বিএনপি সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের পক্ষে: মির্জা ফখরুল

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

প্রকাশ : ১৭ জুলাই ২০২৬, ১৮: ১৮
অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্মরণসভায় বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্ট্রিম ছবি

আমূল পরিবর্তনের বদলে বিএনপি সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কারের নয়, প্রয়োজনীয় সংশোধনের পক্ষে এবং জনগণের দেওয়া রায়ের ভিত্তিতেই সংবিধান পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (১৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য বিরোধীদল জুলাই আন্দোলনকে ব্যবহার করতে চাচ্ছে¬ বলে অভিযোগ তুলে অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল বলেন, জুলাই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়; এটি দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলন-সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি।

জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধীদলের বক্তব্যেরও সমালোচনা করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতিতেই জুলাই সনদে সই হয়েছে এবং নির্বাচিত সরকার নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করবে। বিএনপি যেমন ৩১ দফা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তেমনি জুলাই সনদের প্রতিও অঙ্গীকারবদ্ধ।

গণভোট ও সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, উচ্চকক্ষে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বসহ কিছু প্রস্তাব বিএনপির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই আনা হয়েছিল। এই বিষয়ে বিএনপি কখনোই একমত ছিল না। তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বিএনপির উদ্যোগেই এসেছে। তবে বিরোধীদল বিভিন্ন বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত ও উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার উল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান, এমাজউদ্দীন আহমদ রিসার্চ সেন্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারসহ শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজন বক্তব্য দেন। পরে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত হয়।

Ad 300x250

সম্পর্কিত