স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন সামনে এলে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়, আর সেই মেরুকরণ থেকে নানা ধরনের জোট ও বোঝাপড়ার জন্ম নেয়। এখন বাংলাদেশেও সেই প্রক্রিয়াই চলছে। বিএনপি যেহেতু দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, অনেক দলই তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে নিজেদের আসন-সংখ্যা বা নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে কিছুটা নিশ্চিত হতে পারে—এটা স্বাভাবিক। তবে বিএনপি এখনো পর্যন্ত এককভাবেই আছে। জোট করবে কি না, করলে কার সঙ্গে করবে—এই বিষয়ে বিএনপির ভেতরে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সম্ভাব্য জোটের আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে এনসিপিকে সঙ্গে নিতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে আমি বলব, সব দলের বিষয়েই কথাবার্তা হয়, এনসিপির বিষয়েও হয়েছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন দলের সঙ্গে নানা ইস্যুতে—যেমন নির্বাচনের কাঠামো, প্রক্রিয়া—ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু সেটাকে এখনই জোট বা সমঝোতা বলা যাবে না।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যমে কথা বলার সময় নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও গণঅভ্যুত্থানধারার দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। অতীতেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি এসব শক্তির সঙ্গে আগামী নির্বাচনে কোনো ধরনের সমঝোতা বা বোঝাপড়া হয়, সেটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তারেক রহমান সাহেব সরাসরি নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকারী সব শক্তির সঙ্গে বিএনপি সবসময় আছে; এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
সব মিলিয়ে বিএনপি এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জোট বা সমঝোতার প্রক্রিয়ায় যায়নি। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-আন্দোলনের ধারায় থাকা দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক অবস্থান রাখে।

নির্বাচন সামনে এলে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়, আর সেই মেরুকরণ থেকে নানা ধরনের জোট ও বোঝাপড়ার জন্ম নেয়। এখন বাংলাদেশেও সেই প্রক্রিয়াই চলছে। বিএনপি যেহেতু দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, অনেক দলই তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে নিজেদের আসন-সংখ্যা বা নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে কিছুটা নিশ্চিত হতে পারে—এটা স্বাভাবিক। তবে বিএনপি এখনো পর্যন্ত এককভাবেই আছে। জোট করবে কি না, করলে কার সঙ্গে করবে—এই বিষয়ে বিএনপির ভেতরে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সম্ভাব্য জোটের আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে এনসিপিকে সঙ্গে নিতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে আমি বলব, সব দলের বিষয়েই কথাবার্তা হয়, এনসিপির বিষয়েও হয়েছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন দলের সঙ্গে নানা ইস্যুতে—যেমন নির্বাচনের কাঠামো, প্রক্রিয়া—ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু সেটাকে এখনই জোট বা সমঝোতা বলা যাবে না।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যমে কথা বলার সময় নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও গণঅভ্যুত্থানধারার দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। অতীতেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি এসব শক্তির সঙ্গে আগামী নির্বাচনে কোনো ধরনের সমঝোতা বা বোঝাপড়া হয়, সেটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তারেক রহমান সাহেব সরাসরি নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকারী সব শক্তির সঙ্গে বিএনপি সবসময় আছে; এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
সব মিলিয়ে বিএনপি এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জোট বা সমঝোতার প্রক্রিয়ায় যায়নি। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-আন্দোলনের ধারায় থাকা দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক অবস্থান রাখে।
.png)

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিরোধিতা নতুন কিছু নয়। বরং এই রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসই তৈরি হয়েছে তীব্র মতাদর্শগত লড়াই, মিছিল, আন্দোলন, পাল্টা মিছিল এবং সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে। কিন্তু রাজনৈতিক মতবিরোধ যখন ব্যক্তিগত আক্রমণ, হিংসা কিংবা ভয় দেখানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করে, তখন প্রশ
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণবিক্ষোভ, বিপ্লব, সামরিক অভ্যুত্থান, যুদ্ধ ও রাজনৈতিক বিদ্রোহের মুখে বহু শাসক ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। কেউ বিদেশে আশ্রয় নিয়েছেন, কেউ দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন, কেউ আবার রাজনৈতিকভাবে পুনরুত্থান ঘটিয়েছেন। কিন্তু একই ব্যক্তির ক্ষেত্রে গণআন্দোলনে পতন, দেশত্যাগ, বিদেশে অবস্থান
৭ ঘণ্টা আগে
একজন নেতার মৃত্যু একটি দলের জন্য শোকের ঘটনা। একই সঙ্গে এটি রাজনৈতিক পরীক্ষাও। নেতা চলে যাওয়ার পর দলটি কী করে, সেটিই প্রমাণ করে সেই নেতার উত্তরাধিকার কতটা গভীর ছিল। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপিও এমন এক পরীক্ষার সামনে। জন্মদিনে দলটি তাঁকে স্মরণ করবে। শ্রদ্ধা জানাবে।
৯ ঘণ্টা আগেবিবিএস বলছে, বিগত জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে, যা গত আট মাসে সর্বনিম্ন। জুনে এটা ছিল ৯ দশমিক ১৬; মে’তে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত—উভয় মূল্যস্ফীতিই নিম্নমুখী বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।
১৪ আগস্ট ২০২৬