগত যোগাযোগের মানুষদের জানান যে আপনি নতুন সুযোগ খুঁজছেন। পরিচিত কারও মাধ্যমে পাওয়া সুযোগ অনেক সময় সরাসরি আবেদন করার চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে।
এ ছাড়া বিভিন্ন চাকরির ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দের পদের জন্য জব অ্যালার্ট চালু করে রাখতে পারেন। এতে নতুন কোনো সুযোগ প্রকাশ হলে সেটি দ্রুত জানতে পারবেন।
নতুন চাকরির ইন্টারভিউতে আগের চাকরি কেন ছেড়েছেন, এমন প্রশ্ন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনাকে কিছুটা কৌশলী হতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সৎ থাকা, তবে অপ্রয়োজনীয় বিস্তারিত না বলা। আবার আগের বস বা কোম্পানিকে দোষারোপ করে কথা বলাও ঠিক হবে না। বরং কী ঘটেছিল, সেটি সংক্ষেপে বলুন। এরপর কথাটি নিয়ে যান আপনি কী শিখেছেন এবং ভবিষ্যতে কী ধরনের সুযোগ চান, সেই দিকে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আগের কাজটি আপনার জন্য উপযুক্ত ছিল না এবং সেই অভিজ্ঞতা থেকে আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখেছেন। এখন আপনি এমন একটি সুযোগ খুঁজছেন, যেখানে আপনার দক্ষতাগুলো আরও ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। এতে অতীতের নেতিবাচক অভিজ্ঞতার বদলে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই সামনে আসে।
মনে রাখবেন, চাকরি থেকে বরখাস্ত বা ছাঁটাই হওয়া অবশ্যই বড় ধাক্কা। তবে এটি যে শুধু আপনার সঙ্গেই ঘটেছে, তা নয়। অনেক মানুষের কর্মজীবনেই এমন সময় আসে। কারও ক্ষেত্রে এটি কাজের ধরন নিয়ে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে, আবার কারও জন্য নতুন প্রতিষ্ঠানে নতুনভাবে শুরু করার দরজা খুলে দেয়।
তথ্যসূত্র: গ্লাসডোর
.png)

‘থমসন ফাউন্ডেশন ইয়াং জার্নালিস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর জন্য আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। তরুণ সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিতে এই পুরস্কার আয়োজন করা হয়।
০৭ আগস্ট ২০২৬
৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ হাজার ১৬৫ জন প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২৩ জুলাই ২০২৬
সব দক্ষতা একসঙ্গে শেখার চেষ্টা করবেন না। এতে কোনো কিছুই ভালোভাবে শেখা হবে না। প্রথমে নিজের আগ্রহের একটি ক্ষেত্র বেছে নিন। তারপর প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা সময় দিন।
০১ জুলাই ২০২৬
আপনি যদি শিক্ষার্থী হন এবং কম পুঁজিতে কিছু শুরু করতে চান, তাহলে এই ১০টি আইডিয়া আপনার জন্য হতে পারে ভালো একটি শুরু।
২৬ জুন ২০২৬