কোন দল কার সঙ্গে গড়বে রাজনৈতিক ঐক্য ও নির্বাচনী জোট? বিএনপি আর এনসিপির মধ্যে কি রাজনৈতিক ঐক্য ও নির্বাচনী জোট হচ্ছে?—এসব প্রশ্ন এখন জনমনে। এ প্রসঙ্গে কী বলছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

নির্বাচন সামনে এলে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়, আর সেই মেরুকরণ থেকে নানা ধরনের জোট ও বোঝাপড়ার জন্ম নেয়। এখন বাংলাদেশেও সেই প্রক্রিয়াই চলছে। বিএনপি যেহেতু দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, অনেক দলই তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে নিজেদের আসন-সংখ্যা বা নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে কিছুটা নিশ্চিত হতে পারে—এটা স্বাভাবিক। তবে বিএনপি এখনো পর্যন্ত এককভাবেই আছে। জোট করবে কি না, করলে কার সঙ্গে করবে—এই বিষয়ে বিএনপির ভেতরে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সম্ভাব্য জোটের আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে এনসিপিকে সঙ্গে নিতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে আমি বলব, সব দলের বিষয়েই কথাবার্তা হয়, এনসিপির বিষয়েও হয়েছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন দলের সঙ্গে নানা ইস্যুতে—যেমন নির্বাচনের কাঠামো, প্রক্রিয়া—ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু সেটাকে এখনই জোট বা সমঝোতা বলা যাবে না।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যমে কথা বলার সময় নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও গণঅভ্যুত্থানধারার দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। অতীতেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি এসব শক্তির সঙ্গে আগামী নির্বাচনে কোনো ধরনের সমঝোতা বা বোঝাপড়া হয়, সেটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তারেক রহমান সাহেব সরাসরি নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকারী সব শক্তির সঙ্গে বিএনপি সবসময় আছে; এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
সব মিলিয়ে বিএনপি এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জোট বা সমঝোতার প্রক্রিয়ায় যায়নি। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-আন্দোলনের ধারায় থাকা দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক অবস্থান রাখে।

নির্বাচন সামনে এলে দেশে এক ধরনের রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়, আর সেই মেরুকরণ থেকে নানা ধরনের জোট ও বোঝাপড়ার জন্ম নেয়। এখন বাংলাদেশেও সেই প্রক্রিয়াই চলছে। বিএনপি যেহেতু দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল, অনেক দলই তাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হলে নিজেদের আসন-সংখ্যা বা নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে কিছুটা নিশ্চিত হতে পারে—এটা স্বাভাবিক। তবে বিএনপি এখনো পর্যন্ত এককভাবেই আছে। জোট করবে কি না, করলে কার সঙ্গে করবে—এই বিষয়ে বিএনপির ভেতরে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি।
নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে সম্ভাব্য জোটের আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিএনপি আসন্ন নির্বাচনে এনসিপিকে সঙ্গে নিতে আগ্রহী। তবে এ বিষয়ে আমি বলব, সব দলের বিষয়েই কথাবার্তা হয়, এনসিপির বিষয়েও হয়েছে। তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি। বিভিন্ন দলের সঙ্গে নানা ইস্যুতে—যেমন নির্বাচনের কাঠামো, প্রক্রিয়া—ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়, কিন্তু সেটাকে এখনই জোট বা সমঝোতা বলা যাবে না।
সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণমাধ্যমে কথা বলার সময় নতুন রাজনৈতিক শক্তি ও গণঅভ্যুত্থানধারার দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-অভ্যুত্থানের শক্তির সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। অতীতেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। রাজনৈতিক বাস্তবতায় যদি এসব শক্তির সঙ্গে আগামী নির্বাচনে কোনো ধরনের সমঝোতা বা বোঝাপড়া হয়, সেটা স্বাভাবিক ঘটনা। তবে তারেক রহমান সাহেব সরাসরি নির্বাচনী জোট নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি শুধু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনকারী সব শক্তির সঙ্গে বিএনপি সবসময় আছে; এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
সব মিলিয়ে বিএনপি এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো জোট বা সমঝোতার প্রক্রিয়ায় যায়নি। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী আলোচনার পথ খোলা রয়েছে, এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণ-আন্দোলনের ধারায় থাকা দলগুলোর সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে বিএনপি ইতিবাচক অবস্থান রাখে।

দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনা, আত্মসংযম এবং কঠোর ইবাদতের পর ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনের জন্য এক আনন্দগঘন দিন। এটি কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত মানবতার জয়গান। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঈদ কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি একটি গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক আহমেদুল কবির। তবে তিনিও মনে করেন, শুধু সহায়তা কর্মসূচির মধ্যে নারীকে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর ঘিরে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আসলে শুরু হয় রোজা শুরুর আগেই। আমদানিতে সক্রিয় হয়ে ওঠে বেসরকারি খাত। খাদ্যসহ কিছু পণ্যসামগ্রী আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয় আরও আগে। সরকার প্রয়োজনে কর-শুল্ক ছাড় দেয় ওইসব পণ্যের বাজার শান্ত রাখতে। আমদানিতে জড়িয়ে পড়ে ব্যাংক খাত।
১৭ ঘণ্টা আগে
ঈদ, পূজা বা কোনো সরকারি ছুটি এলেই ঢাকা যেন হঠাৎ ফাঁকা হয়ে যায়। মানুষ চলে যায় গ্রাম নামক শিকড়ে। সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা ব্যক্তিগত আলাপ—সব জায়গাতেই তখন উঠে আসে ‘ফাঁকা ঢাকা’র গল্প।
১৯ ঘণ্টা আগে