স্ট্রিম ডেস্ক

ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন রবিন খুদা। অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিষ্ঠিত এই উদ্যোক্তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। বিপুল বিনিয়োগে রবিনের ব্ল্যাকস্টোন সমর্থিত এয়ারট্রাঙ্কের ঘোষণার পর থেকেই আলোচনা– বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও বিনিয়োগের জন্য তিনি কেন ভারত বেছে নিলেন?
রবিন এখন বিশ্বের ডেটা সেন্টার শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। তিনি পড়াশোনা করেছেন শের-ই-বাংলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজে। ১৯৯৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। পরে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতে ক্যারিয়ার শুরু করেন।
সিংটেল অপটাস, ফুজিৎসু, পাইপ নেটওয়ার্কস, নেক্সটডিসির মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা রবিনকে ডেটা সেন্টার শিল্পের গভীরে নিয়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ২০১৫ সালে রবিন খুদা প্রতিষ্ঠা করেন এয়ারট্রাঙ্ক, যা এখন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ হাইপার স্কেল ডেটা সেন্টার অপারেটর।
সহজে বললে– এয়ারট্রাঙ্ক এমন অবকাঠামো তৈরি করে, যেখানে ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অনলাইন সেবা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিপুল তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। বিশ্বজুড়ে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ক্লাউড অর্থনীতির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের ডেটা সেন্টারের চাহিদাও বাড়ছে।
বর্তমানে এয়ারট্রাঙ্ক অস্ট্রেলিয়া, জাপান, হংকং, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালে ব্ল্যাকস্টোন নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম ২৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে এয়ারট্রাঙ্ক অধিগ্রহণ করে। তবে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রবিন খুদা এখনো এর নেতৃত্বে রয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ভারতের লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা অধিগ্রহণের মাধ্যমে দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। এরপর মুম্বাই, চেন্নাই ও হায়দরাবাদে বড় পরিসরের প্রকল্প হাতে নেয়। এখন আরও বড় পরিসরে যাচ্ছে এয়ারট্রাঙ্ক। ভারতে প্রায় ৫ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার সক্ষমতা তৈরি করতে চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠান, যা ভারতের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডেটা-নির্ভর অর্থনীতির চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিনিয়োগকে ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের অন্যতম বড় ভিত্তি দেখা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়– বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রবিন খুদার এই বিপুল বিনিয়োগের গন্তব্য কেন বাংলাদেশ নয়?
এই প্রশ্নের উত্তর সহজ। কিন্তু তা এক কঠিন বাস্তবতাকেও সামনে তুলে আনে। বিনিয়োগকারীরা আবেগতাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন না; তাদের মূল লক্ষ্য থাকে আস্থা, স্থিতিশীলতা এবং পূর্বানুমানযোগ্য নীতির পরিবেশ। দীর্ঘমেয়াদি বড় প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও সংযোগ ব্যবস্থা, দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার নিশ্চয়তা।
ভারত গত কয়েক বছরে নিজেকে বৈশ্বিক ডিজিটাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামো ও নীতিগত সংস্কারে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখিয়েছে। বিপুল জনসংখ্যা, দ্রুত বাড়তে থাকা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানির সক্রিয় উপস্থিতি দেশটিকে ডেটা সেন্টার বিনিয়োগের জন্য একটি স্বাভাবিক গন্তব্যে পরিণত করেছে।
অন্যদিকে, সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বড় প্রযুক্তি অবকাঠামো বিনিয়োগ আকর্ষণে এখনো কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিগত ধারাবাহিকতা, অবকাঠামো সক্ষমতা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার প্রশ্নে অনিশ্চয়তা অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি প্রবাহকে প্রভাবিত করে।
এই বাস্তবতায় রবিন খুদার ভারতে বড় বিনিয়োগকে কেউ কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং বৈশ্বিক পুঁজি প্রবাহের স্বাভাবিক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। কারণ, পুঁজি সব সময় সেখানে যায়, যেখানে তার নিরাপত্তা ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
এই গল্পের আরেকটি দিকও রয়েছে। রবিন খুদা শুধু একজন উদ্যোক্তা নন, বরং প্রযুক্তি ও শিক্ষায় বিনিয়োগের একজন প্রবক্তাও। তাঁর দাতব্য উদ্যোগ, বিশেষ করে শিক্ষা ও বিজ্ঞান খাতে অংশগ্রহণ বাড়াতে নেওয়া পদক্ষেপ দেখায়, দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়নকে মানবসম্পদ ও জ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখেন তিনি। বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন প্রতিযোগিতা শুধু বাজারের নয়, বরং আস্থার। যে দেশ সেই আস্থা তৈরি করতে পারে, পুঁজি সেখানেই যাবে।

