রাতুল আল আহমেদ

বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রগতিশীল চিন্তার ‘বাতিঘর’ হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ সেখানেই সম্প্রতি এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এক তিক্ত সত্যকে সামনে এনেছে। এই ঘটনা শুধু একজন নারীকে ধর্ষণ করা বা করানোর ঘৃণ্য প্রচেষ্টাই নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রগতিশীল’ ভাবমূর্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা নারীবিদ্বেষের প্রকাশ। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম সম্পাদক পদপ্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শিবির-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মনোনীত প্রার্থী ফরহাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সম্পর্কের অভিযোগ এনে ফাহমিদা হাইকোর্টে একটি রিট করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় আদালত সাময়িকভাবে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দিলে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ জানায়। পরে আবার আদালতের নির্দেশে নির্বাচন আয়োজন বহালও হয়।
এ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আলী হুসেন তার (পরবর্তীকালে মুছে ফেলা) ফেসবুক পোস্টে আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে ফাহমিদাকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দেন। একই হুমকি ফাহমিদার সমর্থকদের প্রতিও দেওয়া হয়েছিল ওই পোস্টে।
ফেসবুকে আলী হুসেনের পোস্টটির স্ক্রিনশর্ট ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক এই হুমকিদাতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩ সেপ্টেম্বর ফাহমিদাকে হুমকি ও অপমানজনক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে আলী হুসেনকে ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।
ফাহমিদার নির্বাচনী প্যানেল এই সাইবার হুমকিমূলক প্রচারণার জন্য শুরু থেকেই ইসলামী ছাত্র শিবিরকে দায়ী করে আসছে। শুধু তাই নয়, আলী হুসেনকে তাঁরা শিবিরের সমর্থক হিসেবে দাবি করেন। যদিও আলী হুসেন অস্বীকার করেছেন। শিবিরের পক্ষ থেকেও অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শিবির আলী হুসেনের হুমকির নিন্দা জানিয়েছে। তবে ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে ফাহমিদাকে লক্ষ্য করে শিবির-সমর্থকরা বিভিন্ন বট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবমাননাকর ও লিঙ্গভিত্তিক আক্রমণ জারি রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনাকে মানুষের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি একটি বড় ‘সাংস্কৃতিক অসুস্থতা’র প্রতিফলন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বাংলাদেশের ‘শিক্ষিত’ সমাজেও নারীদের প্রতিবাদকে হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়ার এক ভয়াবহ বাস্তবতা ইদানীং সামনে আসছে। কখনো কখনো জনপরিসরেও চুপ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের আগ্রাসন আরও বেশি দেখা যায়। যেখানে গালিগালাজের মধ্য দিয়ে নারীকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ক্রমশ বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরুষের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জের কারণে নারীরা শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে পারেন। যৌন নিপীড়নের হুমকি তাদের আত্মবিশ্বাস নষ্টই শুধু করে না, এটি তাদের মানসিক যন্ত্রণারও কারণ হয়, যা তারা দীর্ঘদিন বহন করে। এর ফলে জনজীবনে নারীর অংশগ্রহণ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়, তেমনি সমাজের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও ক্ষতির মুখে পড়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা পুরুষতান্ত্রিক দাপুটে মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। এতে ধারণা করা যায়, উচ্চশিক্ষা অনেক ক্ষেত্রেই নারীবিদ্বেষী মানসিকতা পরিবর্তনে পুরোপুরি সফল হতে পারে না। কারণ, আমাদের সমাজে এই ধরনের অপরাধের জবাবদিহিতা তথা যথাযথ বিচারের সংস্কৃতি তুলানামূলক কম। ফলে অপরাধীদের জবাবদিহিতার অভাব এই সহিংসতাকে আরও উস্কে দিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি নারীর জীবনকেও ক্রমাগত ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
এখন প্রশ্ন করা যায়, এই একুশ শতকেও যৌন সহিংসতা কেন নারীর বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
আমাদের অবশ্যই এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হওয়া দরকার। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও কি প্রশ্নগুলো নিয়ে ভাববে না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর এ সময়ে অনলাইন ও অফলাইন—দুই ক্ষেত্রেইে আমরা যদি এমন একটি পরিবেশ না তৈরি করতে পারি, যেখানে নারীর সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে, তবে আধুনিক সময়ের মানুষ হিসেবে আমরা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ব। ফলে সাইবার বুলিং তথা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ই আমাদের ব্রত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশের বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রগতিশীল চিন্তার ‘বাতিঘর’ হিসেবে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ সেখানেই সম্প্রতি এক ছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এক তিক্ত সত্যকে সামনে এনেছে। এই ঘটনা শুধু একজন নারীকে ধর্ষণ করা বা করানোর ঘৃণ্য প্রচেষ্টাই নয়, বরং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘প্রগতিশীল’ ভাবমূর্তির আড়ালে লুকিয়ে থাকা নারীবিদ্বেষের প্রকাশ। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম সম্পাদক পদপ্রার্থী বি এম ফাহমিদা আলম সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদের প্রার্থিতার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শিবির-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের মনোনীত প্রার্থী ফরহাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সঙ্গে তার পূর্ববর্তী সম্পর্কের অভিযোগ এনে ফাহমিদা হাইকোর্টে একটি রিট করেন। এর প্রতিক্রিয়ায় আদালত সাময়িকভাবে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দিলে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন প্রতিবাদ জানায়। পরে আবার আদালতের নির্দেশে নির্বাচন আয়োজন বহালও হয়।
এ পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আলী হুসেন তার (পরবর্তীকালে মুছে ফেলা) ফেসবুক পোস্টে আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে ফাহমিদাকে ‘গণধর্ষণের’ হুমকি দেন। একই হুমকি ফাহমিদার সমর্থকদের প্রতিও দেওয়া হয়েছিল ওই পোস্টে।
ফেসবুকে আলী হুসেনের পোস্টটির স্ক্রিনশর্ট ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। ২ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক এই হুমকিদাতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৩ সেপ্টেম্বর ফাহমিদাকে হুমকি ও অপমানজনক ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে আলী হুসেনকে ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।
ফাহমিদার নির্বাচনী প্যানেল এই সাইবার হুমকিমূলক প্রচারণার জন্য শুরু থেকেই ইসলামী ছাত্র শিবিরকে দায়ী করে আসছে। শুধু তাই নয়, আলী হুসেনকে তাঁরা শিবিরের সমর্থক হিসেবে দাবি করেন। যদিও আলী হুসেন অস্বীকার করেছেন। শিবিরের পক্ষ থেকেও অভিযোগটি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শিবির আলী হুসেনের হুমকির নিন্দা জানিয়েছে। তবে ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্টে ফাহমিদাকে লক্ষ্য করে শিবির-সমর্থকরা বিভিন্ন বট অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবমাননাকর ও লিঙ্গভিত্তিক আক্রমণ জারি রেখেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনাকে মানুষের পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা থেকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি একটি বড় ‘সাংস্কৃতিক অসুস্থতা’র প্রতিফলন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। বাংলাদেশের ‘শিক্ষিত’ সমাজেও নারীদের প্রতিবাদকে হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে দেওয়ার এক ভয়াবহ বাস্তবতা ইদানীং সামনে আসছে। কখনো কখনো জনপরিসরেও চুপ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের আগ্রাসন আরও বেশি দেখা যায়। যেখানে গালিগালাজের মধ্য দিয়ে নারীকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ক্রমশ বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পুরুষের আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জের কারণে নারীরা শারীরিক আক্রমণের শিকার হতে পারেন। যৌন নিপীড়নের হুমকি তাদের আত্মবিশ্বাস নষ্টই শুধু করে না, এটি তাদের মানসিক যন্ত্রণারও কারণ হয়, যা তারা দীর্ঘদিন বহন করে। এর ফলে জনজীবনে নারীর অংশগ্রহণ যেমন বাধাগ্রস্ত হয়, তেমনি সমাজের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও ক্ষতির মুখে পড়ে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে এমন ঘটনা পুরুষতান্ত্রিক দাপুটে মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ। এতে ধারণা করা যায়, উচ্চশিক্ষা অনেক ক্ষেত্রেই নারীবিদ্বেষী মানসিকতা পরিবর্তনে পুরোপুরি সফল হতে পারে না। কারণ, আমাদের সমাজে এই ধরনের অপরাধের জবাবদিহিতা তথা যথাযথ বিচারের সংস্কৃতি তুলানামূলক কম। ফলে অপরাধীদের জবাবদিহিতার অভাব এই সহিংসতাকে আরও উস্কে দিচ্ছে। একই সঙ্গে এটি নারীর জীবনকেও ক্রমাগত ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
এখন প্রশ্ন করা যায়, এই একুশ শতকেও যৌন সহিংসতা কেন নারীর বিরুদ্ধে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
আমাদের অবশ্যই এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হওয়া দরকার। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও কি প্রশ্নগুলো নিয়ে ভাববে না? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমনির্ভর এ সময়ে অনলাইন ও অফলাইন—দুই ক্ষেত্রেইে আমরা যদি এমন একটি পরিবেশ না তৈরি করতে পারি, যেখানে নারীর সামাজিক ও মানসিক নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে, তবে আধুনিক সময়ের মানুষ হিসেবে আমরা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ব। ফলে সাইবার বুলিং তথা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার প্রতি ‘জিরো টলারেন্স’ই আমাদের ব্রত হওয়া উচিত।

ইরানে হয়তো সরকার পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এই যুদ্ধ থামাতে হলে আসলে ওয়াশিংটন ও ইসরায়েলের বেপরোয়া সরকারগুলোর পতন হওয়া জরুরি। ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। অন্যদিকে ইসরায়েলের মানুষ যুদ্ধ-উন্মাদনায় ভুগছে। তারা নেতানিয়াহুকে অন্ধভাবে সমর্থন দিচ্ছে।
১১ ঘণ্টা আগে
সংসদ সদস্যদের স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে হবে যে তাদের মূল দায়িত্ব দুটি—আইন প্রণয়ন এবং সরকারের কাজের তদারকি করা। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ সংসদ সদস্যদের কাজ নয়।। সস্তা জনপ্রিয়তা অর্জন, নিজের ব্যবসা বা ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগ না দিয়ে তাদের সংসদীয় প্রক্রিয়ায় বেশি সময় দিতে হবে। নয়তো সংসদ তার কার্যকারিতা হারাবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে যদি ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রত্যেক দরিদ্র নাগরিকের জন্য সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্রে রূপান্তর করা যায় এবং বাজেট ও সম্পদের ব্যবহার সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী সংস্কার হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
গত মাসে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের প্রথম আনুষ্ঠানিক জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী নীতি ও কৌশল প্রকাশ করেছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রহার’। এই ঐতিহাসিক দলিলটি প্রতিক্রিয়াশীল ও খণ্ডিত নিরাপত্তা কাঠামো থেকে সুসংগঠিত আইন-ভিত্তিক কাঠামোতে রূপান্তরের ইঙ্গিত—যা ভারতের বৈচিত্র্যময় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্
২০ ঘণ্টা আগে