স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যার নির্দেশ ও উসকানিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত পলাতক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে কি না, সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। শুনানিতে তাঁরা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় ও ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন।
প্রসিকিউটররা ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পড়ে শোনান। তাঁরা দাবি করেন, জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনা দেওয়ায় আসামিদের সরাসরি ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব অভিযোগের স্বপক্ষে প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আর্জি জানায়।
যেহেতু সাত আসামিই পলাতক, তাই তাঁদের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। শুনানিতে তাঁরা দাবি করেন, প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে তাঁদের মক্কেলদের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা নেই এবং অভিযোগ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত দালিলিক তথ্যের অভাব রয়েছে।
আইনজীবীরা যুক্তি দেখান, শুধুমাত্র রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁদের মক্কেলদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। যথাযথ তথ্য-প্রমাণ না থাকায় তাঁরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করে মামলা থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করেন।
অভিযুক্ত যারা
ওবায়দুল কাদের ছাড়াও মামলার অন্য পলাতক আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। এ ছাড়া তালিকায় আছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের খুঁজে না পাওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এরপরেও তাঁরা নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় গত ৮ জানুয়ারি তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বিচারকাজের জন্য ‘স্টেট ডিফেন্স’ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই সাতজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন ‘ফরমাল চার্জ’ দাখিল করে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, হত্যার নির্দেশ ও উসকানিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত পলাতক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হবে কি না, সে বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। শুনানিতে তাঁরা আসামিদের ব্যক্তিগত দায় ও ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’র বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন।
প্রসিকিউটররা ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পড়ে শোনান। তাঁরা দাবি করেন, জুলাই-আগস্টে আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনা দেওয়ায় আসামিদের সরাসরি ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব অভিযোগের স্বপক্ষে প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আর্জি জানায়।
যেহেতু সাত আসামিই পলাতক, তাই তাঁদের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান। শুনানিতে তাঁরা দাবি করেন, প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগের সঙ্গে তাঁদের মক্কেলদের কোনো প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা নেই এবং অভিযোগ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত দালিলিক তথ্যের অভাব রয়েছে।
আইনজীবীরা যুক্তি দেখান, শুধুমাত্র রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তাঁদের মক্কেলদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। যথাযথ তথ্য-প্রমাণ না থাকায় তাঁরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন না করে মামলা থেকে অব্যাহতির প্রার্থনা করেন।
অভিযুক্ত যারা
ওবায়দুল কাদের ছাড়াও মামলার অন্য পলাতক আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। এ ছাড়া তালিকায় আছেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে পলাতক রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের খুঁজে না পাওয়ায় গত ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। এরপরেও তাঁরা নির্ধারিত তারিখে হাজির না হওয়ায় গত ৮ জানুয়ারি তাঁদের অনুপস্থিতিতেই বিচারকাজের জন্য ‘স্টেট ডিফেন্স’ নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল এই সাতজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নেন এবং একই দিন প্রসিকিউশন ‘ফরমাল চার্জ’ দাখিল করে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে