লেখা:

সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বাড়ানোর জন্য এটি মোটেও উপযুক্ত সময় নয়। এমনিতেই দেশের সাধারণ ভোক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বিভিন্ন সেবা খাতের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে চরম হিমশিম খাচ্ছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তেলের দাম বাড়ার ঘোষণা আসার পরপরই গণপরিবহনে ভাড়া নির্ধারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তারা ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ (গড় হিসেবে ৬৪ শতাংশ) পর্যন্ত ভাড়া বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব করেছে।
পরিবহন মালিকেরা মূলত এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিলেন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তারা ভাড়া বাড়ানোর একটি মোক্ষম অজুহাত পেয়ে যান। যদি সত্যি সত্যি ৬৪ শতাংশ ভাড়া বেড়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। আর যেহেতু জ্বালানির সঙ্গে সবকিছুর সম্পর্ক জড়িত, তাই পরিবহন ভাড়া বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে সব ধরনের পণ্য ও সেবার দাম হু হু করে বাড়বে।
তেলের দাম লিটারে ১৫-২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারের কোষাগারে আসলে কত টাকা জমা হচ্ছে? এর বিপরীতে জনজীবনে ব্যয় বৃদ্ধির যে বিশাল বোঝা চাপছে, এই দুটির হিসাব কি আদৌ সমানুপাতিক? উত্তর হলো—না। কারণ, অতীতে যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে এবং সরকার দাম কমিয়েছে, তখন কিন্তু পরিবহন মালিক বা ব্যবসায়ীরা ভাড়া বা পণ্যের দাম কমাননি। তখন তারা গাড়ির পার্টস, টায়ার-টিউবের দাম বৃদ্ধির মতো নানা খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন।
বর্তমান এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সরকারের যে সামান্য লাভ হবে, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি ক্ষতি হবে জনগণের। বিশাল এই বোঝার ফায়দা লুটছে মূলত তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ অসাধু ব্যবসায়ীরা। পুরো সুবিধাটাই তারা নিজেদের পকেটে ভরছে।
দৃশ্যমান বাস্তবতা হলো টাকা দিয়েও পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। চারদিকে দীর্ঘ লাইন আর হাহাকার। অনেকেই এই সুযোগে তেল মজুত করে রাখছেন। দাম বৃদ্ধির ফলে মজুতদাররা আরও উৎসাহিত হবেন। একদিকে মানুষের প্রাপ্তির সমস্যা সরকার সমাধান করতে পারছে না, অন্যদিকে খরচ বাড়িয়ে দেওয়া হলো।
এর মধ্যে আরেকটি অদ্ভুত ও পরস্পরবিরোধী চিত্র সামনে এসেছে। পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বিপিসি দেশে উৎপাদিত অকটেন এবং পেট্রোল নিচ্ছে না, যার ফলে রিফাইনারিগুলোতে তেল জমে আছে। অথচ পেট্রোল পাম্পে গেলে বলা হচ্ছে তেল নেই!
পাম্প মালিকরা দেশে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। বিপিসি যদি দেশীয় রিফাইনারিগুলো থেকে তেল না নেয়, তবে তারা উৎপাদন বন্ধ করে দেবে। এতে আমাদের যে বিদ্যমান মজুত সক্ষমতা আছে, সেটিও কমে যাবে এবং আমরা দুই দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হব।
একদিকে মানুষ তেলের জন্য হাহাকার করছে, অন্যদিকে বিপিসি তেল নিচ্ছে না—এই পরস্পরবিরোধী অবস্থার পেছনে ‘শর্ষের ভেতরে ভূত’ আছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা দরকার। জ্বালানি মন্ত্রী বলছেন আমাদের যে মজুত আছে, তা দিয়ে ১২ বছর চলবে; অথচ বাস্তবে তেলের জন্য যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, ইচ্ছে করেই কৃত্রিমভাবে এই সংকট তৈরি করা হয়েছে, যাতে দাম বাড়ানো যায় এবং মজুতদাররা বাড়তি সুবিধা নিতে পারে।
সরকার বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। কিন্তু দাম না বাড়িয়েও সরকারের সামনে বিকল্প ছিল। জ্বালানি সাশ্রয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সরকারি খরচ কমানো যেত। যেমন—ফিজিক্যাল মিটিংয়ের বদলে অনলাইন মিটিং করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে দুই-তিন দিন ছুটি রাখা ইত্যাদি উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি দিত।
এছাড়া আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দিকে হাঁটতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তির (রিনিউয়েবল এনার্জি) ওপর জোর দিলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমে আসতো। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে হবে। পাশাপাশি, দেশে তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাইপলাইনসহ অনেক কিছু হলেও আমাদের দুই মাসের তেল মজুত রাখার সক্ষমতা এখনো নেই। এসব দিকে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নজর দেওয়া উচিত।
দেশের মানুষ তেল নিয়ে এমন চরম দ্বিধাগ্রস্ততা ও সংকটের মধ্যে থাকতে পারে না। দীর্ঘ লাইন ও হাহাকার দেখে মনে হচ্ছে দেশে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা চলছে। তার ওপর প্রস্তাবিত গণপরিবহনের বিশাল ভাড়া বৃদ্ধি কার্যকর হলে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। মানুষের খরচের পাল্লা আর ভারী হতে দেওয়া যায় না।
সরকারের কাছে জোর দাবি—জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে অবিলম্বে তেলের দাম বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হোক এবং আগের দাম বহাল রাখা হোক। দ্রুত এই সংকটের যৌক্তিক সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যাবে।
এস এম নাজের হোসাইন: ভাইস প্রেসিডেন্ট, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

সরকার জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে তেলের দাম বাড়ানোর জন্য এটি মোটেও উপযুক্ত সময় নয়। এমনিতেই দেশের সাধারণ ভোক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও বিভিন্ন সেবা খাতের অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে চরম হিমশিম খাচ্ছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তেলের দাম বাড়ার ঘোষণা আসার পরপরই গণপরিবহনে ভাড়া নির্ধারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তারা ৪০ থেকে ৮০ শতাংশ (গড় হিসেবে ৬৪ শতাংশ) পর্যন্ত ভাড়া বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব করেছে।
পরিবহন মালিকেরা মূলত এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিলেন। জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তারা ভাড়া বাড়ানোর একটি মোক্ষম অজুহাত পেয়ে যান। যদি সত্যি সত্যি ৬৪ শতাংশ ভাড়া বেড়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে। আর যেহেতু জ্বালানির সঙ্গে সবকিছুর সম্পর্ক জড়িত, তাই পরিবহন ভাড়া বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই বাজারে সব ধরনের পণ্য ও সেবার দাম হু হু করে বাড়বে।
তেলের দাম লিটারে ১৫-২০ টাকা বাড়িয়ে সরকারের কোষাগারে আসলে কত টাকা জমা হচ্ছে? এর বিপরীতে জনজীবনে ব্যয় বৃদ্ধির যে বিশাল বোঝা চাপছে, এই দুটির হিসাব কি আদৌ সমানুপাতিক? উত্তর হলো—না। কারণ, অতীতে যখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেছে এবং সরকার দাম কমিয়েছে, তখন কিন্তু পরিবহন মালিক বা ব্যবসায়ীরা ভাড়া বা পণ্যের দাম কমাননি। তখন তারা গাড়ির পার্টস, টায়ার-টিউবের দাম বৃদ্ধির মতো নানা খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করিয়েছেন।
বর্তমান এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সরকারের যে সামান্য লাভ হবে, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি ক্ষতি হবে জনগণের। বিশাল এই বোঝার ফায়দা লুটছে মূলত তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ অসাধু ব্যবসায়ীরা। পুরো সুবিধাটাই তারা নিজেদের পকেটে ভরছে।
দৃশ্যমান বাস্তবতা হলো টাকা দিয়েও পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। চারদিকে দীর্ঘ লাইন আর হাহাকার। অনেকেই এই সুযোগে তেল মজুত করে রাখছেন। দাম বৃদ্ধির ফলে মজুতদাররা আরও উৎসাহিত হবেন। একদিকে মানুষের প্রাপ্তির সমস্যা সরকার সমাধান করতে পারছে না, অন্যদিকে খরচ বাড়িয়ে দেওয়া হলো।
এর মধ্যে আরেকটি অদ্ভুত ও পরস্পরবিরোধী চিত্র সামনে এসেছে। পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বিপিসি দেশে উৎপাদিত অকটেন এবং পেট্রোল নিচ্ছে না, যার ফলে রিফাইনারিগুলোতে তেল জমে আছে। অথচ পেট্রোল পাম্পে গেলে বলা হচ্ছে তেল নেই!
