স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এসে এই অভিযোগ দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এবি পার্টি ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক হিসেবে অংশ নিয়েছে। এবি পার্টি ফেনী-২ আসনে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, পটুয়াখালী-১ আসনে অধ্যাপক ডা. মেজর আব্দুল ওহাব মিনার (অব.), বরিশাল-৩ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া (ব্যারিস্টার ফুয়াদ), কুমিল্লা-৫ ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া ও সুনামগঞ্জ-৩ সৈয়দ তালহা আলম।
অভিযোগে বলা হয়, তফসিল ঘোষণা ও প্রচার শুরুর পর থেকেই এবি পার্টির প্রার্থীরা আসনগুলোতে, বিশেষ করে বরিশাল-৩ আসনে চরম বৈরী পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাকর্মীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। এ বিষয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিষ্ক্রিয় এবং হতাশাজনক।
উদাহরণ দিয়ে এবি পার্টি বলেছে, বরিশাল-৩ আসনের ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া (ব্যারিস্টার ফুয়াদ) এর নির্বাচনী কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সর্বশেষ জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে গত ২৩ জানুয়ারি)। ওইদিন মুলাদী পৌরসভার চরটেকি এলাকায় ব্যারিস্টার ফুয়াদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারের সময় জামায়াতে ইসলামী মুলাদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ বয়াতি ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় একটি জিডি করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা ও সারাদেশে বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে প্রচার চালানোর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে এবি পার্টি।
সিইসির সঙ্গে বৈঠক
বেলা ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন এবি পার্টির নেতারা। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিয়েছে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকের আগে এবি পার্টির চেয়ারম্যান স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমরা নানা জায়গায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। এজন্য আমরা সিইসির কাছে অভিযোগ দিতে এসেছি।

আসন্ন সংসদ নির্বাচনের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য এসে এই অভিযোগ দেওয়া হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এবি পার্টি ১১ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক হিসেবে অংশ নিয়েছে। এবি পার্টি ফেনী-২ আসনে চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু, পটুয়াখালী-১ আসনে অধ্যাপক ডা. মেজর আব্দুল ওহাব মিনার (অব.), বরিশাল-৩ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া (ব্যারিস্টার ফুয়াদ), কুমিল্লা-৫ ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া ও সুনামগঞ্জ-৩ সৈয়দ তালহা আলম।
অভিযোগে বলা হয়, তফসিল ঘোষণা ও প্রচার শুরুর পর থেকেই এবি পার্টির প্রার্থীরা আসনগুলোতে, বিশেষ করে বরিশাল-৩ আসনে চরম বৈরী পরিস্থিতির শিকার হচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে আমাদের নেতাকর্মীদের প্রচারে বাধা দেওয়া হচ্ছে, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায়। এ বিষয়ে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিষ্ক্রিয় এবং হতাশাজনক।
উদাহরণ দিয়ে এবি পার্টি বলেছে, বরিশাল-৩ আসনের ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভুইয়া (ব্যারিস্টার ফুয়াদ) এর নির্বাচনী কার্যক্রমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সর্বশেষ জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে গত ২৩ জানুয়ারি)। ওইদিন মুলাদী পৌরসভার চরটেকি এলাকায় ব্যারিস্টার ফুয়াদের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারের সময় জামায়াতে ইসলামী মুলাদী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ বয়াতি ও তাঁর সহকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করায় ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মুলাদী থানায় একটি জিডি করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থানীয় প্রশাসন বা পুলিশ হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন, হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা ও সারাদেশে বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্নে প্রচার চালানোর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে এবি পার্টি।
সিইসির সঙ্গে বৈঠক
বেলা ৪টার দিকে নির্বাচন কমিশন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন এবি পার্টির নেতারা। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নিয়েছে।
সিইসির সঙ্গে বৈঠকের আগে এবি পার্টির চেয়ারম্যান স্ট্রিমকে বলেন, নির্বাচনী প্রচারে কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। আমরা নানা জায়গায় বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। এজন্য আমরা সিইসির কাছে অভিযোগ দিতে এসেছি।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
৯ মিনিট আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘অনেকেই বলে জামায়াত ইসলামী ক্ষমতায় এলে নারীদের বাইরে বেড়োতে দেবে না, ঘরে বন্দি করে রাখবে। তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, নারীরা আমাদের মা-বোন। তাদের ঘরে বন্দি করতে হলে অনেক তালা কিনতে হবে। যা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে তালা কেনা সম্ভব না। এত টাকা আমাদের নেই।’
৩১ মিনিট আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন মাঠ। তবে ভোটাররা বলছেন, অতীতেও এমন অনেক আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে অনেক সমস্যার সমাধান হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে