স্ট্রিম প্রতিবেদক

মদ-জুয়া নিষিদ্ধ এবং মাদকের আখড়া উৎপাটন করলে বিরোধীদল সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে মামুনুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনার মতো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের রাজনীতি করবেন না।’
মামুনুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয় বাজেটে মদ, বিড়ির ওপর কর বাড়ানোয় নাকি বিরোধীদল অসন্তুষ্ট হয়েছে। আমরা পরিষ্কার বলছি, আপনি মদ-জুয়া নিষিদ্ধ করেন, মাদকের আখড়া সমূলে উৎপাটন করেন, বিরোধীদল আপনাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। কিন্তু বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে রাজপথে মোকাবিলা করব।’
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বাকশাল কায়েম করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের নোট অব ডিসেন্ট বাস্তবায়ন করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করার চেষ্টা করছেন।
সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, ‘দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে জুলাইয়ে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার উপক্রম। সীমান্তে হত্যা হচ্ছে। আর মন্ত্রী সাহেব ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন। আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।’ এ সময় বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগেরও নিন্দা জানান মামুনুল হক।
বাজেটে জুলাই শহীদদের পরিবারকে ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল শাপলা চত্বরে। সেই শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারকেও স্বীকৃতি ও সম্মাননা জানানোর জোর দাবি জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া) আসনের এমপি মুহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগরের নেতারা।

মদ-জুয়া নিষিদ্ধ এবং মাদকের আখড়া উৎপাটন করলে বিরোধীদল সরকারকে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে মামুনুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনার মতো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের রাজনীতি করবেন না।’
মামুনুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতীয় বাজেটে মদ, বিড়ির ওপর কর বাড়ানোয় নাকি বিরোধীদল অসন্তুষ্ট হয়েছে। আমরা পরিষ্কার বলছি, আপনি মদ-জুয়া নিষিদ্ধ করেন, মাদকের আখড়া সমূলে উৎপাটন করেন, বিরোধীদল আপনাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। কিন্তু বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলে রাজপথে মোকাবিলা করব।’
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বাকশাল কায়েম করতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, আপনারা আপনাদের নোট অব ডিসেন্ট বাস্তবায়ন করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করার চেষ্টা করছেন।
সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মামুনুল হক বলেন, ‘দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে জুলাইয়ে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার উপক্রম। সীমান্তে হত্যা হচ্ছে। আর মন্ত্রী সাহেব ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে সীমান্ত হত্যাকে বৈধতা দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন। আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি।’ এ সময় বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগেরও নিন্দা জানান মামুনুল হক।
বাজেটে জুলাই শহীদদের পরিবারকে ভাতা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল শাপলা চত্বরে। সেই শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারকেও স্বীকৃতি ও সম্মাননা জানানোর জোর দাবি জানাচ্ছি।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া) আসনের এমপি মুহাম্মদ শাহজাহানের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল অলি আহমদ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয়, জেলা ও মহানগরের নেতারা।

প্রস্তাবিত বাজেটে মদের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধীদল বিক্ষোভ করেছে—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যকে ‘মিথ্যা ও ভুয়া’ দাবি করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল জনগণের। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া সরকারের কারও মধ্যে পরিবর্তনের তেমন কোনো ছাপ দেখা যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে মর্যাদার ভিত্তিতে। সীমান্ত হত্যা অব্যাহত রেখে তাদের মুখে বন্ধুত্বের কথা মানায় না।
৪ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে অত্যধিক ঋণনির্ভর, উচ্চাভিলাষী ও জনবিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতারা বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি।
১ দিন আগে