স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ইশতেহারে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁ হোটেলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি মনে করে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া অসম্ভব। তাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেভাবে নারীদের শিক্ষার পথ সুগম করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই এবার নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায় তারা।
কী থাকছে ফ্যামিলি কার্ডে
বিএনপির ইশতেহারে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ দরিদ্র গ্রামীণ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হবে পরিবারের নারী প্রধান অর্থাৎ মা কিংবা বোনের নামে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, প্রতিটি পরিবারকে মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা সরাসরি দেওয়া হবে। অথবা সমমূল্যের নিত্যপণ্য (চাল, ডাল, তেল, লবণ) দেওয়া হবে। এছাড়া রাষ্ট্রের সক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গে এই সহায়তার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়ার ধারণা বিশ্বজুড়ে একটি সফল পদ্ধতি। বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশ এই মডেলে নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্য পেয়েছে। ব্রাজিল ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’ কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র পরিবারকে মাসিক নগদ অর্থ দেয় এবং এই অর্থ পরিবারের নারী প্রধানের ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হয়। মেক্সিকোতেও একই কর্মসূচি চালু রয়েছে।
এশিয়ার মধ্যে ফিলিপাইনে এই কর্মসূচি বেশ কার্যকর। সেখানে মায়ের ‘ল্যান্ড ব্যাংকের’ মাধ্যমে ক্যাশ কার্ড দেওয়া হয়।
বিএনপি মনে করে, নারী অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হলে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জন সহজ হবে। নারীকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব, কর্মসংস্থান ও সুরক্ষার সুযোগ দিলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। ফ্যামিলি কার্ড কেবল ত্রাণ কর্মসূচি নয় বরং এটি নারীর আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হবে।

বিএনপির ইশতেহারে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক মুক্তি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে দলটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসেফিক সোনারগাঁ হোটেলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বিএনপি মনে করে, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া অসম্ভব। তাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যেভাবে নারীদের শিক্ষার পথ সুগম করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই এবার নারীদের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায় তারা।
কী থাকছে ফ্যামিলি কার্ডে
বিএনপির ইশতেহারে দেশের প্রায় ৪ কোটি প্রান্তিক পরিবারের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ দরিদ্র গ্রামীণ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করা হবে পরিবারের নারী প্রধান অর্থাৎ মা কিংবা বোনের নামে।
ইশতেহারে বলা হয়েছে, প্রতিটি পরিবারকে মাসে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা সরাসরি দেওয়া হবে। অথবা সমমূল্যের নিত্যপণ্য (চাল, ডাল, তেল, লবণ) দেওয়া হবে। এছাড়া রাষ্ট্রের সক্ষমতার সঙ্গে সঙ্গে এই সহায়তার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়বে।
নারীর হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দেওয়ার ধারণা বিশ্বজুড়ে একটি সফল পদ্ধতি। বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশ এই মডেলে নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্য পেয়েছে। ব্রাজিল ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’ কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র পরিবারকে মাসিক নগদ অর্থ দেয় এবং এই অর্থ পরিবারের নারী প্রধানের ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হয়। মেক্সিকোতেও একই কর্মসূচি চালু রয়েছে।
এশিয়ার মধ্যে ফিলিপাইনে এই কর্মসূচি বেশ কার্যকর। সেখানে মায়ের ‘ল্যান্ড ব্যাংকের’ মাধ্যমে ক্যাশ কার্ড দেওয়া হয়।
বিএনপি মনে করে, নারী অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হলে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্জন সহজ হবে। নারীকে তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব, কর্মসংস্থান ও সুরক্ষার সুযোগ দিলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে। ফ্যামিলি কার্ড কেবল ত্রাণ কর্মসূচি নয় বরং এটি নারীর আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার হাতিয়ার হবে।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলমান কর্মসূচিতে পুলিশের হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রাষ্ট্রীয় বাহিনী ব্যবহার করে আন্দোলন দমনকে সরকারের দুঃসাহসিক অপচেষ্টা বলেছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে দুর্নীতি দমন, আইনের শাসন ও জবাবদিহির বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার বিকেলে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণাকালে এসব কথা বলেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ (বৃহত্তর উত্তরা) আসনের বাসিন্দাদের গ্যাস-সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রত্যেক নাগরিককে ই-হেলথ কার্ড প্রদান এবং জিডিপির ৫ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
৩ ঘণ্টা আগে