রিকশা, হকার ও যানবাহনে শৃঙ্খলা নেই, একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়: ডিএসসিসি প্রশাসক

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ৪৬
ইস্কাটনের সচিব নিবাসে আয়োজিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছেন ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম। সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর সড়কে রিকশা-গাড়ি ও ফুটপাতে হকারদের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। তিনি বলেছেন, ‘এগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়’।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর ইস্কাটনের সচিব নিবাসে আয়োজিত বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সচিব নিবাস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ।

এ সময় দক্ষিণ সিটি প্রশাসক বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি সবাই মিলে যাতে একটি বসবাসযোগ্য ঢাকা গড়তে পারি। রাজধানী হলো দেশের মুখমণ্ডল। মুখমণ্ডলকে যদি পরিষ্কার রাখতে না পারি, বিদেশ থেকে একজন মানুষ ঢাকা শহরে নামার পর যদি দুই-চার ঘণ্টা তাঁকে গাড়িতেই বসে থাকতে হয়, তাহলে বাংলাদেশ সম্পর্কে তাঁর ধারণা কী হবে?’

মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমি সবসময় বলি, এটা অর্ধেক-অর্ধেক দায়িত্ব। যদি জনগণ তাঁর দায়িত্ব পালন করে তবে ৫০ ভাগ হবে, আর সিটি করপোরেশন তাঁর দায়িত্ব পালন করলে ১০০ ভাগ সফল হবে। যেকোনো এক পক্ষ দায়িত্ব পালন করলে কোনোভাবেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যাবে না, মশক নিধনও সম্ভব হবে না। এ কারণে আমরা জনগণকে সম্পৃক্ত করতে চাই।’

নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘জনসচেতনতার জন্য আপনারা জানেন যে ঢাকা শহরে ৭৫টি ওয়ার্ড। এখানে আমি উদ্বোধন করার সঙ্গে সঙ্গেই ৭৫টি ওয়ার্ডে গণসংযোগের জন্য মাইকিং শুরু হবে। কারণ আমি বিশ্বাস করি এবং এটাই বাস্তব—শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে কোনোভাবেই মশক নিধন বা শহর পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়, যদি না জনগণ এগিয়ে আসে।’

প্রশাসক আরও বলেন, ‘খালগুলোকে যদি আমরা প্রকৃত অর্থে প্রবহমান ও দখলমুক্ত রাখতে না পারি এবং আবর্জনামুক্ত করতে না পারি, তবে এখানে পরিষ্কার করে কোনো লাভ হবে না। এখান থেকে সারা ঢাকা শহরে একটি বার্তা যাবে যে আমাদের পরিচ্ছন্নতা অভিযানটি আগেই শুরু হয়েছে, তবে আজ থেকে আমরা নতুন করে আবার শুরু করলাম।’

সম্পর্কিত