স্ট্রিম প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ২টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
তিনি বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধি অন্তর্ভূক্তিমূলক করতে এই বাজেট কাজ করবে। শতভাগ জনমুখী এই বাজেটের মূল ভিত্তি সুশাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ এবং সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা কমানো।
মিলন বলেন, ‘বতর্মানে (২০২৪-২৫) আমাদের জিডিপির আকার ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা (৪৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। আমাদের দীর্ঘমেয়াদী ভিশন হচ্ছে ২০৪৫ এর মধ্যে আমাদের অর্থনীতি আকার দুই ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যাওয়া।’
জামায়াত বলেছে, তাদের বাজেটের লক্ষ্য রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করা। এর মধ্যে এনবিআর নিয়ন্ত্রণ কর ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা, অন্যান্য কর ২২ হাজার কোটি টাকা এবং করবহির্ভূত প্রাপ্তি ৭০ হাজার কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।
দলটির প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৭ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংক এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৩ শ ২৯ কোটি টাকা ঋণের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
জামায়াতের প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে তারা করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে চার লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। ব্যক্তি পযায়ে সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখে কর্পোরেট কর ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ধাপে ধাপে হ্রাস করার কথাও জানিয়েছে দলটি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সিন্ডিকেট নির্মূল ও স্বয়ংক্রিয় স্থিতিকরণ নীতিমালা প্রয়োগের প্রস্তাব রয়েছে জামায়াতের বাজেটে। এছাড়াও এ বাজেটে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন প্রথম বছরেই শতভাগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের বাজেটে যত প্রতিশ্রুতি
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্য হলো দেশের মানবসম্পদকে বিশ্বমানের করে তোলা। এ জন্য স্নাতক পযন্ত নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা, মেধাবীদের জন্য ১ লাখ সুদমুক্ত ‘কর্জে হাসানা’ ঋণ, এবং প্রবীণ ও শিশুদের জন্য সরকারি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। কৃষি খাতে প্রতিটি উপজেলায় সোলারভিত্তিক কোল্ডস্টোরেজ তৈরি করা হবে, কর্মসংস্থানের জন্য পৃথক ‘দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ গঠন এবং ‘সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড’ প্রবর্তনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে জামায়াতের বাজেটে।
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় একটি মর্যাদাশীল গন্তব্যে পৌঁছানোর রূপরেখা। বাজেটে উপস্থাপনায় বলা হয়, জামায়াত এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, যেখানে আর কাউকেই বিনা চিকিৎসায় মরতে হবে না; অর্থাভাবে মেধাবীর লেখাপড়া বন্ধ হবে না এবং কোনো তরুণকে বেকারত্বের গ্লানি নিয়ে হতাশায় ডুবতে হবে না।
প্রস্তাবিত বাজেটে আরও বলা হয়, বিগত সরকারের উচ্চমূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের সংকট এবং সীমাহীন দুর্নীতির কারণে অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এই সংকট উত্তরণে জামায়াত পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং এনবিআর ও দুদক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতিতে সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কোন খাতে কত বরাদ্দ
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের বাজেটের মূল ফোকাস হলো মানবসম্পদ ও এবং অবকাঠামো উন্নয়ন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১৪ দশমিক ৯৬ ভাগ; স্বাস্থ্যখাতে ৪৫ হাজার ২৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৩৯ ভাগ; পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৭ দশমিক ৭৮ ভাগ।
অসহায় ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতে জামায়াতের বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৮ হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৭৪ ভাগ; সরকার পরিচালনা ও পেনশনসহ জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২৪ দশমিক ০৯ ভাগ; জাতীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ১৮ ভাগ; কৃষিখাতে ন্যায্যমূল্য ও আধুনিকায়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৬ দশমিক ১৫ ভাগ।
টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২ দশমিক ৯৭ ভাগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৩৯ ভাগ; শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৪ দশমিক ১০ ভাগ; গৃহায়ন খাতে রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৭৮ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৬০ ভাগ; শিল্প ও বাণিজ্য খাতের অগ্রগতির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৬২ ভাগ।
আর বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মের বিকাশে জামায়াতের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ হাজার ৬ শ ৩০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৭৯ ভাগ; সরকারের ঘাটতি ব্যয় মেটাতে বিভিন্ন সময় বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১৫ দশমিক ১৯ ভাগ বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিপিসহ জামায়াতের জোটসঙ্গী অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ সময়ের দলটির শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বিকল্প বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ২টায় রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
তিনি বলেন, দেশের প্রবৃদ্ধি অন্তর্ভূক্তিমূলক করতে এই বাজেট কাজ করবে। শতভাগ জনমুখী এই বাজেটের মূল ভিত্তি সুশাসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ এবং সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা কমানো।
মিলন বলেন, ‘বতর্মানে (২০২৪-২৫) আমাদের জিডিপির আকার ৫৫ লাখ ১৫ হাজার ২৬ কোটি টাকা (৪৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। আমাদের দীর্ঘমেয়াদী ভিশন হচ্ছে ২০৪৫ এর মধ্যে আমাদের অর্থনীতি আকার দুই ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা এবং ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যাওয়া।’
