স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা ৯টি দলের নেতা। তারাই আগামীর সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এর বাইরে সাতজন নির্দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, তারাও সংসদে জনগণের মুখপাত্র হবেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ৫০ রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৫৫ প্রার্থী। স্বতন্ত্রসহ সব মিলে প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ২৮ জন।
বৃহস্পতিবার ২৯৯ আসনে ভোট হয়। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।
ইতোমধ্যে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্য দুটি আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।
যে ৯ দল প্রতিনিধিত্ব করবে
ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্থগিত রাখা আসন দুটিসহ বিএনপির প্রার্থীরা ২১১ আসনে জয়ী হয়েছেন। এরপর এককভাবে সর্বোচ্চ আসনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তারা পেয়েছে ৬৮টি আসন।
জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জয় পেয়েছে ছয়টি আসনে। জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস যথাক্রমে দুটি ও একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছি একটি আসন। একটি করে আসন পেয়েছে আরও তিনটি দল। এই দলগুলো হলো– বিএনপি জোটের শরিক গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন। এর বাইরে নির্দলীয় হিসেবে সাত জন বিজয়ী হয়েছেন।
অংশ নিয়েছিল ৫০ দল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। তারা ১ হাজার ৭৫৫ জনকে প্রার্থী করেছিল। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৩ জন।
একক দল শুধু বিএনপি থেকে নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৯১ প্রার্থী ছিলেন। সর্বোচ্চ সংখক আসনে জয় নিয়ে দলটি সরকার গঠনের অপেক্ষায়। সংখ্যা বিবেচনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রার্থী ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের, ২৫৮। তাদের মাত্র একজন জয় পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী ২২৪ প্রার্থী দিলেও জয় পেয়েছে ৬৮টিতে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (জাপা) ২০০ প্রার্থী দিলেও কেউ জেতেনি। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন দল গণঅধিকার পরিষদ ৯৪ জনকে প্রার্থী করলেও, তিনি ছাড়া কেউ জয় পাননি।
বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ আসনে জয় পেয়েছে এনসিপি। তারা জোটবদ্ধ হয়ে ২৯টিসহ মোট ৩২ জনকে প্রার্থী করেছিল। জিতেছেন ছয়জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা ৯টি দলের নেতা। তারাই আগামীর সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবেন। এর বাইরে সাতজন নির্দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, তারাও সংসদে জনগণের মুখপাত্র হবেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন ৫০ রাজনৈতিক দলের ১ হাজার ৭৫৫ প্রার্থী। স্বতন্ত্রসহ সব মিলে প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ২৮ জন।
বৃহস্পতিবার ২৯৯ আসনে ভোট হয়। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে।
ইতোমধ্যে ২৯৯ আসনের মধ্যে ২৯৭টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। অন্য দুটি আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।
যে ৯ দল প্রতিনিধিত্ব করবে
ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্থগিত রাখা আসন দুটিসহ বিএনপির প্রার্থীরা ২১১ আসনে জয়ী হয়েছেন। এরপর এককভাবে সর্বোচ্চ আসনে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তারা পেয়েছে ৬৮টি আসন।
জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জয় পেয়েছে ছয়টি আসনে। জামায়াত-এনসিপির ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস যথাক্রমে দুটি ও একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছি একটি আসন। একটি করে আসন পেয়েছে আরও তিনটি দল। এই দলগুলো হলো– বিএনপি জোটের শরিক গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন। এর বাইরে নির্দলীয় হিসেবে সাত জন বিজয়ী হয়েছেন।
অংশ নিয়েছিল ৫০ দল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। তারা ১ হাজার ৭৫৫ জনকে প্রার্থী করেছিল। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন ২৭৩ জন।
একক দল শুধু বিএনপি থেকে নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৯১ প্রার্থী ছিলেন। সর্বোচ্চ সংখক আসনে জয় নিয়ে দলটি সরকার গঠনের অপেক্ষায়। সংখ্যা বিবেচনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রার্থী ছিল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের, ২৫৮। তাদের মাত্র একজন জয় পেয়েছেন। জামায়াতে ইসলামী ২২৪ প্রার্থী দিলেও জয় পেয়েছে ৬৮টিতে।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (জাপা) ২০০ প্রার্থী দিলেও কেউ জেতেনি। ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের নেতৃত্বাধীন দল গণঅধিকার পরিষদ ৯৪ জনকে প্রার্থী করলেও, তিনি ছাড়া কেউ জয় পাননি।
বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একক দল হিসেবে সর্বোচ্চ আসনে জয় পেয়েছে এনসিপি। তারা জোটবদ্ধ হয়ে ২৯টিসহ মোট ৩২ জনকে প্রার্থী করেছিল। জিতেছেন ছয়জন।

নির্বাচনের পর তৎপরতা বাড়িয়েছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞায় থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কার্যক্রম বাড়লেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনে আগে সরকারে থাকা দল বিএনপির কাছ থেকে ছাড় পাবে না।
১৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে সংসদে অভিশংসনের পর দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২০ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও গোপনীয় বিষয় জনসমক্ষে প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ ভঙ্গ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে
সপরিবারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ইফতারের দাওয়াত দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। আন্তরিকতার সঙ্গে তিনি দাওয়াত কবুল করেছেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে