স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেলেও, এখন দেশ ও জনগণ ভালো নেই।
মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় সিলেটের শাহী ঈদগায় সুধী সমাবেশে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সরকজার জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দাতাদের অপমান করে তারা ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে। এতে জনগণ বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। এর ফল তাদেরই বহন করতে হবে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসনের ইচ্ছা থাকলে পরিণতির জন্যও ভাবতে হবে। জুলাই বারবার ফিরে আসবে।’
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক করা হয়েছিল। সেই ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকার জন্য ঘুরছেন। কিন্তু সমাধানের উদ্যোগ নেই। সমৃদ্ধ ইসলামী ব্যাংক দখলে সরকার ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতের অন্ধকারে জুম মিটিং করে ইসলামী ব্যাংক দখলের বন্দোবস্ত হচ্ছে।
প্রশ্ন রেখে জামায়াত আমির বলেন, এক মাসের মাথায় আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, তাও রাতের আঁধারে। এটাও কী রাতের সরকার– এমন প্রশ্ন জনগণ করতে পারে। পলাতক, ফ্যাসিস্ট ও লুটপাটকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে জোর-জবরদস্তি করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসানোর ফলাফল ভালো হবে না। যে গ্রাহকের পাঁচটি শেয়ার আছে, সেও ইসলামী ব্যাংকের একজন মালিক। সুতরাং একটি সমৃদ্ধ ব্যাংক দখল হয়ে গেলে গ্রাহকরা বসে থাকবে না। এজন্য গ্রাহক হিসেবে আমাকেও রাজপথে নামতে হতে পারে।
তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণার ফলাফল ইতোমধ্যে সরকার পেতে শুরু করেছে। একটি সরকারের তিন মাসের মাথায় মন্ত্রীদের ভুয়া স্লোগান শুনতে হচ্ছে। অথচ আমরা মনে কষ্ট নিয়েও নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়েছিলাম। জনগণকে যারা অপমান করে, জনগণও তাদের ছেড়ে দেয় না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই চালিয়ে যাব। একজন দলকানা ঋণখেলাপি গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে। এমন নজির বিশ্বের কোথাও নেই।
শফিকুর রহমান বলেন, সরকার ভালো করলে সহযোগিতা করব, মন্দ করলে প্রতিবাদ করব, বাধা দেব। নীরব বসে থাকব না। জ্বালানি সংকট নিয়ে আমরা সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা তেলের মজুত নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও আশ্বাসমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন। উল্টো তারা জামায়াতকে দোষারোপ করতে শুরু করলেন। এখানেও ষড়যন্ত্র খুঁজতে থাকলেন। তারা জনগণকে চোর বানাতে লাগলেন।
তিনি বলেন, ’৪৭ আমাদের ভিত, ’৭১ আমাদের অহংকার এবং ২০২৪ আমাদের পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেলেও, দেশ ও জনগণ ভালো নেই। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা, খুন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর সরকার ব্যস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে দলকানাদের বসাতে।
জামায়াত আমির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকের চেয়ারে দলকানাদের বসিয়ে তারা ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে পতনের ছিদ্র কিন্তু খোলা থাকবেই। জুলাই থেকে শিক্ষা না নিলে এটা দুর্ভাগ্য। রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের জন্য সরকারকেই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুধী সমাজকে জামায়াতে যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে সকালে নগরীর একটি মিলনায়তনে ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরের সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কেবল সনদধারী শিক্ষার্থী তৈরি করছে। প্রকৃত অর্থে সুনাগরিক গঠনে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজুর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগরের সেক্রেটারি শাহজাহান আলী, ছাত্রশিবির শাবিপ্রবির সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন প্রমুখ।
এ ছাড়া সকালে সিলেট সদরের সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার বাড়িতে যান জামায়াত আমির। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন ও সমবেদনা জানান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শফিকুর রহমান বলেন, সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ চার্জশিট দেয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া যদি দীর্ঘসূত্রতার দিকে যায়, আমরা ধরে নেব বিচার হবে না। ঢাকার শিশু রামিসা হত্যার বিচার এক মাসের মধ্যে শেষ করার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মতো সিলেটের ফাহিমা হত্যার বিচারও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে করার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা ও বাস্তবায়ন চান শফিকুর রহমান।
এ সময় এলাকার শত শত শিশু অভিযুক্ত জাকিরের ফাঁসি এবং ফাহিমার দ্রুত বিচারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। ফাহিমার মা রুবিনা বেগমের মুখে ঘটনার বর্ণনা শোনেন শফিকুর রহমান। পরে শিশুটির দিনমজুর বাবাকে সান্ত্বনা দেন তিনি।

বিএনপি সরকার ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেলেও, এখন দেশ ও জনগণ ভালো নেই।
মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় সিলেটের শাহী ঈদগায় সুধী সমাবেশে সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘সরকজার জুলাই সনদ ও গণভোট নিয়ে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দাতাদের অপমান করে তারা ফ্যাসিবাদের পথেই হাঁটছে। এতে জনগণ বিক্ষুব্ধ হচ্ছে। এর ফল তাদেরই বহন করতে হবে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ শাসনের ইচ্ছা থাকলে পরিণতির জন্যও ভাবতে হবে। জুলাই বারবার ফিরে আসবে।’
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাঁচটি ব্যাংক নিয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক করা হয়েছিল। সেই ব্যাংকের গ্রাহকরা টাকার জন্য ঘুরছেন। কিন্তু সমাধানের উদ্যোগ নেই। সমৃদ্ধ ইসলামী ব্যাংক দখলে সরকার ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাতের অন্ধকারে জুম মিটিং করে ইসলামী ব্যাংক দখলের বন্দোবস্ত হচ্ছে।
প্রশ্ন রেখে জামায়াত আমির বলেন, এক মাসের মাথায় আবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, তাও রাতের আঁধারে। এটাও কী রাতের সরকার– এমন প্রশ্ন জনগণ করতে পারে। পলাতক, ফ্যাসিস্ট ও লুটপাটকারী বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নরকে জোর-জবরদস্তি করে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসানোর ফলাফল ভালো হবে না। যে গ্রাহকের পাঁচটি শেয়ার আছে, সেও ইসলামী ব্যাংকের একজন মালিক। সুতরাং একটি সমৃদ্ধ ব্যাংক দখল হয়ে গেলে গ্রাহকরা বসে থাকবে না। এজন্য গ্রাহক হিসেবে আমাকেও রাজপথে নামতে হতে পারে।
তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণার ফলাফল ইতোমধ্যে সরকার পেতে শুরু করেছে। একটি সরকারের তিন মাসের মাথায় মন্ত্রীদের ভুয়া স্লোগান শুনতে হচ্ছে। অথচ আমরা মনে কষ্ট নিয়েও নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়েছিলাম। জনগণকে যারা অপমান করে, জনগণও তাদের ছেড়ে দেয় না। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংসদের ভেতরে ও বাইরে লড়াই চালিয়ে যাব। একজন দলকানা ঋণখেলাপি গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর করা হয়েছে। এমন নজির বিশ্বের কোথাও নেই।
শফিকুর রহমান বলেন, সরকার ভালো করলে সহযোগিতা করব, মন্দ করলে প্রতিবাদ করব, বাধা দেব। নীরব বসে থাকব না। জ্বালানি সংকট নিয়ে আমরা সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলাম। কিন্তু সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা তেলের মজুত নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও আশ্বাসমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণের কাছে হাসির পাত্র হয়েছেন। উল্টো তারা জামায়াতকে দোষারোপ করতে শুরু করলেন। এখানেও ষড়যন্ত্র খুঁজতে থাকলেন। তারা জনগণকে চোর বানাতে লাগলেন।
তিনি বলেন, ’৪৭ আমাদের ভিত, ’৭১ আমাদের অহংকার এবং ২০২৪ আমাদের পরিবর্তনের দিকনির্দেশনা। জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ পেলেও, দেশ ও জনগণ ভালো নেই। শিশু ধর্ষণ ও হত্যা, খুন, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আর সরকার ব্যস্ত রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তরে দলকানাদের বসাতে।
জামায়াত আমির বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসকের চেয়ারে দলকানাদের বসিয়ে তারা ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে পতনের ছিদ্র কিন্তু খোলা থাকবেই। জুলাই থেকে শিক্ষা না নিলে এটা দুর্ভাগ্য। রাষ্ট্রীয় পরিবর্তনের জন্য সরকারকেই কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সুধী সমাজকে জামায়াতে যোগদানের আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং মহানগর সেক্রেটারি মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় সুধী সমাবেশে বক্তৃতা করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

এর আগে সকালে নগরীর একটি মিলনায়তনে ছাত্রশিবির সিলেট মহানগরের সেক্রেটারিয়েট সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা কেবল সনদধারী শিক্ষার্থী তৈরি করছে। প্রকৃত অর্থে সুনাগরিক গঠনে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে পারছে না। শিক্ষা এমন হওয়া উচিত, যা মানুষের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটায়।
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাজুর পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুল হান্নান, মহানগরের সেক্রেটারি শাহজাহান আলী, ছাত্রশিবির শাবিপ্রবির সভাপতি মাসুদ রানা তুহিন প্রমুখ।
এ ছাড়া সকালে সিলেট সদরের সোনাতলায় পাশবিক নির্যাতন ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু ফাহিমার বাড়িতে যান জামায়াত আমির। তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের খোঁজখবর নেন ও সমবেদনা জানান।

ক্ষোভ প্রকাশ করে শফিকুর রহমান বলেন, সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমার প্রতি নৃশংস ও পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ চার্জশিট দেয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া যদি দীর্ঘসূত্রতার দিকে যায়, আমরা ধরে নেব বিচার হবে না। ঢাকার শিশু রামিসা হত্যার বিচার এক মাসের মধ্যে শেষ করার প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার মতো সিলেটের ফাহিমা হত্যার বিচারও আগামী ১৫ দিনের মধ্যে করার সুনির্দিষ্ট ঘোষণা ও বাস্তবায়ন চান শফিকুর রহমান।
এ সময় এলাকার শত শত শিশু অভিযুক্ত জাকিরের ফাঁসি এবং ফাহিমার দ্রুত বিচারের দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানায়। ফাহিমার মা রুবিনা বেগমের মুখে ঘটনার বর্ণনা শোনেন শফিকুর রহমান। পরে শিশুটির দিনমজুর বাবাকে সান্ত্বনা দেন তিনি।

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে লড়াইটি বর্তমান প্রজন্মের এবং ফ্যাসিবাদ যেন কোনো রূপেই ফিরতে না পারে সে জন্য তরুণদের সাংগঠনিক শক্তি অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন মাহফুজ আলম।
১৪ ঘণ্টা আগে
সাবেক মন্ত্রী ও বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা শেষে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। সোমবার (১ জুন) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
স্কুলছাত্রী রামিসা হত্যার ‘অতি দ্রুত’ বিচার দাবি করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। সোমবার (১ জুন) এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য নতুন করে কোনো আলামতের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
১ দিন আগে
বিএনপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনকে ব্যর্থতার দলিল হিসেবে অভিহিত করেছেন জাগপা সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান। তাঁর দাবি, সরকারের ঊর্ধ্বে উঠে প্রধানমন্ত্রীর পজিটিভ ভাবমূর্তি সৃষ্টির চেষ্টা ফ্যাসিবাদী চরিত্রের পূর্বাভাস। নয়টি সুনির্দিষ্ট খাতে তিনি সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
১ দিন আগে