leadT1ad

চুয়াডাঙ্গা-১

জোটের জট: জামায়াত না এনসিপি, কে পাচ্ছে চূড়ান্ত টিকিট?

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গা

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১: ৩০
স্ট্রিম কোলাজ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোটের আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও চুয়াডাঙ্গা-১ আসন নিয়ে এখনো কোনো সমাধান আসেনি। জোটের অধিকাংশ আসনের ফয়সালা হলেও এই আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মোল্লা ফারুক এহসান নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থেকে ভোটের মাঠে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই জোটের শীর্ষ পর্যায়ের শেষ সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।

জোট সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১১ দলীয় জোটের আসন বণ্টনের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী, জোটের প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী ১৭৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, এলডিপি ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি এবং নেজামে ইসলামী পার্টি ২টি আসন পেয়েছে। তবে ওই দিন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো আসন ঘোষণা করা হয়নি।

জোটের শরিকদের মধ্যে অধিকাংশ আসনের ঘোষণা এলেও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনটি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। ফলে এই আসনে জামায়াত ও এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে এক ধরনের ‘রশি টানাটানি’ চলছে।

এনসিপির প্রার্থী মোল্লা ফারুক এহসান বলেন, ‘জোটের আসন ভাগাভাগিতে এনসিপি যে ৩০টি আসন পেয়েছে, তার মধ্যে চুয়াডাঙ্গা-১ ছিল। তবে সবশেষ তালিকায় এই আসনে এনসিপি বা জামায়াত—কারও নামই চূড়ান্ত হয়ে আসেনি। এখনো পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে যে প্রতীকটি ‘শাপলা কলি’র (এনসিপি) দিকেই থাকবে। তবে জোটের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। নীতিনির্ধারকরা যদি জামায়াতকে মনোনয়ন দেন, তবে আমরা তাদের হয়েই কাজ করব।’

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘জোটের পক্ষ থেকে আমাকে নির্বাচনী তৎপরতা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থীই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—এমন বার্তাই আমরা পেয়েছি। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় আছি।’

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের এই অমীমাংসিত পরিস্থিতি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি করলেও দুই প্রার্থীই দাবি করেছেন, জোটের বৃহত্তর স্বার্থে কেন্দ্র যে সিদ্ধান্ত নেবে তাঁরা তা মেনে নেবেন। তবে চূড়ান্ত ঘোষণা না আসা পর্যন্ত মাঠ ছাড়তে নারাজ কোনো পক্ষই।

Ad 300x250

সম্পর্কিত