স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত ও পাকিস্তানসহ প্রায় ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই সম্মেলন শুরু হয়। এতে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তুলে ধরা হয়।
সামিটে আমেরিকা, চীন, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ, ইউএনডিপি এবং আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি দেশীয় রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবী এবং সম্পাদকরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে সিপিডির ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরিফসহ বিশিষ্ট পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
সামিটের শুরুতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।” এ সময় তিনি জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নকশা প্রকাশ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস। এটি মূলত রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক মর্যাদার লড়াই। ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
সম্মেলনের ফাঁকে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানান, জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, সারা দেশের যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে মন্ত্রী বানাবে জামায়াত। তিনি বলেন, “আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। ক্ষমতায় গেলে শুধু দল থেকে মন্ত্রী বানাব বিষয়টা এমন নয়।”
ডা. তাহের আরও বলেন, “বাংলাদেশে অর্থমন্ত্রী বা স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য লোক আছে। সব বাংলাদেশকে নিয়ে যদি আমরা বিবেচনা করি, তবে কি লোকের অভাব হবে? দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কীভাবে আমরা গড়ে তুলব এবং আমাদের ফরেন পলিসি কী হবে, সেগুলো উপস্থাপন করছি।”
তিনি আরও বলেন, “নারীদের নিরাপত্তার সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আমরা কাজ করছি। দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের যে ইস্যু আছে, সেই সকল বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।” অনুষ্ঠানটি দুপুরে বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যায়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ‘পলিসি সামিট ২০২৬’-এ অংশ নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত ও পাকিস্তানসহ প্রায় ৩৬টি দেশের প্রতিনিধি।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এই সম্মেলন শুরু হয়। এতে দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তুলে ধরা হয়।
সামিটে আমেরিকা, চীন, কসোভো, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাতিসংঘ, ইউএনডিপি এবং আইআরআইয়ের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি দেশীয় রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবী এবং সম্পাদকরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে সিপিডির ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক, দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং প্রথম আলোর সাজ্জাদ শরিফসহ বিশিষ্ট পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি ও রাজনীতি নিয়ে তাঁদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
সামিটের শুরুতে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, “দেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।” এ সময় তিনি জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নকশা প্রকাশ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস একটি দীর্ঘ ও অসমাপ্ত সংগ্রামের ইতিহাস। এটি মূলত রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক মুক্তি ও মানবিক মর্যাদার লড়াই। ১৯৪৭ ও ১৯৭১ সালের সংগ্রামের মূল লক্ষ্য ছিল সামাজিক ন্যায়বিচার। তবে পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও সেই প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।
সম্মেলনের ফাঁকে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন। তিনি জানান, জনগণের ম্যান্ডেট পেয়ে সরকার গঠন করলে শুধু দল থেকে নয়, সারা দেশের যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে মন্ত্রী বানাবে জামায়াত। তিনি বলেন, “আমাদের পূর্ণ প্রস্তুতি আছে। ক্ষমতায় গেলে শুধু দল থেকে মন্ত্রী বানাব বিষয়টা এমন নয়।”
ডা. তাহের আরও বলেন, “বাংলাদেশে অর্থমন্ত্রী বা স্বাস্থ্যমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্য লোক আছে। সব বাংলাদেশকে নিয়ে যদি আমরা বিবেচনা করি, তবে কি লোকের অভাব হবে? দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কীভাবে আমরা গড়ে তুলব এবং আমাদের ফরেন পলিসি কী হবে, সেগুলো উপস্থাপন করছি।”
তিনি আরও বলেন, “নারীদের নিরাপত্তার সংকট কাটিয়ে ওঠা এবং বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আমরা কাজ করছি। দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের যে ইস্যু আছে, সেই সকল বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা তুলে ধরার চেষ্টা করছি।” অনুষ্ঠানটি দুপুরে বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনার মাধ্যমে এগিয়ে যায়।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন করতে পারবেন, এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে চান ঢাকা-১ আসনের ভোটাররা। তবে অতীতে নির্বাচনের পর বিজয়ীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাধারণ ভোটার ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে একধরনের নৈতিক দূরত্বের সৃষ্টি হয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলীয় ‘নির্বাচনী ঐক্যে’ থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) তাদের বরাদ্দের ৩০টি আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে মৌলভীবাজার-৪ আসন জোটের অন্য প্রার্থীর জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৪৭টি আসন বাদ রেখে ২৫৩ আসনে চূড়ান্ত সমঝোতার কথা জানিয়েছিল ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। তবে শেষ পর্যন্ত চরমোনাই পীরের দল ঐক্যে না আসায় ওই আসনগুলো নিজেদের মধ্যে বণ্টন করে নিচ্ছে বাকি দলগুলো।
২ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ‘ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এই নির্বাচনের মধ্য দিয়েই নির্ধারণ হবে বাংলাদেশের ভাগ্য। বাংলাদেশ উদারপন্থী গণতান্ত্রিক মানুষের হাতে থাকবে, না উগ্রপন্থী রাষ্ট্রবিরোধীদের হাতে চলে যাবে, তা এই নির্বাচনের মাধ্যম
২ ঘণ্টা আগে