স্ট্রিম সংবাদদাতা

নির্মাণ কাজ শুরুর পর কেটে গেছে পাঁচ বছর। ২০২১ সালের ২৪ মে সেতুর আনুষ্ঠানিক কাজও শুরু হলেও এই সময়ে কাজের অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ।
খুলনা শহর থেকে দিঘলিয়া উপজেলাকে আলাদা করেছে ভৈরব নদ। নদের নগরঘাট এলাকায় সেতুটি নির্মাণ হচ্ছে। খুলনা শহরের সঙ্গে দিঘলিয়া উপজেলার পাশাপাশি নড়াইল জেলার সংযোগ স্থাপনে সেতুটি ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চুক্তি অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু তিন দফা সময় বাড়িয়ে পাঁচ বছর পেরোলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ। দৃশ্যমান হয়েছে শুধু ১৭টি পিলার। এরমধ্যে গত দেড় বছর কাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়রা বলছেন, সেতুর ২৮টি পিলারের মধ্যে ১৭টির কাজ শেষ হয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য নদের দুই পারে সাড়ে ১৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। শহরের পারের জমিতে শিল্প-কারখানা থাকায় প্রথমদিকে কিছু জটিলতা ছিল। পরে নির্ধারিত সময়েই এসব স্থাপনা অপসারণ করে পুরো জমি বুঝে নিয়েছে সড়ক বিভাগ। তারপরও দেড় বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তাদের গাফিলতিকে দায়ী করছেন দিঘলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রকল্প কর্মকর্তারা। তারা জানান, প্রকল্পটির প্রথম নকশায় নদের মাঝে দুটি পিলার ছিল। কিন্তু নদের মধ্যে পিলার বসলে পলি জমে নদ ভরাট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য নকশা সংশোধন করে নদের মাঝে দুটি পিলার সরিয়ে তীরে স্থাপন করা হবে। এতে স্টিলের মূল সেতুর দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ১৫১ মিটার।
এ ছাড়া সেতুর দুই পাশে স্বল্পগতির যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। নকশা সংশোধন করে দুই পাশে লেন করা হয়েছে। এ জন্য সেতুর প্রশস্ততা দেড় গুণ বেড়ে ১০ দশমিক ৩ মিটার হয়েছে। নগরের মহসিন মোড়ে রেললাইনের ওপর কংক্রিটের গার্ডার বদলে স্টিল করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশোধিত নকশা চূড়ান্ত হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চার লেনের মূল সেতুটি হবে ১৫১ মিটার। নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নদ থেকে প্রায় ৬০ ফুট উঁচুতে পিসি গার্ডার নকশায় সেতুটি নির্মাণ হবে। সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ স্থাপন করতে দুই পাশে তিন কিলোমিটারেরও বেশি উড়াল সড়ক (ভায়াডাক্ট) নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে খুলনা শহর প্রান্তে নগরের মহসিন মোড় পর্যন্ত ১ দশমিক ২৭ কিলোমিটার এবং দিঘলিয়া প্রান্তে নদ থেকে উপজেলা মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ হচ্ছে।
সেতু নির্মাণ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১৭ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮১ কোটি টাকা। বাকি টাকা সেতু সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজে ব্যয় হবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, সেতুটি নির্মাণের জন্য ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে কাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পের মেয়াদ দেড় বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। কাজ শেষ না হওয়ায় চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু গত ৩০ জুনের অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৬২ কোটি টাকা।
মুঠোফোনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ প্রকল্পের পরিবর্ধিত নকশা হাতে না পাওয়ায় বর্তমানে কাজের গতি কমেছে দাবি করে বলেন, ভৈরব সেতু প্রকল্প নিয়ে আপাতত কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা। মূলত সময়মতো জমি বুঝে না পাওয়ায় কাজে ধীরগতি দেখা দেয়।
গত দেড় বছর ভৈরব সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রেখেছে স্বীকার করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক বলেন, গত দেড় বছরে ডজনখানেক চিঠি দেওয়ার পরও ঠিকাদার কাজ করছেন না। এ জন্য চুক্তি বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন মিললে প্রকল্পটিতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ শেষ করা হবে।
নির্মাণকাজের এ দীর্ঘসূত্রতার ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগ খুলনার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘ভৈরব সেতুর আগে আমাদের অধিদপ্তর থেকে এত বড় সেতু করা হতো না। যে কারণে কিছু জটিলতাও ছিল। এখন অবশ্য আমরা বড় সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করছি।’
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ভৈরব সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নকশা ও প্রকল্প সংশোধনের কাজ চলছে। দ্রুত সংশোধিত প্রকল্প উত্থাপন করা হবে।

নির্মাণ কাজ শুরুর পর কেটে গেছে পাঁচ বছর। ২০২১ সালের ২৪ মে সেতুর আনুষ্ঠানিক কাজও শুরু হলেও এই সময়ে কাজের অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ।
খুলনা শহর থেকে দিঘলিয়া উপজেলাকে আলাদা করেছে ভৈরব নদ। নদের নগরঘাট এলাকায় সেতুটি নির্মাণ হচ্ছে। খুলনা শহরের সঙ্গে দিঘলিয়া উপজেলার পাশাপাশি নড়াইল জেলার সংযোগ স্থাপনে সেতুটি ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চুক্তি অনুযায়ী দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু তিন দফা সময় বাড়িয়ে পাঁচ বছর পেরোলেও কাজের অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ। দৃশ্যমান হয়েছে শুধু ১৭টি পিলার। এরমধ্যে গত দেড় বছর কাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়রা বলছেন, সেতুর ২৮টি পিলারের মধ্যে ১৭টির কাজ শেষ হয়েছে। অ্যাপ্রোচ সড়কের জন্য নদের দুই পারে সাড়ে ১৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। শহরের পারের জমিতে শিল্প-কারখানা থাকায় প্রথমদিকে কিছু জটিলতা ছিল। পরে নির্ধারিত সময়েই এসব স্থাপনা অপসারণ করে পুরো জমি বুঝে নিয়েছে সড়ক বিভাগ। তারপরও দেড় বছর ধরে কাজ বন্ধ রয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কতিপয় কর্মকর্তাদের গাফিলতিকে দায়ী করছেন দিঘলিয়ার স্থানীয় বাসিন্দারা।
এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রকল্প কর্মকর্তারা। তারা জানান, প্রকল্পটির প্রথম নকশায় নদের মাঝে দুটি পিলার ছিল। কিন্তু নদের মধ্যে পিলার বসলে পলি জমে নদ ভরাট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এজন্য নকশা সংশোধন করে নদের মাঝে দুটি পিলার সরিয়ে তীরে স্থাপন করা হবে। এতে স্টিলের মূল সেতুর দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ১৫১ মিটার।
এ ছাড়া সেতুর দুই পাশে স্বল্পগতির যান চলাচলের জন্য পৃথক লেন না থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। নকশা সংশোধন করে দুই পাশে লেন করা হয়েছে। এ জন্য সেতুর প্রশস্ততা দেড় গুণ বেড়ে ১০ দশমিক ৩ মিটার হয়েছে। নগরের মহসিন মোড়ে রেললাইনের ওপর কংক্রিটের গার্ডার বদলে স্টিল করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সংশোধিত নকশা চূড়ান্ত হয়েছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চার লেনের মূল সেতুটি হবে ১৫১ মিটার। নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নদ থেকে প্রায় ৬০ ফুট উঁচুতে পিসি গার্ডার নকশায় সেতুটি নির্মাণ হবে। সেতুর সঙ্গে সড়কের সংযোগ স্থাপন করতে দুই পাশে তিন কিলোমিটারেরও বেশি উড়াল সড়ক (ভায়াডাক্ট) নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে খুলনা শহর প্রান্তে নগরের মহসিন মোড় পর্যন্ত ১ দশমিক ২৭ কিলোমিটার এবং দিঘলিয়া প্রান্তে নদ থেকে উপজেলা মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ হচ্ছে।
সেতু নির্মাণ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১৭ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। এরমধ্যে মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮১ কোটি টাকা। বাকি টাকা সেতু সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাজে ব্যয় হবে।
প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, সেতুটি নির্মাণের জন্য ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর ওয়াহিদ কনস্ট্রাকশন লিমিটেড নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির ২০২২ সালের ২৫ নভেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে কাজ বন্ধ থাকায় প্রকল্পের মেয়াদ দেড় বছর বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। কাজ শেষ না হওয়ায় চলতি বছর ৩০ জুন পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। কিন্তু গত ৩০ জুনের অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাঁচ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ। ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে প্রায় ৬২ কোটি টাকা।
মুঠোফোনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক শামীম আহমেদ প্রকল্পের পরিবর্ধিত নকশা হাতে না পাওয়ায় বর্তমানে কাজের গতি কমেছে দাবি করে বলেন, ভৈরব সেতু প্রকল্প নিয়ে আপাতত কোনো কথা বলতে চাচ্ছি না। প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতা। মূলত সময়মতো জমি বুঝে না পাওয়ায় কাজে ধীরগতি দেখা দেয়।
গত দেড় বছর ভৈরব সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রেখেছে স্বীকার করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী তানিমুল হক বলেন, গত দেড় বছরে ডজনখানেক চিঠি দেওয়ার পরও ঠিকাদার কাজ করছেন না। এ জন্য চুক্তি বাতিলের জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন মিললে প্রকল্পটিতে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজ শেষ করা হবে।
নির্মাণকাজের এ দীর্ঘসূত্রতার ব্যাপারে সড়ক ও জনপদ বিভাগ খুলনার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘ভৈরব সেতুর আগে আমাদের অধিদপ্তর থেকে এত বড় সেতু করা হতো না। যে কারণে কিছু জটিলতাও ছিল। এখন অবশ্য আমরা বড় সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করছি।’
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বলেন, ভৈরব সেতু নির্মাণ প্রকল্পের নকশা ও প্রকল্প সংশোধনের কাজ চলছে। দ্রুত সংশোধিত প্রকল্প উত্থাপন করা হবে।
.png)

সঠিক পানি ব্যবস্থাপনার জন্য এখন থেকে স্লুইস গেটের দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসন পালন করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, স্লুইস গেট ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। এখন থেকে ইউএনও, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা এই দায়িত্বে থাকবেন।
১ মিনিট আগে
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যেন বিদেশিরাও পড়তে আসে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক।
১৯ মিনিট আগে
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত এর আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২৪২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
হামের উপসর্গে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের কারও হাম শনাক্ত হয়নি। শনিবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ সময়ে দেশে ৬৯৯ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে