leadT1ad

মনিরা শারমিনের আপিল খারিজ করে দিয়েছে ইসি

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

মনিরা শারমিন। ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নবাতিলের বিরুদ্ধে মনিরা শারমিনের করা আপিল খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আপিল শুনানি শেষে এই তথ্য জানায় ইসি।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘মনিরা শারমিনের আপিল নামঞ্জুর হয়েছে। ফলে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে।’

এসময় ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাওয়ার ঘোষণা দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নেত্রী । তিনি বলেন, আইনের অস্পষ্টতার জন্য নারীদের সংসদে প্রতিনিধিত্ব যেন অনিশ্চিত না হয়।

উল্লেখ্য, সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ার কারণে গত ২৩ এপ্রিল ইসিতে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিনে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। গতকাল রোববার (২৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন মনিরা শারমিন। এ সময় ‘আইন সবার জন্য সমান না দেখার’ অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিল করেছি। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুনানির সময় দিয়েছে কমিশন। সরকারি চাকরি হিসেবে আমি যে পর্যায়ে কাজ করেছি, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো ক্ষমতা ছিল না। কাজেই আমি মনে করি না যে এটা মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার মতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে আইন উল্লেখ করে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হলো, সেটি একেবারে ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ব্যাখ্যা দাঁড় করানো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধেই মূলত আমার আইনি লড়াই। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বলছি, যে কারণে আইনটি করা হয়েছিল, সে জায়গা থেকে সরে আইনটি সংরক্ষিত নারী আসনের উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করছে। শুধু সরকারি চাকরির বাধ্যবাধকতা দিয়ে প্রার্থী হতে বাধা দেওয়া হয়েছে, বেসরকারি ব্যাংকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে না। এর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে ও সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতে এ আইন সংশোধন করা দরকার।’

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে জামায়াত জোটের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়েছে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেত্রী বলেন, ‘আইন তো সবার জন্য সমান। ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীর ক্ষেত্রে বিমাতাসুলভ আচরণ কি না! আমরা দেখছি, মাধবী মারমা বান্দরবান জেলা পরিষদের প্রশাসনিক পদে থেকেও নির্বাচন করতে পারছেন, তাঁর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি। ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র ডিরেক্টর অব প্রোগ্রামস পদে ছিলেন (আন্না মিনজ) বিএনপির আরেক প্রার্থী। এতে বিভক্তি তৈরি করা হচ্ছে এবং আইন সবার সমান দেখতে পাচ্ছি না।’

Ad 300x250

সম্পর্কিত