স্ট্রিম ডেস্ক
সরকারি কর্মচারি ও পেনশনারদের জন্য নতুন পে-স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু করে দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটাল সরকার। ২০১৫ সালের পর থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট কাঠামোয় তাদের বেতন বাড়েনি; যদিও গত চার বছর ধরে উচ্চমাত্রার মূল্যস্ফীতি চলমান। বেসরকারি খাতের কয়েকগুণ বেশি মানুষকেও একই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তাদের মধ্যেও বাড়বে বেতন বা মজুরি বৃদ্ধির দাবি। তাদের মধ্যে কাজ হারানোর শংকা অবশ্য এ মুহূর্তে বেশি করে উপস্থিত। কেননা বেসরকারি খাত পড়েছে আরও বেশি সংকটে।
সরকারের রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতি ভালো নয়। অর্থনীতির শ্লথগতি চলতে থাকলে এ ক্ষেত্রে উন্নতির আশাও নেই। এটা মাথায় রেখেই সরকার ধাপে ধাপে সরকারি খাতে বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। ভাতা বাড়ানো হবে আরও পরে। সরকারের প্রত্যাশা, তত দিনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা আর কঠিন থাকবে না। নতুন সরকার তত দিনে দক্ষও হয়ে উঠবে। একবারে পে-স্কেল বাস্তবায়নে গেলে অনেক অর্থ বাজারে এসে মূল্যস্ফীতি বাড়াবে বলেও সরকারের শংকা। মূল্যস্ফীতি এমনিতেই বেশি। সেটা নতুন করে বাড়ানোর মতো কিছু করা যাবে না।
বিএনপি সরকার শুরু থেকে একটা ‘অপ্রত্যাশিত’ জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করছে। অর্থ সংকটের মধ্যেও সরকারের ব্যয় এ কারণে বেড়ে চলেছে; তারপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এত বেশি খরচ হচ্ছে যে, নতুন করে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কথাও সরকারে আলোচিত হচ্ছে। বিদ্যমান অবস্থায় তেমন পদক্ষেপ নিয়ে আয় বাড়ানোটা অবশ্য রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর। সরকারকে তাই নিতে হচ্ছে সম্প্রসারিত বাজেট সহায়তা ও ব্যাংকঋণ। এখান থেকেই বর্ধিত বেতন জোগাতে হবে সরকারি কর্মচারিদের। তাদের মধ্যে অসমতা কমিয়ে আনার চেষ্টাও দেখা গেল চূড়ান্ত করা পে-স্কেলে। পেনশনারদের ক্ষেত্রেও একই প্রয়াস পরিলক্ষিত। এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারিদের কাছ থেকে আরও বেশি জনসেবা প্রত্যাশিত। সেটা নিশ্চিত করা সরকারেরও দায়িত্ব বটে।
প্রতিবারই পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময় বেসরকারি খাতে কর্মরত সিংহভাগ মানুষের জীবন-পরিস্থিতি সামনে আসে। কেননা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাদের মজুরি সমন্বয়ের ভালো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বেশির ভাগ খাত-উপখাতে ন্যূনতম মজুরির ব্যবস্থা করা যায়নি আজও। সংগঠিত খাতগুলোয়ও মজুরি হালনাগাদ হয় কম। সবচেয়ে বড় শিল্প খাত তৈরি পোশাকে ন্যূনতম মজুরি হালনাগাদের সময় এসে গেছে এর মধ্যে। এই একটি খাতেই মোট সরকারি কর্মচারি ও পেনশনারের চেয়ে বেশি লোকবল নিয়োজিত। এ খাতেও ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের চিত্র সন্তোষজনক নয়। এ অবস্থায় তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে মজুরি বৃদ্ধির দাবির স্বাভাবিক নিষ্পত্তি হতে হবে। এটা ঘিরে অন্য সময়ের মতো রাজপথে আন্দোলন অবশ্যই এড়াতে হবে।
বেসরকারি খাত যাতে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে, সেই সহায়তা পরিপূর্ণভাবে জোগাতে হবে সরকারকে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের বিপরীত অভিজ্ঞতা যেন না হয়। তাহলেই উদ্যোক্তা শ্রেণির বিকাশ ঘটবে এবং তারা কাজের সুযোগ বাড়াতে ও মানসম্মত মজুরি জোগাতে সমর্থ হবেন। রাজনৈতিক সরকারের কাজ এ ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো। সরকারি কর্মচারিদেরও বেসরকারি খাতের বিকাশে সহায়তা জোগাতে হবে, বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। বেতন-ভাতা বাড়ার ফলে তাদের মধ্যে কলুষিত হওয়ার প্রবণতা কমার প্রত্যাশা রয়েছে বেসরকারি খাতে, সেটা মনে রাখতে হবে।
বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে সরকারি খাত খুব কম লোককেই কাজ দিতে সক্ষম। বেসরকারি খাতেই হবে কর্মসংস্থান। এর বিকাশ তাই জরুরি। এজন্য বিদেশি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। এর সাধারণ প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করাই আসলে সরকারের কাজ। তার আরেকটি বড় কাজ প্রতিবছর বাজারে আসা নতুন কর্মশক্তির একাংশের বিদেশে যাওয়ার পথ সুগম করা। এতে কেবল দেশে চাপ কমবে না; বাড়বে প্রবাসী আয়। আর এতে নিহিত আছে সচ্ছলতা বাড়ানোর সুযোগ।

সরকারি কর্মচারি ও পেনশনারদের জন্য নতুন পে-স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু করে দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটাল সরকার। ২০১৫ সালের পর থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট কাঠামোয় তাদের বেতন বাড়েনি; যদিও গত চার বছর ধরে উচ্চমাত্রার মূল্যস্ফীতি চলমান। বেসরকারি খাতের কয়েকগুণ বেশি মানুষকেও একই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তাদের মধ্যেও বাড়বে বেতন বা মজুরি বৃদ্ধির দাবি। তাদের মধ্যে কাজ হারানোর শংকা অবশ্য এ মুহূর্তে বেশি করে উপস্থিত। কেননা বেসরকারি খাত পড়েছে আরও বেশি সংকটে।
সরকারের রাজস্ব আহরণ পরিস্থিতি ভালো নয়। অর্থনীতির শ্লথগতি চলতে থাকলে এ ক্ষেত্রে উন্নতির আশাও নেই। এটা মাথায় রেখেই সরকার ধাপে ধাপে সরকারি খাতে বেতন বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। ভাতা বাড়ানো হবে আরও পরে। সরকারের প্রত্যাশা, তত দিনে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা আর কঠিন থাকবে না। নতুন সরকার তত দিনে দক্ষও হয়ে উঠবে। একবারে পে-স্কেল বাস্তবায়নে গেলে অনেক অর্থ বাজারে এসে মূল্যস্ফীতি বাড়াবে বলেও সরকারের শংকা। মূল্যস্ফীতি এমনিতেই বেশি। সেটা নতুন করে বাড়ানোর মতো কিছু করা যাবে না।
বিএনপি সরকার শুরু থেকে একটা ‘অপ্রত্যাশিত’ জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করছে। অর্থ সংকটের মধ্যেও সরকারের ব্যয় এ কারণে বেড়ে চলেছে; তারপরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এত বেশি খরচ হচ্ছে যে, নতুন করে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর কথাও সরকারে আলোচিত হচ্ছে। বিদ্যমান অবস্থায় তেমন পদক্ষেপ নিয়ে আয় বাড়ানোটা অবশ্য রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর। সরকারকে তাই নিতে হচ্ছে সম্প্রসারিত বাজেট সহায়তা ও ব্যাংকঋণ। এখান থেকেই বর্ধিত বেতন জোগাতে হবে সরকারি কর্মচারিদের। তাদের মধ্যে অসমতা কমিয়ে আনার চেষ্টাও দেখা গেল চূড়ান্ত করা পে-স্কেলে। পেনশনারদের ক্ষেত্রেও একই প্রয়াস পরিলক্ষিত। এ অবস্থায় সরকারি কর্মচারিদের কাছ থেকে আরও বেশি জনসেবা প্রত্যাশিত। সেটা নিশ্চিত করা সরকারেরও দায়িত্ব বটে।
