স্ট্রিম প্রতিবেদক

স্বাধীনতার বহু বছর পর জন্ম নেওয়া বর্তমান প্রজন্ম সরাসরি ১৯৭১ সালের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাই তাদের ইতিহাস জানার প্রধান উৎস হচ্ছে পাঠ্যবই, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে গবেষকদের মতে, নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলেও তা অনেক খণ্ডিত বা সীমিত। আবার কারও কাছে একেবারেই অজানা।
জাতীয় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন বয়সী সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের ভাবনা ও মতামত জানতে চায় স্ট্রিম।

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজীব আলাবী (১৩) বলে, ‘২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে। এই রাতকে ইতিহাসে ‘‘কালরাত্রি’’ বলা হয়।’
তবে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী কেন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, পাকিস্তানের দীর্ঘ সময়ের শোষণ-বঞ্চনা ইত্যাদির ইতিহাস তেমন জানে না তানজীব। সে বিনয়ের সঙ্গে বলে, ‘অত কিছু তো জানি না।’

সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার উর্মির (২৫) জানার পরিধিও প্রায় একই রকম। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি ২৫ মার্চকে কালরাত্রি বলা হয়। এই রাতেই পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। আর এই রাতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। স্কুলের বইয়ে এমনই পড়েছিলাম।’
এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী হামী হাসনাইন হাসান (২২) বলেন, ‘ আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, কিন্তু আমি জানি, ২৫ মার্চ কালরাত্রি ছিল বাঙালি জাতির আত্মোপলব্ধির দিন। সেদিন বাঙালি বুঝতে পেরেছিল এই জাতি শোষিত হওয়ার জাতি না, এই জাতি বীরের জাতি। আমরা বুঝে গিয়েছিলাম, আমাদের আর হারানোর কিছু নেই কিন্তু পাবার অনেক কিছু আছে একটা পরিচয়, একটা মানচিত্র, অসীম আত্মসম্মান।’
স্বাধীনতার এত বছর পরেও ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘কোনো সরকারই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ব্যাপারে আন্তরিকভাবে কাজ করেনি। জাতি হিসেবে এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।’

তবে বিপরীত চিত্রও আছে। এই প্রজন্মের অনেকেই জানেন না মুক্তিযুদ্ধের সাধারণ ইতিহাসও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়া এক স্বনামধন্য টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন করা হলেও বেশির ভাগই উত্তর দিতে পারছে না। তারা জানে না শহীদ মিনার কোথায়? অপারেশন সার্চলাইট কী? স্বাধীনতা দিবস কত তারিখে!
অন্যদিকে, একই প্রশ্ন দেশের প্রবীণ বয়োজ্যেষ্ঠ এক ব্যক্তির কাছে করা হয়, যিনি সরাসরি যুদ্ধ দেখেছেন। তাঁর চোখে কেমন ছিল ২৫ মার্চ ও ২৬ মার্চের সেই দিনের অভিজ্ঞতা। ৮২ বছর বয়সী খুলনার কৃষিজীবী হাসান মুন্সি স্ট্রিমকে বলেন, ‘১৯৭১-এ শেখ মুজিব দেশের মন্ত্রী হইছিল। কিন্তু পাকিস্তানিরা তারে ক্ষমতা দিতে চাইতেছিল না। ওরে মেরে ফেলতে পাকিস্তানিরা ২৫ তারিখ ধরে নিয়ে গেছিলো। ঢাকা শহরে ওই রাতে অনেক মানুষ মাইরা ফেলছিল পাকিস্তানিরা। তারপরই তো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।’

শিক্ষাবিদদের মতে, নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই ঘটনাগুলো সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখলেও এর গভীরতা বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নয়। অনেক তরুণের কাছে ২৬ মার্চ মূলত একটি জাতীয় ছুটি বা আনুষ্ঠানিক দিবস হিসেবেই বেশি পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট, ছবি বা সংক্ষিপ্ত বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে অনেকের বিশেষ দিনকে স্মরণ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী হিবাতুন নূর আকিব বলেন, ‘স্কুল- কলেজে পাঠ্যবইয়ে আমরা ২৫ মার্চের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে পড়েছি। তবে বিস্তারিত ইতিহাস জানতে হলে আলাদা করে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই পড়তে হয় বা ডকুমেন্টারি দেখতে হয়।’

অন্যদিকে গবেষকেরা মনে করেন, ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জীবন্ত করে তুলতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি প্রয়োজন। শুধু পাঠ্যবইয়ের তথ্য নয়, গল্প, ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা, চলচ্চিত্র বা ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে ইতিহাস তুলে ধরলে তরুণদের আগ্রহ বাড়তে পারে।
যেমন ব্ল্যাক ইকুইটি পাটনার লিমিটেডে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম তামিম বলেন, ‘বর্তমান জেন জি বা জেন আলফা জেনারেশন মুক্তিযুদ্ধ, ২৫ মার্চ এগুলো চোখে দেখেনি। তারা এগুলো তাদের দাদা, নানার কাছে গল্প শুনেছে। ফলে এগুলো তাদের কাছে বাস্তব কোনো ঘটনা নয়। তাই এই ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জীবন্ত করে তুলতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি প্রয়োজন। শুধু পাঠ্যবইয়ের তথ্য নয়, গল্প, ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা, চলচ্চিত্র বা ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে ইতিহাস তুলে ধরলে তরুণদের আগ্রহ আরও বাড়বে।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক আরিফ রহমানের মতে, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইতিহাসকে তথ্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে না দেওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নানা তথ্যের মধ্যে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা জরুরি।
তবে আশার দিকও রয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং তরুণদের উদ্যোগে এখন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, বইপড়া, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও অনলাইন ক্যাম্পেইন বাড়ছে। এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত করতে সহায়তা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাধীনতার ইতিহাস শুধু অতীতের গল্প নয়; এটি একটি জাতির পরিচয় ও মূল্যবোধের ভিত্তি। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া শুধু শিক্ষা নয়, বরং একটি জাতীয় দায়িত্ব।

স্বাধীনতার বহু বছর পর জন্ম নেওয়া বর্তমান প্রজন্ম সরাসরি ১৯৭১ সালের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত নয়। তাই তাদের ইতিহাস জানার প্রধান উৎস হচ্ছে পাঠ্যবই, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। তবে গবেষকদের মতে, নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা থাকলেও তা অনেক খণ্ডিত বা সীমিত। আবার কারও কাছে একেবারেই অজানা।
জাতীয় গণহত্যা দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন বয়সী সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে তাদের ভাবনা ও মতামত জানতে চায় স্ট্রিম।

ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজীব আলাবী (১৩) বলে, ‘২৫ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ দিন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর গণহত্যা শুরু করে। এই রাতকে ইতিহাসে ‘‘কালরাত্রি’’ বলা হয়।’
তবে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী কেন নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, পাকিস্তানের দীর্ঘ সময়ের শোষণ-বঞ্চনা ইত্যাদির ইতিহাস তেমন জানে না তানজীব। সে বিনয়ের সঙ্গে বলে, ‘অত কিছু তো জানি না।’

সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী আফসানা আক্তার উর্মির (২৫) জানার পরিধিও প্রায় একই রকম। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি ২৫ মার্চকে কালরাত্রি বলা হয়। এই রাতেই পাকিস্তানিরা বাঙালিদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। আর এই রাতেই শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের জেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। স্কুলের বইয়ে এমনই পড়েছিলাম।’
এরপর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী হামী হাসনাইন হাসান (২২) বলেন, ‘ আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, কিন্তু আমি জানি, ২৫ মার্চ কালরাত্রি ছিল বাঙালি জাতির আত্মোপলব্ধির দিন। সেদিন বাঙালি বুঝতে পেরেছিল এই জাতি শোষিত হওয়ার জাতি না, এই জাতি বীরের জাতি। আমরা বুঝে গিয়েছিলাম, আমাদের আর হারানোর কিছু নেই কিন্তু পাবার অনেক কিছু আছে একটা পরিচয়, একটা মানচিত্র, অসীম আত্মসম্মান।’
স্বাধীনতার এত বছর পরেও ২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি না মেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘কোনো সরকারই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ব্যাপারে আন্তরিকভাবে কাজ করেনি। জাতি হিসেবে এটা আমাদের দুর্ভাগ্য।’

তবে বিপরীত চিত্রও আছে। এই প্রজন্মের অনেকেই জানেন না মুক্তিযুদ্ধের সাধারণ ইতিহাসও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়া এক স্বনামধন্য টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে দেখা যায়, এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন করা হলেও বেশির ভাগই উত্তর দিতে পারছে না। তারা জানে না শহীদ মিনার কোথায়? অপারেশন সার্চলাইট কী? স্বাধীনতা দিবস কত তারিখে!
অন্যদিকে, একই প্রশ্ন দেশের প্রবীণ বয়োজ্যেষ্ঠ এক ব্যক্তির কাছে করা হয়, যিনি সরাসরি যুদ্ধ দেখেছেন। তাঁর চোখে কেমন ছিল ২৫ মার্চ ও ২৬ মার্চের সেই দিনের অভিজ্ঞতা। ৮২ বছর বয়সী খুলনার কৃষিজীবী হাসান মুন্সি স্ট্রিমকে বলেন, ‘১৯৭১-এ শেখ মুজিব দেশের মন্ত্রী হইছিল। কিন্তু পাকিস্তানিরা তারে ক্ষমতা দিতে চাইতেছিল না। ওরে মেরে ফেলতে পাকিস্তানিরা ২৫ তারিখ ধরে নিয়ে গেছিলো। ঢাকা শহরে ওই রাতে অনেক মানুষ মাইরা ফেলছিল পাকিস্তানিরা। তারপরই তো মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।’

শিক্ষাবিদদের মতে, নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই ঘটনাগুলো সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখলেও এর গভীরতা বা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন নয়। অনেক তরুণের কাছে ২৬ মার্চ মূলত একটি জাতীয় ছুটি বা আনুষ্ঠানিক দিবস হিসেবেই বেশি পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট, ছবি বা সংক্ষিপ্ত বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে অনেকের বিশেষ দিনকে স্মরণ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী হিবাতুন নূর আকিব বলেন, ‘স্কুল- কলেজে পাঠ্যবইয়ে আমরা ২৫ মার্চের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে পড়েছি। তবে বিস্তারিত ইতিহাস জানতে হলে আলাদা করে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই পড়তে হয় বা ডকুমেন্টারি দেখতে হয়।’

অন্যদিকে গবেষকেরা মনে করেন, ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জীবন্ত করে তুলতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি প্রয়োজন। শুধু পাঠ্যবইয়ের তথ্য নয়, গল্প, ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা, চলচ্চিত্র বা ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে ইতিহাস তুলে ধরলে তরুণদের আগ্রহ বাড়তে পারে।
যেমন ব্ল্যাক ইকুইটি পাটনার লিমিটেডে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম তামিম বলেন, ‘বর্তমান জেন জি বা জেন আলফা জেনারেশন মুক্তিযুদ্ধ, ২৫ মার্চ এগুলো চোখে দেখেনি। তারা এগুলো তাদের দাদা, নানার কাছে গল্প শুনেছে। ফলে এগুলো তাদের কাছে বাস্তব কোনো ঘটনা নয়। তাই এই ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরও জীবন্ত করে তুলতে হলে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পদ্ধতি প্রয়োজন। শুধু পাঠ্যবইয়ের তথ্য নয়, গল্প, ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা, চলচ্চিত্র বা ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে ইতিহাস তুলে ধরলে তরুণদের আগ্রহ আরও বাড়বে।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক আরিফ রহমানের মতে, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ইতিহাসকে তথ্যের ভিড়ে হারিয়ে যেতে না দেওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া নানা তথ্যের মধ্যে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা জরুরি।
তবে আশার দিকও রয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং তরুণদের উদ্যোগে এখন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, বইপড়া, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও অনলাইন ক্যাম্পেইন বাড়ছে। এসব উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত করতে সহায়তা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাধীনতার ইতিহাস শুধু অতীতের গল্প নয়; এটি একটি জাতির পরিচয় ও মূল্যবোধের ভিত্তি। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস পৌঁছে দেওয়া শুধু শিক্ষা নয়, বরং একটি জাতীয় দায়িত্ব।

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম এবং ডাটাকার্ড উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে তিনি এগুলো অবমুক্ত করেন।
২৪ মিনিট আগে
বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়নের অংশ হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
কক্সবাজারে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খোরশেদ আলম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের কবিতা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের গণহত্যাকে সুপরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সুপরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ কেন প্রতিরোধ করা গেল না, এ ব্যাপারে তৎকালীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃশ্যমান ভূমিকা এখনো ইতিহাসের গবেষণার বিষয়।
৩ ঘণ্টা আগে