স্ট্রিম ডেস্ক

সভ্যতার যত গভীরে যাওয়া যায়, পুতুল তত বেশি রহস্যময় হয়ে ধরা দেয়। যদি আপনি ইতিহাসের দিকে তাকান, দেখবেন পুতুল কখনোই কেবল সাধারণ খেলনা ছিল না। এটি ধর্মীয় বিশ্বাস, জাদুবিদ্যা, পূর্বপুরুষের আত্মার সঙ্গে সংযোগ এবং অতীন্দ্রিয় জগতের বিমূর্ত প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করেছে।
মানুষ যখন প্রকৃতির বিশালতা ও জীবনের অনিশ্চয়তার সামনে অসহায় বোধ করেছে, তখনই সে তার বন্ধু হিসেবে বেছে নিয়েছে পুতুলকে।
হাজার হাজার বছর আগে মিশর, গ্রিস, রোম বা মেসোপটেমিয়ার মতো প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে মাটির, কাঠের বা হাড়ের তৈরি অনেক পুতুল পাওয়া গেছে। এগুলো দেখে বোঝা যায়, প্রাচীনকালে পুতুল বানানো হতো বিশেষ কিছু উদ্দেশ্যে, শুধু খেলার জন্য নয়।
যেমন প্রাচীন মিশরের মানুষ বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও এক জীবন আছে। তাই তারা কবরে ছোট ছোট পুতুল রেখে দিত, যার নাম ছিল ‘উশাবতি’। তাদের ধারণা ছিল, এই পুতুলগুলো কবরে শুয়ে থাকা মানুষটির ব্যক্তিগত সেবক হিসেবে কাজ করবে। পরকালের কঠিন সব কাজ এই পুতুলরাই করে দেবে। এই পুতুলগুলোকে তারা রাজকীয় দামি পোশাক আর গয়না দিয়ে সাজাত, যাতে মৃত্যুর পরেও তাদের সম্মান বজায় থাকে।

আবার গ্রিস ও রোমের গল্পটা ছিল কিছুটা অন্যরকম। সেখানে মেয়েরা বিয়ের আগে বিশেষ আচার পালন করত। বিয়ের ঠিক আগের রাতে তারা শৈশবের প্রিয় পুতুলগুলোকে মন্দিরে গিয়ে দেবতাদের চরণে রেখে আসত। পুতুলটিকে মন্দিরে রেখে দেওয়ার মানে হলো, মেয়েটি শৈশবকে বিদায় জানিয়ে এখন বড় হওয়ার নতুন পথে পা রাখছে। তারা মনে করত, পুতুলটি উৎসর্গ করলে দেবতারা তাদের নতুন দাম্পত্য জীবনের জন্য আশীর্বাদ করবেন। অর্থাৎ, পুতুল ছিল বেড়ে ওঠার এক অমোঘ সাক্ষী।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক আদিবাসী ও লোকজ সংস্কৃতিতে পুতুলকে আজও শুধু খেলনা মনে করা হয় না; বরং সেগুলোকে দেখা হয় জাদুর হাতিয়ার বা ঐশ্বরিক ক্ষমতার উৎস হিসেবে। প্রাচীন অনেক সভ্যতায় পুতুল ব্যবহার করা হতো তাবিজের মতো। মানুষের বিশ্বাস ছিল, যদি কোনো ছোট পুতুলকে নির্দিষ্ট কোনো দেবতার আদলে বানানো হয়, তবে সেই দেবতা পুতুলের মাধ্যমে তাদের রক্ষা করবেন। কোনো বিপদ, রোগবালাই বা অশুভ শক্তি যেন তাদের ছুঁতে না পারে, সেজন্য তারা পুতুলকে এক ধরণের সুরক্ষা-কবজ মনে করত। এমনকি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, পুতুল বানিয়ে তার শরীরের রোগ বা কষ্টগুলো সেই পুতুলের মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার এক অদ্ভুত বিশ্বাসও তখন প্রচলিত ছিল।
আজও পৃথিবীর অনেক দুর্গম অঞ্চলে গেলেই দেখা যায়, মানুষ তাদের ঘরের কোণায় বা বাড়ির পাশের গাছের ডালে অদ্ভুত সব পুতুল ঝুলিয়ে রেখেছে। এর পেছনে কাজ করে ‘শমনবাদ’ বা আধ্যাত্মিক এক বিশ্বাস। তাদের ধারণা, ঘরের বাইরের অশুভ শক্তিকে বিভ্রান্ত করতে এই পুতুলগুলো দারুণ কাজ করে। অশুভ আত্মা যখনই বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন সে আসল মানুষের বদলে ওই পুতুলকে দেখে ভুল পথে চলে যায়।
এই পুতুলগুলো তৈরির পেছনেও থাকে অনেক নিয়ম। পুতুলের পরনের বিশেষ পোশাক, তার গায়ে ব্যবহার করা বিশেষ রং এবং তার হাতের অদ্ভুত ভঙ্গি—সবকিছুর পেছনেই থাকে গোপন কোনো অর্থ বা ধর্মীয় প্রতীক। এমনকি প্রাচীনকালে রোগ সারানোর সময় অনেক সময় পুতুলের বিশেষ অঙ্গে সূঁচ ফোটানো হতো। তাদের বিশ্বাস ছিল, পুতুলের অঙ্গে আঘাত করার মাধ্যমে আসলে রোগীর শরীরের রোগ বা ব্যথার মুক্তি ঘটছে।
বার্বি পুতুলের পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে এটি সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে আমাদের মগজে গেঁথে আছে। কিন্তু এই সৌন্দর্যের ধারণা আমাদের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে?
আগেকার সমাজে পুতুল ছিল রুচি ও সৌন্দর্যের প্রতিফলন। প্রাচীন মিশর বা গ্রিসের পুতুলগুলো ছিল সাধারণ। সময়ের ধারায় পুতুলের রূপ বদলেছে, কিন্তু ১৯৫৯ সালে বার্বির আগমন সব হিসাব বদলে দেয়। বার্বির গঠন যেমন লম্বা পা, সরু কোমর এবং নিখুঁত মুখাবয়ব—বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশেষ মানদণ্ড তৈরি করেছিল।
মানুষ অবচেতনভাবেই ভাবতে শুরু করল যে, নারী মানেই এমন স্লিম হতে হবে। এই ধারণা আমাদের মগজে গভীর প্রভাব ফেলে। যখন আমরা ছোটবেলা থেকেই নিখুঁত পুতুলের সঙ্গে খেলি, তখন বড় হওয়ার পথে বাস্তব জীবনের সাধারণ ও স্বাভাবিক শারীরিক গঠনের মানুষকে আমরা অনেক সময় ‘অসম্পূর্ণ’ বা ‘কম সুন্দর’ ভাবতে শুরু করি। একে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘বডি ইমেজ ইস্যু’।
বার্বির মতো হওয়ার এই অবাস্তব তাড়না থেকে অনেকের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়। আজকের ডিজিটাল যুগে এই সংকট আরও প্রকট হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার নানা কারসাজি, ফেসঅ্যাপ বা ফিল্টার ব্যবহার করে নিজেদের অবিকল বার্বির মতো নিখুঁত করে তোলার নেশা আমাদের স্বাভাবিকতাকে ঢেকে দিচ্ছে।
তবে আশার কথা হলো, সচেতনতার প্রয়োজনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বার্বিও তার চরিত্রে বদল এনেছে। এখনকার বার্বি কালেকশনে আমরা বিভিন্ন উচ্চতা, বর্ণ এবং শারীরিক গঠনের বৈচিত্র্য দেখতে পাই। কারণ, সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট ছাঁচে আবদ্ধ নয়, সৌন্দর্য মানেই বৈচিত্র্য।

সভ্যতার যত গভীরে যাওয়া যায়, পুতুল তত বেশি রহস্যময় হয়ে ধরা দেয়। যদি আপনি ইতিহাসের দিকে তাকান, দেখবেন পুতুল কখনোই কেবল সাধারণ খেলনা ছিল না। এটি ধর্মীয় বিশ্বাস, জাদুবিদ্যা, পূর্বপুরুষের আত্মার সঙ্গে সংযোগ এবং অতীন্দ্রিয় জগতের বিমূর্ত প্রতিচ্ছবি হিসেবে কাজ করেছে।
মানুষ যখন প্রকৃতির বিশালতা ও জীবনের অনিশ্চয়তার সামনে অসহায় বোধ করেছে, তখনই সে তার বন্ধু হিসেবে বেছে নিয়েছে পুতুলকে।
হাজার হাজার বছর আগে মিশর, গ্রিস, রোম বা মেসোপটেমিয়ার মতো প্রাচীন সভ্যতার ধ্বংসাবশেষে মাটির, কাঠের বা হাড়ের তৈরি অনেক পুতুল পাওয়া গেছে। এগুলো দেখে বোঝা যায়, প্রাচীনকালে পুতুল বানানো হতো বিশেষ কিছু উদ্দেশ্যে, শুধু খেলার জন্য নয়।
যেমন প্রাচীন মিশরের মানুষ বিশ্বাস করত মৃত্যুর পরেও এক জীবন আছে। তাই তারা কবরে ছোট ছোট পুতুল রেখে দিত, যার নাম ছিল ‘উশাবতি’। তাদের ধারণা ছিল, এই পুতুলগুলো কবরে শুয়ে থাকা মানুষটির ব্যক্তিগত সেবক হিসেবে কাজ করবে। পরকালের কঠিন সব কাজ এই পুতুলরাই করে দেবে। এই পুতুলগুলোকে তারা রাজকীয় দামি পোশাক আর গয়না দিয়ে সাজাত, যাতে মৃত্যুর পরেও তাদের সম্মান বজায় থাকে।