ভারতের ডিজিটাল অবকাঠামো খাতে প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন রবিন খুদা। অস্ট্রেলিয়ায় প্রতিষ্ঠিত এই উদ্যোক্তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। বিপুল বিনিয়োগে রবিনের ব্ল্যাকস্টোন সমর্থিত এয়ারট্রাঙ্কের ঘোষণার পর থেকেই আলোচনা– বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হয়েও বিনিয়োগের জন্য তিনি কেন ভারত বেছে নিলেন?
রবিন এখন বিশ্বের ডেটা সেন্টার শিল্পের অন্যতম প্রভাবশালী মুখ। তিনি পড়াশোনা করেছেন শের-ই-বাংলা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় ও এসওএস হারম্যান মেইনার কলেজে। ১৯৯৭ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। পরে ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি সিডনি থেকে উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রযুক্তি ও টেলিকম খাতে ক্যারিয়ার শুরু করেন।
সিংটেল অপটাস, ফুজিৎসু, পাইপ নেটওয়ার্কস, নেক্সটডিসির মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা রবিনকে ডেটা সেন্টার শিল্পের গভীরে নিয়ে যায়। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ২০১৫ সালে রবিন খুদা প্রতিষ্ঠা করেন এয়ারট্রাঙ্ক, যা এখন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ হাইপার স্কেল ডেটা সেন্টার অপারেটর।
সহজে বললে– এয়ারট্রাঙ্ক এমন অবকাঠামো তৈরি করে, যেখানে ক্লাউড কম্পিউটিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অনলাইন সেবা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিপুল তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। বিশ্বজুড়ে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ক্লাউড অর্থনীতির বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে এই ধরনের ডেটা সেন্টারের চাহিদাও বাড়ছে।
বর্তমানে এয়ারট্রাঙ্ক অস্ট্রেলিয়া, জাপান, হংকং, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালে ব্ল্যাকস্টোন নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম ২৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে এয়ারট্রাঙ্ক অধিগ্রহণ করে। তবে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে রবিন খুদা এখনো এর নেতৃত্বে রয়েছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ভারতের লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা অধিগ্রহণের মাধ্যমে দেশটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। এরপর মুম্বাই, চেন্নাই ও হায়দরাবাদে বড় পরিসরের প্রকল্প হাতে নেয়। এখন আরও বড় পরিসরে যাচ্ছে এয়ারট্রাঙ্ক। ভারতে প্রায় ৫ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার সক্ষমতা তৈরি করতে চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠান, যা ভারতের দ্রুত বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং ডেটা-নির্ভর অর্থনীতির চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই বিনিয়োগকে ভারতের প্রযুক্তি ভবিষ্যতের অন্যতম বড় ভিত্তি দেখা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়– বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রবিন খুদার এই বিপুল বিনিয়োগের গন্তব্য কেন বাংলাদেশ নয়?
এই প্রশ্নের উত্তর সহজ। কিন্তু তা এক কঠিন বাস্তবতাকেও সামনে তুলে আনে। বিনিয়োগকারীরা আবেগতাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন না; তাদের মূল লক্ষ্য থাকে আস্থা, স্থিতিশীলতা এবং পূর্বানুমানযোগ্য নীতির পরিবেশ। দীর্ঘমেয়াদি বড় প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী অবকাঠামো, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও সংযোগ ব্যবস্থা, দ্রুত প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার নিশ্চয়তা।
ভারত গত কয়েক বছরে নিজেকে বৈশ্বিক ডিজিটাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে অবকাঠামো ও নীতিগত সংস্কারে বড় ধরনের অগ্রগতি দেখিয়েছে। বিপুল জনসংখ্যা, দ্রুত বাড়তে থাকা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি কোম্পানির সক্রিয় উপস্থিতি দেশটিকে ডেটা সেন্টার বিনিয়োগের জন্য একটি স্বাভাবিক গন্তব্যে পরিণত করেছে।
অন্যদিকে, সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বড় প্রযুক্তি অবকাঠামো বিনিয়োগ আকর্ষণে এখনো কিছু কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি বাংলাদেশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, নীতিগত ধারাবাহিকতা, অবকাঠামো সক্ষমতা এবং বিনিয়োগ সুরক্ষার প্রশ্নে অনিশ্চয়তা অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি প্রবাহকে প্রভাবিত করে।
এই বাস্তবতায় রবিন খুদার ভারতে বড় বিনিয়োগকে কেউ কেউ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং বৈশ্বিক পুঁজি প্রবাহের স্বাভাবিক প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। কারণ, পুঁজি সব সময় সেখানে যায়, যেখানে তার নিরাপত্তা ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
এই গল্পের আরেকটি দিকও রয়েছে। রবিন খুদা শুধু একজন উদ্যোক্তা নন, বরং প্রযুক্তি ও শিক্ষায় বিনিয়োগের একজন প্রবক্তাও। তাঁর দাতব্য উদ্যোগ, বিশেষ করে শিক্ষা ও বিজ্ঞান খাতে অংশগ্রহণ বাড়াতে নেওয়া পদক্ষেপ দেখায়, দীর্ঘমেয়াদে উন্নয়নকে মানবসম্পদ ও জ্ঞানভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই দেখেন তিনি। বিশ্ব অর্থনীতিতে এখন প্রতিযোগিতা শুধু বাজারের নয়, বরং আস্থার। যে দেশ সেই আস্থা তৈরি করতে পারে, পুঁজি সেখানেই যাবে।
.png)

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে হওয়া শিক্ষার্থী আন্দোলনে সংহতি জানিয়েছেন সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। রোববার (২৬ জুলাই) লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (এসএফআই) আয়োজিত সংহতি সমাবেশে অংশ নেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দ্বীপ কিউশুর কুমামোতো প্রিফেকচারে ৭ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। খবর জাপান টাইমস।
৪ ঘণ্টা আগে
বহুজাতিক আমেরিকান কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসনের বেবি পাউডার ও ট্যাল্কযুক্ত অন্যান্য পণ্য ব্যবহারে ক্যান্সার হওয়ার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার মামলা হয়েছিল। এসব মামলা নিষ্পত্তিতে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার (৬৮ হাজার ২০ কোটি টাকা) দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর বিবিসির।
৭ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমন সময়ই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। ফলে যুদ্ধের সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের এই পর্যায়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে