স্ট্রিম সংবাদদাতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এ বিক্ষোভ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ‘শাকসু নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, শাকসু ব্যান’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।
এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম রনি বলেন, শাকসু নির্বাচন কয়েক দফা পেছালেও আজ একটি সুন্দর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি ছাত্রসংগঠন হাজারো শিক্ষার্থীকে বাইরে এনে ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেওয়ার দাবি তুলেছে। এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কেউই জয়ী হতে পারবে না। ১৯৯০-৯১ সালেও তারা দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচন বন্ধ করেছিল, এখন আবার একই চেষ্টা করছে। তারা সবচেয়ে বেশি ভয় পায় ছাত্রসংসদকে। নির্বাচন বন্ধ করতে যা করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সবার প্রতিবাদ করা উচিত।
ইব্রাহীম রনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদলের সঙ্গে আমাদের আন্দোলনের অতীত ইতিহাস আছে। তারা একসময় আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তারা টেন্ডারবাজিতে জড়িয়েছে। আপনারা রাজনীতি করতে পারেন, কিন্তু কোনো সন্ত্রাসী বা স্বৈরাচারী শক্তিকে ক্যাম্পাসে জায়গা দিতে পারবেন না। ছাত্রদল যে মবতন্ত্র করছে, তা যদি ১২ ফেব্রুয়ারিতে হয়, এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব ছাত্রদলকেই নিতে হবে। একটি দলের এজেন্ট হিসেবে কাজ করলে পরিণতি সবার সামনে স্পষ্ট।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, তা ছিল আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য। কিন্তু ছাত্রদল ও বিএনপি আবার পুরোনো রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম তারা অপরাজনীতির পথে যাবে না, অথচ সুযোগ পেলেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও হামলায় জড়াচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘ছাত্র সংসদকে ব্যর্থ করার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে। তারা ইসিকে ব্যবহার করেছে, বিভিন্ন বিবৃতি দিয়েছে। পরে প্রতিবাদের কারণে ইসি শাকসুর জন্য ভোটের তারিখ ঘোষণা করেছে। এরপর তারা তাদের আইনজীবীদের দিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং শিক্ষকদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে। শুধু একটি ছাত্র সংসদকে ব্যর্থ করার জন্য এতটা পরিকল্পনা আর নজির দেখানো হয়নি। শাকসুতে শিক্ষার্থীরা আপনাদের “লাল কার্ড” দেখিয়ে বিদায় দেবে।’
বিক্ষোভ সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম রনি, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ পারভেজ, আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ হাবিবসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এ বিক্ষোভ করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এ সময় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ‘শাকসু নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘হারার ভয়ে খেলে না, সেই কথা তো বলে না’, ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান, শাকসু ব্যান’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।
এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহীম রনি বলেন, শাকসু নির্বাচন কয়েক দফা পেছালেও আজ একটি সুন্দর নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি ছাত্রসংগঠন হাজারো শিক্ষার্থীকে বাইরে এনে ১২ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন দেওয়ার দাবি তুলেছে। এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কেউই জয়ী হতে পারবে না। ১৯৯০-৯১ সালেও তারা দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচন বন্ধ করেছিল, এখন আবার একই চেষ্টা করছে। তারা সবচেয়ে বেশি ভয় পায় ছাত্রসংসদকে। নির্বাচন বন্ধ করতে যা করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে সবার প্রতিবাদ করা উচিত।
ইব্রাহীম রনি আরও বলেন, ‘ছাত্রদলের সঙ্গে আমাদের আন্দোলনের অতীত ইতিহাস আছে। তারা একসময় আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তারা টেন্ডারবাজিতে জড়িয়েছে। আপনারা রাজনীতি করতে পারেন, কিন্তু কোনো সন্ত্রাসী বা স্বৈরাচারী শক্তিকে ক্যাম্পাসে জায়গা দিতে পারবেন না। ছাত্রদল যে মবতন্ত্র করছে, তা যদি ১২ ফেব্রুয়ারিতে হয়, এর সম্পূর্ণ দায়-দায়িত্ব ছাত্রদলকেই নিতে হবে। একটি দলের এজেন্ট হিসেবে কাজ করলে পরিণতি সবার সামনে স্পষ্ট।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ পারভেজ বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছি, তা ছিল আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য। কিন্তু ছাত্রদল ও বিএনপি আবার পুরোনো রাজনীতিতে ফিরে যাচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম তারা অপরাজনীতির পথে যাবে না, অথচ সুযোগ পেলেই চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও হামলায় জড়াচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ বিন হাবিব বলেন, ‘ছাত্র সংসদকে ব্যর্থ করার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে। তারা ইসিকে ব্যবহার করেছে, বিভিন্ন বিবৃতি দিয়েছে। পরে প্রতিবাদের কারণে ইসি শাকসুর জন্য ভোটের তারিখ ঘোষণা করেছে। এরপর তারা তাদের আইনজীবীদের দিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছে এবং শিক্ষকদের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে। শুধু একটি ছাত্র সংসদকে ব্যর্থ করার জন্য এতটা পরিকল্পনা আর নজির দেখানো হয়নি। শাকসুতে শিক্ষার্থীরা আপনাদের “লাল কার্ড” দেখিয়ে বিদায় দেবে।’
বিক্ষোভ সমাবেশে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম রনি, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ পারভেজ, আন্তর্জাতিক ও মানবাধিকার সম্পাদক সাঈদ হাবিবসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এক চোখে প্রতীকী ব্যান্ডেজ বেঁধে ও বক্তব্যের মাধ্যমে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, 'রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে যে পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেই স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে।'
১ ঘণ্টা আগে
দুই বছর পরে গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের পর্যালোচনা, এক দফা ঘিরে যে স্বপ্ন বুনেছিলেন তারা, তার মধ্যে শুধু শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান হয়েছে। তবে দেড় যুগের বেশি জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার পরিবর্তন অধরাই রয়ে গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল ছাড়া ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন কবি, চিন্তক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহার। তিনি বলেন, যতদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী থাকবে, ততদিন আওয়ামী লীগও থাকবে।
০২ আগস্ট ২০২৬
বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে আগের ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রতিচ্ছবি দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, 'আগের ফ্যাসিস্ট যা করেছে, এই সরকারও তাই করছে।'
০২ আগস্ট ২০২৬