স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই ডজন ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামি। বেশিরভাগ মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও এখনো কিছু মামলা বিচারাধীন। নেতাদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া স্থায়ী কমিটির ১১ জন সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তিনি তাঁর নামে থাকা আগের ৭৭টি মামলার কথা উল্লেখ করেছেন। এসব মামলা থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে অব্যাহতি এবং খালাস পেয়েছেন। তবে মামলার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। পেশায় গবেষক এই নেতা কখনো মামলার আসামি হননি।
প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, মামলা সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর বিরুদ্ধে মোট মামলার সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৫০টি আগের এবং ১০টি বর্তমানে বিচারাধীন। মামলার সংখ্যার দিক দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সালাহউদ্দিন আহমেদও ওপরের সারিতে রয়েছেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মোট ৪৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৩৩টি আগের এবং ১১টি বিচারাধীন। অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের মোট মামলা ৪৩টি। এর মধ্যে ৩৮টি আগের এবং ৫টি বিচারাধীন।
মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা রয়েছে। মির্জা আব্বাসের মোট মামলার সংখ্যা ৩২টি (২২টি আগের, ১০টি বিচারাধীন) এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মামলা ৩৪টি (৩৩টি আগের, ১টি বিচারাধীন)। ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা চলমান, যার ২৯টি আগের এবং ৬টি বিচারাধীন। এছাড়া ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ১৯টি (১৪টি আগের, ৫টি বিচারাধীন), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের ১৩টি এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ১০টি মামলা রয়েছে।
মামলার পাশাপাশি নেতাদের লাইসেন্স করা অস্ত্রের তথ্যেও বৈচিত্র্য দেখা গেছে। স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে মির্জা আব্বাসের নামেই সবচেয়ে বেশি অস্ত্রের নিবন্ধন রয়েছে। তাঁর নামে ৩টি এবং স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামে আরও ২টি অস্ত্র রয়েছে। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের নামেও ৩টি অস্ত্র নিবন্ধিত আছে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মালিকানায় রয়েছে ১টি শটগান ও ১টি রিভলবারসহ মোট ২টি অস্ত্র। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, কোনো মামলা না থাকলেও ড. আব্দুল মঈন খানের নামে ২টি দুই নলা বন্দুকের নিবন্ধন রয়েছে। এছাড়া তালিকার অন্য কোনো নেতার নামে অস্ত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অধিকাংশ সদস্যই ডজন ডজন রাজনৈতিক মামলার আসামি। বেশিরভাগ মামলা নিষ্পত্তি হয়ে গেলেও এখনো কিছু মামলা বিচারাধীন। নেতাদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া স্থায়ী কমিটির ১১ জন সদস্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা রয়েছে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তিনি তাঁর নামে থাকা আগের ৭৭টি মামলার কথা উল্লেখ করেছেন। এসব মামলা থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে অব্যাহতি এবং খালাস পেয়েছেন। তবে মামলার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। পেশায় গবেষক এই নেতা কখনো মামলার আসামি হননি।
প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, মামলা সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর বিরুদ্ধে মোট মামলার সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৫০টি আগের এবং ১০টি বর্তমানে বিচারাধীন। মামলার সংখ্যার দিক দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সালাহউদ্দিন আহমেদও ওপরের সারিতে রয়েছেন। গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে মোট ৪৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে ৩৩টি আগের এবং ১১টি বিচারাধীন। অন্যদিকে, সালাহউদ্দিন আহমেদের মোট মামলা ৪৩টি। এর মধ্যে ৩৮টি আগের এবং ৫টি বিচারাধীন।
মির্জা আব্বাস ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা রয়েছে। মির্জা আব্বাসের মোট মামলার সংখ্যা ৩২টি (২২টি আগের, ১০টি বিচারাধীন) এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মামলা ৩৪টি (৩৩টি আগের, ১টি বিচারাধীন)। ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা চলমান, যার ২৯টি আগের এবং ৬টি বিচারাধীন। এছাড়া ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ১৯টি (১৪টি আগের, ৫টি বিচারাধীন), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের ১৩টি এবং ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ১০টি মামলা রয়েছে।
মামলার পাশাপাশি নেতাদের লাইসেন্স করা অস্ত্রের তথ্যেও বৈচিত্র্য দেখা গেছে। স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে মির্জা আব্বাসের নামেই সবচেয়ে বেশি অস্ত্রের নিবন্ধন রয়েছে। তাঁর নামে ৩টি এবং স্ত্রী আফরোজা আব্বাসের নামে আরও ২টি অস্ত্র রয়েছে। স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের নামেও ৩টি অস্ত্র নিবন্ধিত আছে। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মালিকানায় রয়েছে ১টি শটগান ও ১টি রিভলবারসহ মোট ২টি অস্ত্র। কৌতূহলোদ্দীপক বিষয় হলো, কোনো মামলা না থাকলেও ড. আব্দুল মঈন খানের নামে ২টি দুই নলা বন্দুকের নিবন্ধন রয়েছে। এছাড়া তালিকার অন্য কোনো নেতার নামে অস্ত্রের তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক পদে ব্যাপক রদবদল হচ্ছে। যারমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর, মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশপ্রধানের মতো পদ রয়েছে। রদবদল হয়েছে সেনাবাহিনীতেও।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সৈয়দ আলী হোসেইনি খামেনির প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার (১ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এই শোক প্রকাশ করেছেন তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণআকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং জুলাই সনদে বর্ণিত সাংবিধানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা নবগঠিত জাতীয় সংসদের পবিত্র দায়িত্ব।
২০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন-পরবর্তী দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশু নির্যাতন করে হত্যার প্রতিবাদে এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ।
১ দিন আগে