এইচএসসি পরীক্ষায় বগুড়ার সেই ৭ শিক্ষার্থী

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
বগুড়া

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬, ১৪: ২৭
ছবি: সংগৃহীত

গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বগুড়ার সেই সাত শিক্ষার্থী। বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবার (৪ জুলাই) এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তারা। এদের মধ্যে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান মাহীসওয়ার কলেজের ছয়, সারিয়াকান্দি উপজেলার চন্দনবাইশা ডিগ্রি কলেজের একজন।

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন গত বৃহস্পতিবার প্রবেশপত্র না থাকায় পরীক্ষা দিতে পারেননি এসব শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ফরম পূরণের টাকা নেওয়া হলেও তা যথাসময়ে শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়নি, এবং প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়নি। এ কারণে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় তারা অংশ নিতে পারেনি।

এদিকে, পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গণমাধ্যম, শিক্ষক ও সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থী সম্রাট ও হাসর নামে দুই পরীক্ষার্থী বলেন, আমাদের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হবার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এতে এক বছর শিক্ষা-জীবন নষ্ট হওয়া থেকে আমরা রক্ষা পেলাম।

মহাস্থান মাহী সাওয়ার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মতিউর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবারেই আমরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুক্রবার বোর্ডে যাওয়ার নির্দেশনা পাই৷ সেদিনই ছয় শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংগ্রহ করে বোর্ডে যাই। কাজ সম্পন্ন করে আমরা ফিরে এসে ছয় শিক্ষার্থীর বাসায় এডমিট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করি।

বগুড়া জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ বলেন, যারা এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। সাত শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্র দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিনের যে পরীক্ষা তারা দিতে পারেনি, সে বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ড থেকে নির্দেশনা আসবে।

এর আগে প্রবেশপত্র না পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে মহাস্থান কলেজের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, প্রায় দুই মাস আগে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ফরম পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন কম্পিউটার অপারেটর সাব্বির হোসেন শাওন। কলেজ কর্তপক্ষকে না জানিয়ে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা করে নেন।

Ad 300x250

সম্পর্কিত