প্রতিবারই পে-স্কেল বাস্তবায়নের সময় বেসরকারি খাতে কর্মরত সিংহভাগ মানুষের জীবন-পরিস্থিতি সামনে আসে। কেননা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাদের মজুরি সমন্বয়ের ভালো ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। বেশির ভাগ খাত-উপখাতে ন্যূনতম মজুরির ব্যবস্থা করা যায়নি আজও। সংগঠিত খাতগুলোয়ও মজুরি হালনাগাদ হয় কম। সবচেয়ে বড় শিল্প খাত তৈরি পোশাকে ন্যূনতম মজুরি হালনাগাদের সময় এসে গেছে এর মধ্যে। এই একটি খাতেই মোট সরকারি কর্মচারি ও পেনশনারের চেয়ে বেশি লোকবল নিয়োজিত। এ খাতেও ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের চিত্র সন্তোষজনক নয়। এ অবস্থায় তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে মজুরি বৃদ্ধির দাবির স্বাভাবিক নিষ্পত্তি হতে হবে। এটা ঘিরে অন্য সময়ের মতো রাজপথে আন্দোলন অবশ্যই এড়াতে হবে।
বেসরকারি খাত যাতে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে, সেই সহায়তা পরিপূর্ণভাবে জোগাতে হবে সরকারকে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের বিপরীত অভিজ্ঞতা যেন না হয়। তাহলেই উদ্যোক্তা শ্রেণির বিকাশ ঘটবে এবং তারা কাজের সুযোগ বাড়াতে ও মানসম্মত মজুরি জোগাতে সমর্থ হবেন। রাজনৈতিক সরকারের কাজ এ ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো। সরকারি কর্মচারিদেরও বেসরকারি খাতের বিকাশে সহায়তা জোগাতে হবে, বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। বেতন-ভাতা বাড়ার ফলে তাদের মধ্যে কলুষিত হওয়ার প্রবণতা কমার প্রত্যাশা রয়েছে বেসরকারি খাতে, সেটা মনে রাখতে হবে।
বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে সরকারি খাত খুব কম লোককেই কাজ দিতে সক্ষম। বেসরকারি খাতেই হবে কর্মসংস্থান। এর বিকাশ তাই জরুরি। এজন্য বিদেশি বিনিয়োগও বাড়াতে হবে। এর সাধারণ প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর করাই আসলে সরকারের কাজ। তার আরেকটি বড় কাজ প্রতিবছর বাজারে আসা নতুন কর্মশক্তির একাংশের বিদেশে যাওয়ার পথ সুগম করা। এতে কেবল দেশে চাপ কমবে না; বাড়বে প্রবাসী আয়। আর এতে নিহিত আছে সচ্ছলতা বাড়ানোর সুযোগ।
.png)

বগুড়া থেকে চোখের চিকিৎসা করাতে রাজধানীতে এসেছিলেন স্কুলশিক্ষক রনজিনা পারভিন। ভোরবেলা রিকশায় করে যাওয়ার পথে ছিনতাইকারী ব্যাগ ধরে টান দিলে রাস্তায় পড়ে মারা যান তিনি। ঘটনাটি ঘটে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায়। এর আগে একই ধরনের ছিনতাইয়ের ঘটনায় প্রাণ গেছে সোহেলি ইসলাম ও মুক্তা আক্তার নামের দুই নারীর।
৩১ আগস্ট ২০২৬
বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতি-প্রকৃতি তুলে ধরতে গিয়ে কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্যের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে, তার সঙ্গে দ্বিমত করা কঠিন। দেশীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত
৩০ আগস্ট ২০২৬
আকস্মিক প্রলয়ঙ্করী বন্যা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে নেপালের অনেক জনপদ, বহু স্থাপনা। সংলগ্ন চীন সীমান্তেও ধস নেমেছে। এ সম্পাদকীয় লেখার সময় পর্যন্ত নিহত দেড় শতাধিক মানুষ। নিখোঁজ প্রায় তেরো শতাধিক, যাদের মধ্যে সাত শতাধিক বিদেশি পর্যটক। বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ ও সড়ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্ধারকাজ কঠিন।
২৭ আগস্ট ২০২৬
আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সরকার ফুলবাড়ীসহ অন্যান্য স্থানে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলনের দিকে যাচ্ছে।
২৬ আগস্ট ২০২৬