স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রচারণার জন্য এতে মোট ১৪টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া প্রচারণায় অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা ড্রোনের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া প্রচারণায় ব্যবহৃত সব ধরনের ফেস্টুন, লিফলেট, ব্যানার ও হ্যান্ডবিল অবশ্যই সাদা-কালো হতে হবে। একই সঙ্গে মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা ছাড়া কোনো প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করা যাবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রতি এনসিপির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আহ্বান:
১. প্রচারণা নিষিদ্ধ স্থান: ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না।
২. মিছিল ও শোডাউন: বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল বা যান্ত্রিক বাহন ব্যবহার করে কোনো মিছিল বা শোডাউন করা নিষিদ্ধ।
৩. প্রযুক্তির ব্যবহার: প্রচারণায় অসৎ উদ্দেশ্যে এআই (AI) এবং ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করা যাবে না।
৪. প্রচারসামগ্রী: কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ব্যানার (১০×৪ ফুট), লিফলেট (এ৪ সাইজ), ফেস্টুন (১৮×২৪ ইঞ্চি) এবং বিলবোর্ড (১৬×৯ ফুট)-এর নির্ধারিত মাপ মেনে চলতে হবে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
৫. জনসভা ও ক্যাম্প: জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন স্থানে সভা করা যাবে না। দলীয় কার্যালয় ছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে।
৬. বিদেশি প্রচারণা: দেশের বাইরে কোনো প্রকার সভা-সমাবেশ বা প্রচারণা চালানো যাবে না।
৭. শব্দদূষণ রোধ: নির্বাচনি এলাকায় একই সময়ে তিনটির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া তোরণ নির্মাণ ও ৪০০ বর্গফুটের বেশি প্যান্ডেল তৈরির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি সুশৃঙ্খল, আইনসম্মত ও ইতিবাচক নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়েছে। জোটের সব প্রার্থীকে এসব বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা আগামীকাল বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে। এ উপলক্ষে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রচারণার জন্য এতে মোট ১৪টি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। এ ছাড়া প্রচারণায় অসৎ উদ্দেশ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা ড্রোনের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া প্রচারণায় ব্যবহৃত সব ধরনের ফেস্টুন, লিফলেট, ব্যানার ও হ্যান্ডবিল অবশ্যই সাদা-কালো হতে হবে। একই সঙ্গে মুদ্রণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা ছাড়া কোনো প্রচারসামগ্রী ব্যবহার করা যাবে না বলে সতর্ক করা হয়েছে।
১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের প্রতি এনসিপির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি আহ্বান:
১. প্রচারণা নিষিদ্ধ স্থান: ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না।
২. মিছিল ও শোডাউন: বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল বা যান্ত্রিক বাহন ব্যবহার করে কোনো মিছিল বা শোডাউন করা নিষিদ্ধ।
৩. প্রযুক্তির ব্যবহার: প্রচারণায় অসৎ উদ্দেশ্যে এআই (AI) এবং ড্রোন বা কোয়াডকপ্টার ব্যবহার করা যাবে না।
৪. প্রচারসামগ্রী: কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। প্রার্থীর ব্যানার (১০×৪ ফুট), লিফলেট (এ৪ সাইজ), ফেস্টুন (১৮×২৪ ইঞ্চি) এবং বিলবোর্ড (১৬×৯ ফুট)-এর নির্ধারিত মাপ মেনে চলতে হবে। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
৫. জনসভা ও ক্যাম্প: জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন স্থানে সভা করা যাবে না। দলীয় কার্যালয় ছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপন করা যাবে।
৬. বিদেশি প্রচারণা: দেশের বাইরে কোনো প্রকার সভা-সমাবেশ বা প্রচারণা চালানো যাবে না।
৭. শব্দদূষণ রোধ: নির্বাচনি এলাকায় একই সময়ে তিনটির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকার ব্যবহার নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া তোরণ নির্মাণ ও ৪০০ বর্গফুটের বেশি প্যান্ডেল তৈরির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, একটি সুশৃঙ্খল, আইনসম্মত ও ইতিবাচক নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়েছে। জোটের সব প্রার্থীকে এসব বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) । ওই দিন নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করতে যাওয়া দলগুলো শরিকদের জন্য আসন ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে। তবে সমঝোতা অনুযায়ী ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের বৃহৎ শরিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাঁচটি আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকার তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপির আলোচিত বিদ্রোহী প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে ‘ফুটবল’ প্রতীক পেয়েছেন। এই আসনগুলো হলো ঢাকা-৭, ঢাকা-১২ ও ঢাকা-১৪।
৩ ঘণ্টা আগে
উত্তরবঙ্গের আট জেলায় নির্বাচনি সভা করবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আগামী শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) তিনি এ সফর করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। নির্বাচনী জোটে এনসিপি ৩০ আসনে লড়ার কথা। এর মধ্যে ২৯টি আসনে এককভাবে আর একটি আসন জোটের প্রার্থীদের জন্য থাকবে উন্মুক্ত।
৩ ঘণ্টা আগে