স্ট্রিম প্রতিবেদক

গুলিবিদ্ধ হওয়া ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হাসপাতালে দেখতে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস যে তোপের মুখে পড়েছেন, সেটাকে ‘মব’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ ধরনের আচরণ করা হলে বিএনপি বসে থাকবে না।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব বলেন। এ সংবাদ সম্মেলনেই তারেক রহমানের দেশে আসার খবর দেওয়া হয়।
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদির আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁকে হাসপাতালে দেখতে এসে তোপের মুখে পড়েন।
শুক্রবার বিকাল চারটার দিকে মির্জা আব্বাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এলে ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলে স্লোগান শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ও হাদির সমর্থকেরা।
পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মির্জা আব্বাসকে নিরাপত্তা দিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এ সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা আরও নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই ধরনের আচরণ করলে বিএনপি বসে থাকবে না। বিএনপি তার জবাব সঙ্গে-সঙ্গে দেবে। আমরা কোনো গোলযোগ চাই না, সন্ত্রাস চাই না। কিন্তু বিএনপির ওপর কোনো আঘাত এলে তার জবাব কীভাবে দিতে হয়, বিএনপি তা জানে। বিএনপি সহজভাবে নেবে না। এ সব সৃষ্টি না করে, নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট না করে সবার যাতে সম্বিত ফিরে আসে এবং নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু হবে—সেই কাজটি করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিন্দা জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমরা বলেছি।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়, যে সমস্ত অপশক্তি দেশের নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য কাজ করছে—এটা তাদেরই চক্রান্ত বলে আমরা মনে করি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সেখানে সহানুভূতি জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে দলের কিছু ব্যক্তি, কিছু সমর্থক ও কিছু চক্রান্তকারী সেখানে সমবেত হয়ে উত্তেজনামূলক স্লোগান দিয়েছে। একপর্যায়ে তারা মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

গুলিবিদ্ধ হওয়া ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হাসপাতালে দেখতে এসে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস যে তোপের মুখে পড়েছেন, সেটাকে ‘মব’ হিসেবে আখ্যায়িত করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এ ধরনের আচরণ করা হলে বিএনপি বসে থাকবে না।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব বলেন। এ সংবাদ সম্মেলনেই তারেক রহমানের দেশে আসার খবর দেওয়া হয়।
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান হাদির আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁকে হাসপাতালে দেখতে এসে তোপের মুখে পড়েন।
শুক্রবার বিকাল চারটার দিকে মির্জা আব্বাস ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এলে ‘ভুয়া, ভুয়া’ বলে স্লোগান শুরু করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ও হাদির সমর্থকেরা।
পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা মির্জা আব্বাসকে নিরাপত্তা দিয়ে হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ করে দেন। এ সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা আরও নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এই ধরনের আচরণ করলে বিএনপি বসে থাকবে না। বিএনপি তার জবাব সঙ্গে-সঙ্গে দেবে। আমরা কোনো গোলযোগ চাই না, সন্ত্রাস চাই না। কিন্তু বিএনপির ওপর কোনো আঘাত এলে তার জবাব কীভাবে দিতে হয়, বিএনপি তা জানে। বিএনপি সহজভাবে নেবে না। এ সব সৃষ্টি না করে, নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট না করে সবার যাতে সম্বিত ফিরে আসে এবং নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু হবে—সেই কাজটি করেন।’
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিন্দা জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকেও বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য আমরা বলেছি।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়, যে সমস্ত অপশক্তি দেশের নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য কাজ করছে—এটা তাদেরই চক্রান্ত বলে আমরা মনে করি।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস সেখানে সহানুভূতি জানাতে ছুটে গিয়েছিলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে দলের কিছু ব্যক্তি, কিছু সমর্থক ও কিছু চক্রান্তকারী সেখানে সমবেত হয়ে উত্তেজনামূলক স্লোগান দিয়েছে। একপর্যায়ে তারা মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

‘রাজনীতি যাই করি কাকে ভোট দিবো তা নিয়ে এখনও সন্দিহান রয়েছি। ধরেন, আগে এখানে বিএনপির দুই জন প্রার্থী ছিল। এখন সেটা বাদ দিয়ে নতুন একজন আসছে। আবার স্বতন্ত্র যিনি আছেন তিনিও এই এলাকার সন্তান। জামায়াতের প্রার্থীও ভালো ভূমিকা রাখছে। এ কারণে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না।’
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
৯ ঘণ্টা আগে