জামায়াত বলেছে, তাদের বাজেটের লক্ষ্য রাজস্ব আয়ের মাধ্যমে ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করা। এর মধ্যে এনবিআর নিয়ন্ত্রণ কর ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা, অন্যান্য কর ২২ হাজার কোটি টাকা এবং করবহির্ভূত প্রাপ্তি ৭০ হাজার কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।
দলটির প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি দেখানো হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৭ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংক এবং সঞ্চয়পত্র খাত থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৩ শ ২৯ কোটি টাকা ঋণের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
জামায়াতের প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষকে স্বস্তি দিতে তারা করমুক্ত আয়ের সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে চার লাখ টাকায় উন্নীত করতে চায়। ব্যক্তি পযায়ে সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখে কর্পোরেট কর ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ধাপে ধাপে হ্রাস করার কথাও জানিয়েছে দলটি।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সিন্ডিকেট নির্মূল ও স্বয়ংক্রিয় স্থিতিকরণ নীতিমালা প্রয়োগের প্রস্তাব রয়েছে জামায়াতের বাজেটে। এছাড়াও এ বাজেটে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন প্রথম বছরেই শতভাগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের বাজেটে যত প্রতিশ্রুতি
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের লক্ষ্য হলো দেশের মানবসম্পদকে বিশ্বমানের করে তোলা। এ জন্য স্নাতক পযন্ত নারীদের অবৈতনিক শিক্ষা, মেধাবীদের জন্য ১ লাখ সুদমুক্ত ‘কর্জে হাসানা’ ঋণ, এবং প্রবীণ ও শিশুদের জন্য সরকারি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে। কৃষি খাতে প্রতিটি উপজেলায় সোলারভিত্তিক কোল্ডস্টোরেজ তৈরি করা হবে, কর্মসংস্থানের জন্য পৃথক ‘দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ গঠন এবং ‘সামাজিক নিরাপত্তা কার্ড’ প্রবর্তনের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে সুশাসন পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে জামায়াতের বাজেটে।
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বাজেট শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়; এটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় একটি মর্যাদাশীল গন্তব্যে পৌঁছানোর রূপরেখা। বাজেটে উপস্থাপনায় বলা হয়, জামায়াত এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, যেখানে আর কাউকেই বিনা চিকিৎসায় মরতে হবে না; অর্থাভাবে মেধাবীর লেখাপড়া বন্ধ হবে না এবং কোনো তরুণকে বেকারত্বের গ্লানি নিয়ে হতাশায় ডুবতে হবে না।
প্রস্তাবিত বাজেটে আরও বলা হয়, বিগত সরকারের উচ্চমূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের সংকট এবং সীমাহীন দুর্নীতির কারণে অর্থনীতি চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। শ্বেতপত্রের তথ্য অনুযায়ী ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রায় ২৮ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। এই সংকট উত্তরণে জামায়াত পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনা এবং এনবিআর ও দুদক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতিতে সুশাসন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
কোন খাতে কত বরাদ্দ
জামায়াত জানিয়েছে, তাদের বাজেটের মূল ফোকাস হলো মানবসম্পদ ও এবং অবকাঠামো উন্নয়ন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১৪ দশমিক ৯৬ ভাগ; স্বাস্থ্যখাতে ৪৫ হাজার ২৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৩৯ ভাগ; পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের অবকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৭ দশমিক ৭৮ ভাগ।
অসহায় ও দুস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা খাতে জামায়াতের বাজেটে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪৮ হাজার ১৫০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৭৪ ভাগ; সরকার পরিচালনা ও পেনশনসহ জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২৪ দশমিক ০৯ ভাগ; জাতীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ১৮ ভাগ; কৃষিখাতে ন্যায্যমূল্য ও আধুনিকায়নে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৬ দশমিক ১৫ ভাগ।
টেকসই জ্বালানি নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ২ দশমিক ৯৭ ভাগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৫ দশমিক ৩৯ ভাগ; শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ৪ দশমিক ১০ ভাগ; গৃহায়ন খাতে রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৭৮ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৬০ ভাগ; শিল্প ও বাণিজ্য খাতের অগ্রগতির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৬২ ভাগ।
আর বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্মের বিকাশে জামায়াতের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ হাজার ৬ শ ৩০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় শূন্য দশমিক ৭৯ ভাগ; সরকারের ঘাটতি ব্যয় মেটাতে বিভিন্ন সময় বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের প্রায় ১৫ দশমিক ১৯ ভাগ বরাদ্দ দেখানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে এনসিপিসহ জামায়াতের জোটসঙ্গী অন্য রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ সময়ের দলটির শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ ও দলীয় বয়ান ব্যবহার না করে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ১৫ জুন আরও ১০০ উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
১ দিন আগে
সংসদ নির্বাচনের পরে ইসলামপন্থী দলগুলো নারী উইংয়ে জোর দিয়েছে। নিষ্ক্রিয়দের সচল ও নতুন করে শাখা গঠন করছে। এর মাধ্যমে সারা দেশে নারী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৎপরতা বাড়াতে চায় তারা।
২ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপির উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের আর কোনো নেতাকর্মীর ওপর হামলা হলে, রাজনৈতিকভাবে মিলেমিশে থাকার চুক্তি থেকে বেরিয়ে পড়ব। আমরা আমাদের পদ্ধতি জানি, কীভাবে সন্ত্রাসীদের শায়েস্তা করতে হয়।
৩ দিন আগে