স্ট্রিম প্রতিবেদক

সুরক্ষিত সেনেগুপ্ত হত্যা-চেষ্টা মামলায় সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ন্যাশনাল উলামা এলায়েন্স। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন আলোচিত এ মামলার রায়ে ৯ আসামির মধ্যে ৮ জন খালাস পেলেও একমাত্র হাফিজ সৈয়দ নাঈমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলার অধিকাংশ আসামি খালাস পাওয়ার পর একজনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের বিষয়টি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, প্রায় দুই দশক ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়ায় হাফিজ সৈয়দ নাঈম দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেছেন এবং একাধিকবার রিমান্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। মামলার তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে অতীতেও আলোচনা ও বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, মামলায় তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়ে পর্যাপ্ত ও সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ন্যাশনাল উলামা এলায়েন্সের মতে, বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে প্রতিটি মামলায় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য তারা উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে মামলার পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পুনরায় পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদী বলেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি যেন পর্যাপ্ত প্রমাণ ও ন্যায্য বিচার ছাড়া শাস্তির সম্মুখীন না হন, সেটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি, উচ্চ আদালতে যথাযথ পর্যালোচনার মাধ্যমে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান বলেন, ‘একই মামলায় অধিকাংশ আসামি খালাস পাওয়ার পর একজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করতে উচ্চ আদালতের সুবিবেচিত পর্যালোচনা প্রয়োজন। আমরা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।’

সুরক্ষিত সেনেগুপ্ত হত্যা-চেষ্টা মামলায় সৈয়দ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ন্যাশনাল উলামা এলায়েন্স। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন আলোচিত এ মামলার রায়ে ৯ আসামির মধ্যে ৮ জন খালাস পেলেও একমাত্র হাফিজ সৈয়দ নাঈমকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই মামলার অধিকাংশ আসামি খালাস পাওয়ার পর একজনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের বিষয়টি জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, প্রায় দুই দশক ধরে চলা বিচারিক প্রক্রিয়ায় হাফিজ সৈয়দ নাঈম দীর্ঘ সময় কারাভোগ করেছেন এবং একাধিকবার রিমান্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। মামলার তদন্ত, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে অতীতেও আলোচনা ও বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য এবং পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, মামলায় তার প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার বিষয়ে পর্যাপ্ত ও সুস্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
ন্যাশনাল উলামা এলায়েন্সের মতে, বিচার বিভাগের প্রতি জনগণের আস্থা বজায় রাখতে প্রতিটি মামলায় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। এ জন্য তারা উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে মামলার পূর্ণাঙ্গ নথিপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পুনরায় পর্যালোচনার আহ্বান জানিয়েছে।
সংগঠনটির আহ্বায়ক ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদী বলেন, ‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। কোনো ব্যক্তি যেন পর্যাপ্ত প্রমাণ ও ন্যায্য বিচার ছাড়া শাস্তির সম্মুখীন না হন, সেটি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমরা আশা করি, উচ্চ আদালতে যথাযথ পর্যালোচনার মাধ্যমে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সদস্য সচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান বলেন, ‘একই মামলায় অধিকাংশ আসামি খালাস পাওয়ার পর একজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় নিয়ে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করতে উচ্চ আদালতের সুবিবেচিত পর্যালোচনা প্রয়োজন। আমরা আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।’

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