পাম্প মালিকরা দেশে একটি নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। বিপিসি যদি দেশীয় রিফাইনারিগুলো থেকে তেল না নেয়, তবে তারা উৎপাদন বন্ধ করে দেবে। এতে আমাদের যে বিদ্যমান মজুত সক্ষমতা আছে, সেটিও কমে যাবে এবং আমরা দুই দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হব।
একদিকে মানুষ তেলের জন্য হাহাকার করছে, অন্যদিকে বিপিসি তেল নিচ্ছে না—এই পরস্পরবিরোধী অবস্থার পেছনে ‘শর্ষের ভেতরে ভূত’ আছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা দরকার। জ্বালানি মন্ত্রী বলছেন আমাদের যে মজুত আছে, তা দিয়ে ১২ বছর চলবে; অথচ বাস্তবে তেলের জন্য যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, ইচ্ছে করেই কৃত্রিমভাবে এই সংকট তৈরি করা হয়েছে, যাতে দাম বাড়ানো যায় এবং মজুতদাররা বাড়তি সুবিধা নিতে পারে।
সরকার বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। কিন্তু দাম না বাড়িয়েও সরকারের সামনে বিকল্প ছিল। জ্বালানি সাশ্রয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সরকারি খরচ কমানো যেত। যেমন—ফিজিক্যাল মিটিংয়ের বদলে অনলাইন মিটিং করা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে দুই-তিন দিন ছুটি রাখা ইত্যাদি উদ্যোগ কিছুটা হলেও স্বস্তি দিত।
এছাড়া আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দিকে হাঁটতে হবে। নবায়নযোগ্য শক্তির (রিনিউয়েবল এনার্জি) ওপর জোর দিলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর আমাদের নির্ভরশীলতা কমে আসতো। সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে হবে। পাশাপাশি, দেশে তেলের মজুত সক্ষমতা বাড়াতে হবে। পাইপলাইনসহ অনেক কিছু হলেও আমাদের দুই মাসের তেল মজুত রাখার সক্ষমতা এখনো নেই। এসব দিকে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নজর দেওয়া উচিত।
দেশের মানুষ তেল নিয়ে এমন চরম দ্বিধাগ্রস্ততা ও সংকটের মধ্যে থাকতে পারে না। দীর্ঘ লাইন ও হাহাকার দেখে মনে হচ্ছে দেশে এক ধরনের যুদ্ধাবস্থা চলছে। তার ওপর প্রস্তাবিত গণপরিবহনের বিশাল ভাড়া বৃদ্ধি কার্যকর হলে মানুষের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহন পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। মানুষের খরচের পাল্লা আর ভারী হতে দেওয়া যায় না।
সরকারের কাছে জোর দাবি—জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে অবিলম্বে তেলের দাম বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হোক এবং আগের দাম বহাল রাখা হোক। দ্রুত এই সংকটের যৌক্তিক সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে যাবে।
এস এম নাজের হোসাইন: ভাইস প্রেসিডেন্ট, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)

চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ শেষে গত ১১ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে যেদিন নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন আমেরিকার নভোচারীরা, সেদিনই কোরআন অবমাননার অভিযোগ তুলে একজন পীরকে পিটিয়ে হত্যা করেছে বাংলাদেশের কিছু লোক।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই ২৮ ফেব্রুয়ারির আকস্মিক বিমান হামলা ছিল একই সঙ্গে উদ্বেগজনক ঘটনা। বাংলাদেশও পরিমিত ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে—ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা করেছে, কিন্তু য
৭ ঘণ্টা আগে
বাংলা নববর্ষের দিন ভোরে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক চালবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে নিহত হন সাতজন শ্রমিক। বর্ষবরণ উৎসবের ব্যস্ততায় এই দুর্ঘটনা থেকে গেছে দৃষ্টির আড়ালে।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্যখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি বিস্তৃত রোড ম্যাপের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যার নাম ‘সবার আগে স্বাস্থ্য’। এতে রোগ প্রতিরোধ, বর্ধিত স্বাস্থ্যসেবার অ্যাক্সেস এবং ফোকাসড প্রশিক্ষণ এবং অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে জননিরাপত্তাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে