স্ট্রিম সংবাদদাতা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় পুলিশের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় থানায় এক মা ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়েকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের এক মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।
গত বুধবার ওই ঘটনার পর শনিবার (৭ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত মা-মেয়েকে খালাস দেন। এরপর রাতেই পুলিশি নির্যাতন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অপব্যবহারের অভিযোগ তোলেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ওই তরুণীর বাবা ২০১৩ সালে মারা যান। পরে চাচা-ফুফুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও পৈতৃক সম্পত্তি দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে তরুণী মামলা করলে আদালত পেকুয়া থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
তাদের অভিযোগ, থানা থেকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই পল্লবকে। তিনি তদন্ত প্রতিবেদনের খরচের কথা বলে তরুণীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। তবে টাকা নিলেও ওই তরুণীর বিপক্ষেই প্রতিবেদন দেন।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত বুধবার বিকেলে তরুণী তার মাকে নিয়ে পেকুয়া থানায় গিয়ে এসআই পল্লবের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে মা–মেয়েকে মারধর করা হয়।
তরুণীর মা বলেন, আমাদের মারধরের একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থানায় আসেন। আমরা ভেবেছিলাম তিনি আমাদের রক্ষা করতে এসেছেন। কিন্তু তিনি আমাদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেও কিছু না বলে উপরে চলে যান। আমরা অনুরোধ করলেও তিনি শোনেননি।
তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে পুলিশ তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে গাড়িতে তুললেও পাঠায় কারাগারে। তবে তাদের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় প্রথমে কারা কর্তৃপক্ষ নিতে রাজি হয়নি। পরে ইউএনওর ফোন পাওয়ার পর কারাগার কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রহণ করে।
স্বজনের অভিযোগ, পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমের ডাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম থানায় গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তবে সেখানে ভুক্তভোগীরা কেউ ছিলেন না।
ওই নারী বলেন, ‘আমাদের সামনে কোনো বিচারিক কার্যক্রম হয়নি। সাজার বিষয়টিও জানানো হয়নি। কক্সবাজার কারাগারে নেওয়ার সময় প্রথম বিষয়টি জানতে পারি।’
তবে ইউএনও মাহবুব আলম ওই নারীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘থানার ভেতরে আমার উপস্থিতিতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের সামনেই তা ঘোষণা করা হয়েছিল।’
এ ব্যাপারে জানতে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে মুক্তির পর মা ও মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরে তাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে তরুণী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
থানায় দু’জন নারীকে এভাবে মারধরের অভিযোগ ওঠায় উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ থাকলে ফৌজদারি আইনে নিয়মিত মামলা করে গ্রেপ্তার করা যেত। কিন্তু সেটি না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া অস্বাভাবিক।
কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ঘুষ নেওয়া ও থানার ভেতরে মা–মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনা অভিযোগ আড়াল করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ব্যবহার করা হতে পারে।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় পুলিশের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চাওয়ায় থানায় এক মা ও তার কলেজপড়ুয়া মেয়েকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের এক মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।
গত বুধবার ওই ঘটনার পর শনিবার (৭ মার্চ) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত মা-মেয়েকে খালাস দেন। এরপর রাতেই পুলিশি নির্যাতন ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অপব্যবহারের অভিযোগ তোলেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ওই তরুণীর বাবা ২০১৩ সালে মারা যান। পরে চাচা-ফুফুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও পৈতৃক সম্পত্তি দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে তরুণী মামলা করলে আদালত পেকুয়া থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
তাদের অভিযোগ, থানা থেকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই পল্লবকে। তিনি তদন্ত প্রতিবেদনের খরচের কথা বলে তরুণীর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। তবে টাকা নিলেও ওই তরুণীর বিপক্ষেই প্রতিবেদন দেন।
এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত বুধবার বিকেলে তরুণী তার মাকে নিয়ে পেকুয়া থানায় গিয়ে এসআই পল্লবের কাছে ঘুষের টাকা ফেরত চান। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা একপর্যায়ে মা–মেয়েকে মারধর করা হয়।
তরুণীর মা বলেন, আমাদের মারধরের একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) থানায় আসেন। আমরা ভেবেছিলাম তিনি আমাদের রক্ষা করতে এসেছেন। কিন্তু তিনি আমাদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখেও কিছু না বলে উপরে চলে যান। আমরা অনুরোধ করলেও তিনি শোনেননি।
তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে পুলিশ তাদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে গাড়িতে তুললেও পাঠায় কারাগারে। তবে তাদের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় প্রথমে কারা কর্তৃপক্ষ নিতে রাজি হয়নি। পরে ইউএনওর ফোন পাওয়ার পর কারাগার কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রহণ করে।
স্বজনের অভিযোগ, পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমের ডাকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুব আলম থানায় গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। তবে সেখানে ভুক্তভোগীরা কেউ ছিলেন না।
ওই নারী বলেন, ‘আমাদের সামনে কোনো বিচারিক কার্যক্রম হয়নি। সাজার বিষয়টিও জানানো হয়নি। কক্সবাজার কারাগারে নেওয়ার সময় প্রথম বিষয়টি জানতে পারি।’
তবে ইউএনও মাহবুব আলম ওই নারীর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘থানার ভেতরে আমার উপস্থিতিতে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের সামনেই তা ঘোষণা করা হয়েছিল।’
এ ব্যাপারে জানতে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
এদিকে মুক্তির পর মা ও মেয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরে তাদের চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে তরুণী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
থানায় দু’জন নারীকে এভাবে মারধরের অভিযোগ ওঠায় উদ্বেগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ থাকলে ফৌজদারি আইনে নিয়মিত মামলা করে গ্রেপ্তার করা যেত। কিন্তু সেটি না করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া অস্বাভাবিক।
কেউ কেউ অভিযোগ করেন, ঘুষ নেওয়া ও থানার ভেতরে মা–মেয়েকে নির্যাতনের ঘটনা অভিযোগ আড়াল করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ব্যবহার করা হতে পারে।

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘোষিত ছুটি পর্যন্ত সব ইংলিশ মিডিয়ামও স্কুলে ছুটির সিদ্ধান্ত দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একইসঙ্গে সবধরনের কোচিং সেন্টারও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২ মিনিট আগে
গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য’ নারী সম্মাননা পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
৭ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসকে নিয়ে মানহানিকর বক্তব্য দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানোর মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন আদালত।
৭ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ড্রেন নির্মাণের সময় দেয়াল চাপায় নাইরুল ইসলাম (২৬) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ১১টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ঢাকা বাসস্ট্যান্ডের কোর্টপাড়া মহল্লায় কে এম শাহাবুদ্দিনের বাড়ির দেয়াল চাপায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে