পার্বত্য তিন জেলা থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির বান্দরবান জেলা মহিলা দলের নেত্রী অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত ৩৬ জনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তিনি। স্ট্রিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সংসদে গিয়ে তিনি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে চান। পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, বঞ্চনা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা গত সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বান্দরবানের মেয়ে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার মনোনয়ন প্রাপ্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর আওয়ামী সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান।
এপিপি হিসেবে কাজ করলেও নিয়োগের সিদ্ধান্তটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন মাধবী মারমা। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট যখন ছিল, ২০০৭ সালে জুডিশিয়াল সেপারেশন যখন নতুন হয়েছে, তখন ওই নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তখন আমরা ১০ থেকে ১১ জন আইনজীবী ছিলাম। সে সময় আমার সিনিয়র ছিলেন ড. মহিউদ্দিন। তিনি বিএনপি ঘরানার মানুষ। তিনি তখন বারের সভাপতি ছিলেন এবং পিপি হন। তাঁর সুপারিশেই আমি এপিপি হয়েছিলাম। এটি গেজেট হতে হতে আওয়ামী লীগ সরকার চলে আসে। তো এটি নিয়ে অনেকে অনেক জল ঘোলা করার চেষ্টা করছেন।’
বিএনপির সঙ্গে যাত্রা শুরু কীভাবে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নতুন নয়; বরং পারিবারিকভাবেই দলটির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে বান্দরবানের রাজপরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্র ধরে এই রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘আলাদা করে কোনো নির্দিষ্ট সময় বলে দেওয়া যাবে না, এটি পারিবারিকভাবে পাওয়া’, বলেন তিনি।
সংসদে গিয়ে মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে চান বলে জানান মাধবী মারমা। তিনি বলেন, ‘পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, বঞ্চনা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরা আমার কাছে অগ্রাধিকারে পাবে।’
তাঁর মতে, পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে এখনও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। পাহাড়ের অনেক দুর্গম এলাকায় শিক্ষকের অভাব, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সামগ্রিক অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি, পার্বত্য এলাকায় মাঝে মাঝে দেখা দেওয়া অস্থিতিশীলতা দূর করে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি প্রসঙ্গে মাধবী মারমা বলেন, ‘এসব জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, পোশাক, খাবার ও জীবনযাপন পদ্ধতি দেশের অনেক মানুষের কাছেই অজানা। রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সংস্কৃতিকে তুলে ধরার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আমাদের ট্রেডিশনাল ডিজাইন, খাবার ও সংস্কৃতিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রোমোট করার ইচ্ছা আছে।’
পেশাগত জীবনে মাধবী মারমা একজন আইনজীবী হিসেবে বান্দরবানে কাজ করছেন। অতীতে তিনি এপিপির ছাড়াও একাধিকবার জেলা বারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচিত হয়ে জেলা বারের অর্থ সম্পাদক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানান মাধবী।
সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় মাধবী মারমা জেলা পর্যায়ে বেসরকারি কারাগার পরিদর্শক, লিগ্যাল এইড কমিটি, আইনশৃঙ্খলা কমিটি, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এবং নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটিসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তিনি রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হিসেবেও যুক্ত হয়েছেন।

পার্বত্য তিন জেলা থেকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলটির বান্দরবান জেলা মহিলা দলের নেত্রী অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশিত ৩৬ জনের তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন তিনি। স্ট্রিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, সংসদে গিয়ে তিনি মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে চান। পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, বঞ্চনা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীতদের চূড়ান্ত তালিকা গত সোমবার (২০ এপ্রিল) প্রকাশ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বান্দরবানের মেয়ে অ্যাডভোকেট মাধবী মারমার মনোনয়ন প্রাপ্তির খবর ছড়িয়ে পড়তেই তাঁর আওয়ামী সম্পৃক্ততার অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান।
এপিপি হিসেবে কাজ করলেও নিয়োগের সিদ্ধান্তটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন মাধবী মারমা। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘কেয়ারটেকার গভর্নমেন্ট যখন ছিল, ২০০৭ সালে জুডিশিয়াল সেপারেশন যখন নতুন হয়েছে, তখন ওই নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। তখন আমরা ১০ থেকে ১১ জন আইনজীবী ছিলাম। সে সময় আমার সিনিয়র ছিলেন ড. মহিউদ্দিন। তিনি বিএনপি ঘরানার মানুষ। তিনি তখন বারের সভাপতি ছিলেন এবং পিপি হন। তাঁর সুপারিশেই আমি এপিপি হয়েছিলাম। এটি গেজেট হতে হতে আওয়ামী লীগ সরকার চলে আসে। তো এটি নিয়ে অনেকে অনেক জল ঘোলা করার চেষ্টা করছেন।’
বিএনপির সঙ্গে যাত্রা শুরু কীভাবে—জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা নতুন নয়; বরং পারিবারিকভাবেই দলটির সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে বান্দরবানের রাজপরিবারের সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্র ধরে এই রাজনৈতিক সম্পর্ক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এসেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। ‘আলাদা করে কোনো নির্দিষ্ট সময় বলে দেওয়া যাবে না, এটি পারিবারিকভাবে পাওয়া’, বলেন তিনি।
সংসদে গিয়ে মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে চান বলে জানান মাধবী মারমা। তিনি বলেন, ‘পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার, বঞ্চনা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো তুলে ধরা আমার কাছে অগ্রাধিকারে পাবে।’
তাঁর মতে, পার্বত্য অঞ্চলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে এখনও বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। পাহাড়ের অনেক দুর্গম এলাকায় শিক্ষকের অভাব, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং সামগ্রিক অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি, পার্বত্য এলাকায় মাঝে মাঝে দেখা দেওয়া অস্থিতিশীলতা দূর করে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি প্রসঙ্গে মাধবী মারমা বলেন, ‘এসব জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, পোশাক, খাবার ও জীবনযাপন পদ্ধতি দেশের অনেক মানুষের কাছেই অজানা। রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সংস্কৃতিকে তুলে ধরার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। আমাদের ট্রেডিশনাল ডিজাইন, খাবার ও সংস্কৃতিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রোমোট করার ইচ্ছা আছে।’
পেশাগত জীবনে মাধবী মারমা একজন আইনজীবী হিসেবে বান্দরবানে কাজ করছেন। অতীতে তিনি এপিপির ছাড়াও একাধিকবার জেলা বারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচিত হয়ে জেলা বারের অর্থ সম্পাদক ও ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানান মাধবী।
সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় মাধবী মারমা জেলা পর্যায়ে বেসরকারি কারাগার পরিদর্শক, লিগ্যাল এইড কমিটি, আইনশৃঙ্খলা কমিটি, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি এবং নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটিসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তিনি রেড ক্রিসেন্টের সদস্য হিসেবেও যুক্ত হয়েছেন।

রাজপথের নেত্রীদের মূল্যায়ন ভবিষ্যতে নারীদের ছাত্ররাজনীতিতে অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করেন আরিফা সুলতানা রুমা।
১ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি ফেসবুকে বিএনপির প্যাডে প্রকাশিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এতে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তবে যাচাইয়ে দেখা গেছে, দাবিটি সঠিক নয়।
১ ঘণ্টা আগে
আজ আমি বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলব। বলব যে আনন্দ পাওয়ার জন্য বা নিছক শখের বশে কথাসাহিত্য পড়া মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন একটি আসন। এই আসনে তাঁরা মনোনয়ন দিয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁইকে।
৩ ঘণ্টা আগে