স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটি। শোকজের ঘটনা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বিমুখী আচরণ ও পক্ষপাতিত্ব হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে এই শোকজ নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির পক্ষ থেকে আসিফ বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে ফেরার পর তার ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল। তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চেয়ারম্যান দেশে এসেছেন, আমরা তাঁকে আমাদের জায়গা থেকে স্বাগতম জানিছিলাম। তাঁর ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল। যদি শুধুমাত্র ছবি দেওয়াটা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, তাহলে প্রথমে তাঁকে শোকজ করতে হবে। প্রিন্সিপাল এবং পলিসি সবার জন্য সমান হতে হবে। পলিসি যদি কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি বা নির্দিষ্ট প্রার্থীর প্রতি আলাদাভাবে প্রয়োগ করা হয়, তবে তা পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করবে।’
সম্প্রতি ঢাকা-১১ আসনের এনসিপি প্রার্থী ও দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীকে শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। গণভোটের প্রচারণার জন্য করা এক বিলবোর্ডের কারণে শোকজ করা হয় এই দুই প্রার্থীকে।
আসিফ অভিযোগ করেন, তাদের প্রার্থীরা গণভোটে সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে “হ্যাঁ” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, যা সরকার এবং অন্যান্য দলও করছে। অথচ কেবল ছবির দোহাই দিয়ে তাদের প্রার্থীদের শোকজ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আরপিও এবং আচরণবিধির কোনো জায়গায় পাইনি যে এটা কোনো ধরনের লঙ্ঘন। আমরা মনে করি, এটা সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং আমাদের প্রার্থীদের মিডিয়া ট্রায়াল ও বিতর্কিত করার জন্য করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যোগসাজশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই শোকজ দেওয়া হয়েছে।’
এসময় অবিলম্বে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে জারিকৃত শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার এবং এ বিষয়ে জনগণের কাছে যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, আজ সন্ধ্যার দিকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এনসিপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। এসময় এনসিপি নেতারা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অংশ নেন আসিফ মাহমুদ, মনিরা শারমিন এবং জহিরুল ইসলাম মূসা।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই প্রার্থীকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে দলটি। শোকজের ঘটনা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বিমুখী আচরণ ও পক্ষপাতিত্ব হিসেবে অভিহিত করে অবিলম্বে এই শোকজ নোটিশ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির পক্ষ থেকে আসিফ বলেন, ‘নির্বাচনি প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় একটি দলের চেয়ারম্যান দেশে ফেরার পর তার ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল। তখন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চেয়ারম্যান দেশে এসেছেন, আমরা তাঁকে আমাদের জায়গা থেকে স্বাগতম জানিছিলাম। তাঁর ছবি দিয়ে পুরো ঢাকা শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছিল। যদি শুধুমাত্র ছবি দেওয়াটা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়, তাহলে প্রথমে তাঁকে শোকজ করতে হবে। প্রিন্সিপাল এবং পলিসি সবার জন্য সমান হতে হবে। পলিসি যদি কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি বা নির্দিষ্ট প্রার্থীর প্রতি আলাদাভাবে প্রয়োগ করা হয়, তবে তা পুরো নির্বাচন ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করবে।’
সম্প্রতি ঢাকা-১১ আসনের এনসিপি প্রার্থী ও দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীকে শোকজ করে নির্বাচন কমিশন। গণভোটের প্রচারণার জন্য করা এক বিলবোর্ডের কারণে শোকজ করা হয় এই দুই প্রার্থীকে।
আসিফ অভিযোগ করেন, তাদের প্রার্থীরা গণভোটে সংস্কার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে “হ্যাঁ” ভোটের প্রচারণা চালাচ্ছিলেন, যা সরকার এবং অন্যান্য দলও করছে। অথচ কেবল ছবির দোহাই দিয়ে তাদের প্রার্থীদের শোকজ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আরপিও এবং আচরণবিধির কোনো জায়গায় পাইনি যে এটা কোনো ধরনের লঙ্ঘন। আমরা মনে করি, এটা সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্টভাবে এবং আমাদের প্রার্থীদের মিডিয়া ট্রায়াল ও বিতর্কিত করার জন্য করা হচ্ছে। রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যোগসাজশে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই শোকজ দেওয়া হয়েছে।’
এসময় অবিলম্বে দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে জারিকৃত শোকজ নোটিশ প্রত্যাহার এবং এ বিষয়ে জনগণের কাছে যথাযথ ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে, আজ সন্ধ্যার দিকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এনসিপির চার সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। এসময় এনসিপি নেতারা নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে অংশ নেন আসিফ মাহমুদ, মনিরা শারমিন এবং জহিরুল ইসলাম মূসা।

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
১২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামায়াতকে ‘রাজনৈতিকভাবে নির্মূল’ করার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে