স্ট্রিম প্রতিবেদক

শরিয়াহকে রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র প্রাধান্য দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণে একথা বলেন তিনি।
রোববার (৮-ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) আগে ধারণ করা রেজাউল করীমের ভাষণ সম্প্রচার করে।
এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানেও তিনি রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে চরমোনাই পীর মহান স্বাধীনতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বলেন, তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন করবে।
রাষ্ট্রপরিচালনায় ইসলামের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে আদালত, ইনসাফ, নাগরিকের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতা, দায়বদ্ধতা, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় আচার পালনের অধিকার ও সমান সম্মান-মর্যাদা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই মৌলিক নীতিমালার পূর্ণ প্রতিপালন করবে।’
ভাষণে রাষ্ট্র গঠনে ইসলামী আন্দোলনের নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারে কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি ও খাতওয়ারি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন চরমোনাই পীর। ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।
রেজাউল করীম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাকালে আমাদের দলের নাম ছিল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। কারণ সেই ১৯৮৭ সালেই আমাদের অনুধাবনে এটা ছিল– যে সংবিধানে দেশ চলছে, তা এই দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বোধ-বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না। আজকের বাংলাদেশে সবাই একমত, সংবিধানই প্রধান সমস্যা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে আমরা সংবিধান সংস্কারসহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক সংস্কার করার একটি সুযোগ পেয়েছি। সেই সুযোগকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা ছিল দুটি। এক. রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে ভুল নীতি গ্রহণ করা এবং দুই. ভুল নেতা বাছাই করা।’
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘ভুল নীতির কারণে অনেক ভালো নেতাও দেশকে কাঙ্ক্ষিতমানে নিয়ে যেতে পারে নাই। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন এই ভূখণ্ডের মানুষের হাজার বছরের চর্চিত বিশ্বাস ও জীবনাচারের নীতি ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। শরিয়াহ কেবলই একটি আইনের নাম নয়। বরং শরিয়াহ হলো, মানুষের বিশ্বাস, জীবনবোধ, সংস্কৃতি, অভ্যাস ও আইনের সমষ্টি। আমরা এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস হিসেবে, জীবনবোধ হিসেবে এবং সংস্কৃতিতে, অভ্যাসে ইসলামকে ধারণ করি। এখন যদি রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিতে ইসলামকে বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলেই বাংলাদেশ তার প্রত্যাশিত সমৃদ্ধি ও লক্ষ খুঁজে পাবে।’
ভাষণে রেজাউল করীম ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’র উল্লেখ করে জানান, তাদের ইশতেহারে জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে থাকা রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত আট দফা ভাষণে উল্লেখ করেন চরমোনাই পীর। রাষ্ট্রপরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন ছাড়াও ‘ক্ষমতার চর্চা ও হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ধারণ’, ‘সব ধর্ম ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্টীর অধিকার-সম্মান রক্ষায় প্রতিশ্রুতি’, ‘পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্কের’ কথা বলেন তিনি।
চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার জাতির সঙ্গে একটি প্রতিজ্ঞা। আপনাদের সমর্থনে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই ইশতেহারের প্রতিটি ধারা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। ৫১টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। এ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন ২৫৮ আসনে হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

শরিয়াহকে রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র প্রাধান্য দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জাতির উদ্দেশে ভাষণে একথা বলেন তিনি।
রোববার (৮-ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) আগে ধারণ করা রেজাউল করীমের ভাষণ সম্প্রচার করে।
এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানেও তিনি রাষ্ট্রপরিচালনার সর্বত্র শরিয়াহকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে চরমোনাই পীর মহান স্বাধীনতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলনের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। বলেন, তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন করবে।
রাষ্ট্রপরিচালনায় ইসলামের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে আদালত, ইনসাফ, নাগরিকের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতা, দায়বদ্ধতা, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং সকল ধর্মের মানুষের ধর্মীয় আচার পালনের অধিকার ও সমান সম্মান-মর্যাদা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই মৌলিক নীতিমালার পূর্ণ প্রতিপালন করবে।’
ভাষণে রাষ্ট্র গঠনে ইসলামী আন্দোলনের নীতিগত পরিকল্পনা, রাষ্ট্র সংস্কারে কর্মপদ্ধতি, বিশেষ কর্মসূচি ও খাতওয়ারি পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন চরমোনাই পীর। ভোট প্রদানে ইসলামের নীতি ও অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।
রেজাউল করীম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠাকালে আমাদের দলের নাম ছিল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। কারণ সেই ১৯৮৭ সালেই আমাদের অনুধাবনে এটা ছিল– যে সংবিধানে দেশ চলছে, তা এই দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও বোধ-বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না। আজকের বাংলাদেশে সবাই একমত, সংবিধানই প্রধান সমস্যা। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে আমরা সংবিধান সংস্কারসহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক সংস্কার করার একটি সুযোগ পেয়েছি। সেই সুযোগকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন তাৎপর্যপূর্ণ।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা ছিল দুটি। এক. রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে ভুল নীতি গ্রহণ করা এবং দুই. ভুল নেতা বাছাই করা।’
ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, ‘ভুল নীতির কারণে অনেক ভালো নেতাও দেশকে কাঙ্ক্ষিতমানে নিয়ে যেতে পারে নাই। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন এই ভূখণ্ডের মানুষের হাজার বছরের চর্চিত বিশ্বাস ও জীবনাচারের নীতি ইসলামকে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি হিসেবে উপস্থাপন করেছে। শরিয়াহ কেবলই একটি আইনের নাম নয়। বরং শরিয়াহ হলো, মানুষের বিশ্বাস, জীবনবোধ, সংস্কৃতি, অভ্যাস ও আইনের সমষ্টি। আমরা এই অঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ বিশ্বাস হিসেবে, জীবনবোধ হিসেবে এবং সংস্কৃতিতে, অভ্যাসে ইসলামকে ধারণ করি। এখন যদি রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতিতে ইসলামকে বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলেই বাংলাদেশ তার প্রত্যাশিত সমৃদ্ধি ও লক্ষ খুঁজে পাবে।’
ভাষণে রেজাউল করীম ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার ‘জনপ্রত্যাশার বাংলাদেশ’র উল্লেখ করে জানান, তাদের ইশতেহারে জনপ্রত্যাশা হিসেবে শরিয়াহর প্রাধান্য, জুলাই সনদের প্রতি দায়বদ্ধতা, তারুণ্যের কর্মসংস্থান, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নাগরিক সেবা ও অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারে থাকা রাষ্ট্র গঠনে নীতিগত আট দফা ভাষণে উল্লেখ করেন চরমোনাই পীর। রাষ্ট্রপরিচালনার সব ক্ষেত্রে ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপালন ছাড়াও ‘ক্ষমতার চর্চা ও হস্তান্তরে গণতান্ত্রিক পদ্ধতির ধারণ’, ‘সব ধর্ম ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্টীর অধিকার-সম্মান রক্ষায় প্রতিশ্রুতি’, ‘পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতামূলক বৈদেশিক সম্পর্কের’ কথা বলেন তিনি।
চরমোনাই পীর বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইশতেহার জাতির সঙ্গে একটি প্রতিজ্ঞা। আপনাদের সমর্থনে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই ইশতেহারের প্রতিটি ধারা বাস্তবায়নে ইসলামী আন্দোলন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ থাকবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। ৫১টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট হবে। এ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন ২৫৮ আসনে হাতপাখা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ ভঙ্গ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৩ ঘণ্টা আগে
সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ইফতারের দাওয়াত দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি দাওয়াত কবুল করেছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
৪ ঘণ্টা আগে
ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এই দিনটি আমাদের জাতির জন্যে অত্যন্ত লজ্জার ও কলঙ্কজনক একটি অধ্যায় বলে আমরা মনে করি।’ এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তও দাবি করেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরের অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
২০ ঘণ্টা আগে