স্ট্রিম প্রতিবেদক

শহীদ ওয়াসিম আকরামের ফেসবুকে দেওয়া ‘চলে আসুন ১৬ শহরে’ আহ্বানে চট্টগ্রামবাসী রাজপথে নেমে এসেছিল বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
নাছির বলেন, ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম ১৬ জুলাইয়ের আগে তার ফেসবুকে লিখেছিলেন, “চলে আসুন ১৬ শহরে”। এটি ছিল শুধু একটি স্ট্যাটাস নয়, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে শেষ আহ্বান। তার এই বার্তা পুরো জাতিকে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।’
তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।
নাছির বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ওই বক্তব্যের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে ছাত্রদল ১৬ জুলাই সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। একই দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও কর্মসূচি ঘোষণা করে।’
তিনি বলেন, সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ শহীদ হন। এরপর আমাদের সহযোদ্ধা শহীদ ওয়াসিম আকরামও জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে নাছির বলেন, তাদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যাবে না। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের শহীদরা অন্যায়, দমন-পীড়ন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে থাকবেন।

শহীদ ওয়াসিম আকরামের ফেসবুকে দেওয়া ‘চলে আসুন ১৬ শহরে’ আহ্বানে চট্টগ্রামবাসী রাজপথে নেমে এসেছিল বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
নাছির বলেন, ‘শহীদ ওয়াসিম আকরাম ১৬ জুলাইয়ের আগে তার ফেসবুকে লিখেছিলেন, “চলে আসুন ১৬ শহরে”। এটি ছিল শুধু একটি স্ট্যাটাস নয়, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের বিরুদ্ধে শেষ আহ্বান। তার এই বার্তা পুরো জাতিকে, বিশেষ করে চট্টগ্রামের মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।’
তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মধ্য দিয়ে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের পরই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।
নাছির বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আন্দোলন দমাতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ওই বক্তব্যের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়। সেই হামলার প্রতিবাদে ছাত্রদল ১৬ জুলাই সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। একই দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও কর্মসূচি ঘোষণা করে।’
তিনি বলেন, সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আবু সাঈদ শহীদ হন। এরপর আমাদের সহযোদ্ধা শহীদ ওয়াসিম আকরামও জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে নাছির বলেন, তাদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যাবে না। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের শহীদরা অন্যায়, দমন-পীড়ন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে থাকবেন।

গুমের সব ঘটনার সত্য উদ্ঘাটন ও দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এই আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি এ-সংক্রান্ত পাইলট প্রকল্পে ভুলের হার মাত্র ১.২ শতাংশ বলে জানান।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত সংস্কার, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি সার্বভৌমত্ব, শ্রম ও শিক্ষা খাতের সংস্কারসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে নবগঠিত রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম অল্টারনেটিভস।
২৯ আগস্ট ২০২৬
ছয় মাসে হাজার হাজার মানুষ বেকার এবং দিনে গড়ে ১০ জন খুন হওয়া সরকারের ব্যর্থতারই সাক্ষ্য দেয় বলে মন্তব্য করেছেন চরমোনাই পীর ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
২৯ আগস্ট ২০২৬