ফটো নিউজ•নেমে গেছে বন্যার পানি, রেখে গেছে ক্ষতবান্দরবানে গত এক সপ্তাহের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গিয়েছিল অনেক বাড়িঘর ও সড়ক। পানি নেমে যাওয়ার পর চোখে পড়ে বিপুল পরিমাণ ক্ষতির চিহ্ন। অনেক বসতঘর এখনো বসবাসের উপযোগী নয়।১৭ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ে শুরু হলো কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবানের থানচি উপজেলায় কৃষকদের ঘরে ঘরে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।১৬ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে এখনো বসবাসের উপযোগী হয়নি বাড়িগুলো, ফিরছে বাসিন্দারাবান্দরবানের বন্যা দুর্গতদের এখনো দুর্ভোগ কাটেনি। ঘরজুড়ে কাদা ও বালির স্তূপ, ভাঙা মাচাং বাড়ি, পাহাড়ধসের পর আশ্রয়হীন অনেক পরিবার। কেউ সারাদিন কাদা পরিষ্কার করছেন, কেউ মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন আত্মীয়ের বাড়িতে। এখনো বসবাসের উপযোগী হয়নি বন্যাকবলিত এলাকার বাড়িগুলো।১৫ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামত করে দেবে সরকার: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীবিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বান্দরবানে পাহাড়ের কোনো মানুষ ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে না। একসঙ্গে বন্যায় যেসব ঘর বসবাসের অনুপযোগী হয়ে গেছে, সেগুলো সরকারি উদ্যোগে পুনর্নির্মাণ করা হবে।১৫ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে বাড়িঘরের কাদা সরাতে ব্যস্ততা, রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক এখনও বন্ধবান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানিও স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে এসেছে। পানি নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও দোকানপাট পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন শহরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। যান চলাচল শুরু হয়েছে অধিকাংশ সড়কে। তবে রাঙামাটির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ আছে।১৪ জুলাই ২০২৬
বন্যায় পার্বত্য জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত ৬ হাজার হেক্টর ফসলটানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পার্বত্য চট্টগ্রামজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।১২ জুলাই ২০২৬
বান্দরবানে পানি কমলেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নবান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) সকাল থেকে বৃষ্টি কমে আসায় জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে পাহাড়ধস এবং পানি জমে থাকায় সারা দেশের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে।১২ জুলাই ২০২৬
টানা বর্ষণে নাকাল দেশ, ত্রাণ পাচ্ছেন না দুর্গতরাটানা বর্ষণে নাকাল দেশ। এর মধ্যে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় পানিবন্দি লাখো মানুষ। দুর্গতরা পর্যাপ্ত ত্রাণ পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। আবার বন্যার পানির তোড়ে সড়ক ভেঙে গেছে। ফলে বিচ্ছিন্ন এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।১১ জুলাই ২০২৬
থানচিতে ৮ দিন আটকে থাকার পর উদ্ধার ৪ পর্যটকবান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম থুইসা খিয়াংপাড়ায় আট দিন ধরে আটকে থাকা চার পর্যটক ও একজন স্থানীয় গাইডকে উদ্ধার করেছে বিজিবি। শনিবার সকালে বিজিবির একটি টহল দল পাহাড়ি পথে হেঁটে পর্যটকদের নিয়াপিউ ম্রোপাড়া বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে আসে। সেখান থেকে উপজেলা প্রশাসনের একটি জিপে তারা থানচি সদরে পৌঁছে।১১ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ে বন্যা ও ভূমিধস: মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও হেল্পলাইন নম্বর চালুতিন পার্বত্য জেলায় আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস মোকাবিলায় জরুরি যোগাযোগের জন্য দুটি বিশেষ মোবাইল নম্বরসহ সার্বক্ষণিক নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।০৯ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজার-বান্দরবানে তিন স্থানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যুকক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোররাতে পৃথক পাহাড়ধসে তাদের মৃত্যু হয়।০৯ জুলাই ২০২৬