আবার গ্রিস ও রোমের গল্পটা ছিল কিছুটা অন্যরকম। সেখানে মেয়েরা বিয়ের আগে বিশেষ আচার পালন করত। বিয়ের ঠিক আগের রাতে তারা শৈশবের প্রিয় পুতুলগুলোকে মন্দিরে গিয়ে দেবতাদের চরণে রেখে আসত। পুতুলটিকে মন্দিরে রেখে দেওয়ার মানে হলো, মেয়েটি শৈশবকে বিদায় জানিয়ে এখন বড় হওয়ার নতুন পথে পা রাখছে। তারা মনে করত, পুতুলটি উৎসর্গ করলে দেবতারা তাদের নতুন দাম্পত্য জীবনের জন্য আশীর্বাদ করবেন। অর্থাৎ, পুতুল ছিল বেড়ে ওঠার এক অমোঘ সাক্ষী।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের অনেক আদিবাসী ও লোকজ সংস্কৃতিতে পুতুলকে আজও শুধু খেলনা মনে করা হয় না; বরং সেগুলোকে দেখা হয় জাদুর হাতিয়ার বা ঐশ্বরিক ক্ষমতার উৎস হিসেবে। প্রাচীন অনেক সভ্যতায় পুতুল ব্যবহার করা হতো তাবিজের মতো। মানুষের বিশ্বাস ছিল, যদি কোনো ছোট পুতুলকে নির্দিষ্ট কোনো দেবতার আদলে বানানো হয়, তবে সেই দেবতা পুতুলের মাধ্যমে তাদের রক্ষা করবেন। কোনো বিপদ, রোগবালাই বা অশুভ শক্তি যেন তাদের ছুঁতে না পারে, সেজন্য তারা পুতুলকে এক ধরণের সুরক্ষা-কবজ মনে করত। এমনকি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে, পুতুল বানিয়ে তার শরীরের রোগ বা কষ্টগুলো সেই পুতুলের মধ্যে সরিয়ে দেওয়ার এক অদ্ভুত বিশ্বাসও তখন প্রচলিত ছিল।
আজও পৃথিবীর অনেক দুর্গম অঞ্চলে গেলেই দেখা যায়, মানুষ তাদের ঘরের কোণায় বা বাড়ির পাশের গাছের ডালে অদ্ভুত সব পুতুল ঝুলিয়ে রেখেছে। এর পেছনে কাজ করে ‘শমনবাদ’ বা আধ্যাত্মিক এক বিশ্বাস। তাদের ধারণা, ঘরের বাইরের অশুভ শক্তিকে বিভ্রান্ত করতে এই পুতুলগুলো দারুণ কাজ করে। অশুভ আত্মা যখনই বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে, তখন সে আসল মানুষের বদলে ওই পুতুলকে দেখে ভুল পথে চলে যায়।
এই পুতুলগুলো তৈরির পেছনেও থাকে অনেক নিয়ম। পুতুলের পরনের বিশেষ পোশাক, তার গায়ে ব্যবহার করা বিশেষ রং এবং তার হাতের অদ্ভুত ভঙ্গি—সবকিছুর পেছনেই থাকে গোপন কোনো অর্থ বা ধর্মীয় প্রতীক। এমনকি প্রাচীনকালে রোগ সারানোর সময় অনেক সময় পুতুলের বিশেষ অঙ্গে সূঁচ ফোটানো হতো। তাদের বিশ্বাস ছিল, পুতুলের অঙ্গে আঘাত করার মাধ্যমে আসলে রোগীর শরীরের রোগ বা ব্যথার মুক্তি ঘটছে।
বার্বি পুতুলের পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। দীর্ঘ সময় ধরে এটি সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে আমাদের মগজে গেঁথে আছে। কিন্তু এই সৌন্দর্যের ধারণা আমাদের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে?
আগেকার সমাজে পুতুল ছিল রুচি ও সৌন্দর্যের প্রতিফলন। প্রাচীন মিশর বা গ্রিসের পুতুলগুলো ছিল সাধারণ। সময়ের ধারায় পুতুলের রূপ বদলেছে, কিন্তু ১৯৫৯ সালে বার্বির আগমন সব হিসাব বদলে দেয়। বার্বির গঠন যেমন লম্বা পা, সরু কোমর এবং নিখুঁত মুখাবয়ব—বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বিশেষ মানদণ্ড তৈরি করেছিল।
মানুষ অবচেতনভাবেই ভাবতে শুরু করল যে, নারী মানেই এমন স্লিম হতে হবে। এই ধারণা আমাদের মগজে গভীর প্রভাব ফেলে। যখন আমরা ছোটবেলা থেকেই নিখুঁত পুতুলের সঙ্গে খেলি, তখন বড় হওয়ার পথে বাস্তব জীবনের সাধারণ ও স্বাভাবিক শারীরিক গঠনের মানুষকে আমরা অনেক সময় ‘অসম্পূর্ণ’ বা ‘কম সুন্দর’ ভাবতে শুরু করি। একে মনোবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘বডি ইমেজ ইস্যু’।
বার্বির মতো হওয়ার এই অবাস্তব তাড়না থেকে অনেকের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দেয়। আজকের ডিজিটাল যুগে এই সংকট আরও প্রকট হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার নানা কারসাজি, ফেসঅ্যাপ বা ফিল্টার ব্যবহার করে নিজেদের অবিকল বার্বির মতো নিখুঁত করে তোলার নেশা আমাদের স্বাভাবিকতাকে ঢেকে দিচ্ছে।
তবে আশার কথা হলো, সচেতনতার প্রয়োজনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বার্বিও তার চরিত্রে বদল এনেছে। এখনকার বার্বি কালেকশনে আমরা বিভিন্ন উচ্চতা, বর্ণ এবং শারীরিক গঠনের বৈচিত্র্য দেখতে পাই। কারণ, সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট ছাঁচে আবদ্ধ নয়, সৌন্দর্য মানেই বৈচিত্র্য।
.png)

প্রায় ৪০০ বছরের পুরোনো ঢাকা নগরীও এমন অসংখ্য পরিবর্তনের সাক্ষী। একসময় ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নবাব কিংবা সমাজের উচ্চবিত্তরা ঢাকায় আসেন। তাঁদের সঙ্গে আসেন নানা ধরনের কারিগর, শিল্পী ও পেশাজীবীরাও। ফলে কলকাতা ও উত্তর ভারতের অনেক পেশা একসময় ঢাকায় প্রচলিত ছিল। সময়ের আবর্তে সেই পেশাগুলোর অধিকাংশই হারিয়ে
০৯ আগস্ট ২০২৬
‘যুদ্ধ’ শব্দটার সঙ্গে আমাদের পরিচয় অনেক দিনের। টিভি খুললেই যুদ্ধের খবর, ফেসবুকে ঢুকলেই ধ্বংসস্তূপ, আগুন আর মানুষের কান্নার ছবি। এত বেশি দেখতে দেখতে আমরা যেন অভ্যস্ত হয়ে গেছি। নিউজফিড স্ক্রল করতে এখন আর আঙুল থেমে যায় না।
০৬ আগস্ট ২০২৬
চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান নিয়ে এরই মধ্যে বেশকিছু গবেষণা হয়েছে। আজকের লেখায় গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী তিনটি গবেষণা নিয়ে আলোচনা করব। গবেষণাগুলোতে এই গণঅভ্যুত্থানকে তিনটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে গবেষকরা বিশ্লেষণ করেছেন।
০৫ আগস্ট ২০২৬
১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম প্রকাশিত হয় মঈদুল হাসানের বই ‘মূলধারা ৭১’। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে এর দ্বিতীয় সংস্করণের সপ্তম মুদ্রণ প্রকাশিত হয়। প্রকাশের পর কয়েক দশক পেরিয়ে গেলেও বইটির গুরুত্ব কমেনি। বরং নতুন প্রজন্মের কাছে এটি আরও বেশি প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।
২৯ জুলাই ২০২৬