স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রশাসনিক রদবদল, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দাবিতে প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রম আমাদের কাছে প্রভাবিত (ইনফ্লুয়েন্সড) মনে হচ্ছে। যেমন—বিএনসিসিকে ভোটকেন্দ্রে না রাখার বিষয়টি একটি দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সামনে এসেছে। এ বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
আসিফ মাহমুদ জানান, বৈঠকে ইসি জানিয়েছে যে তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। এ প্রসঙ্গে এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট দাবি—বিএনসিসিকে ভোটকেন্দ্রে রাখতে হবে। এবারের নির্বাচন একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতিরিক্ত ফোর্স থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
প্রশাসনিক রদবদল নিয়েও ইসির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনিক রদবদল স্বাভাবিক ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় হওয়ার কথা থাকলেও একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী কোনো কর্মকর্তার বিষয়ে প্রস্তাব দিলেই ওই কর্মকর্তা সেদিন বা পরদিনই সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে প্রত্যাহার হয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা যখন বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিচ্ছেন, সেসব অভিযোগের কোনো জবাব (রিপ্লাই) আমরা পাচ্ছি না—এটাও আমাদের জন্য উদ্বেগজনক।’
মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। কোথাও কোথাও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, নির্দিষ্ট দলে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি কিছু ব্যবসায়ী গ্রুপকে ফোন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগও আমরা পেয়েছি।’
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিপি ইতিমধ্যে ইসির কাছে কিছু নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে অপসারণ ও বদলির দাবি জানিয়েছে বলে জানান তিনি।
জোটের মতে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে ইসিকে সব দলের প্রতি সমান আচরণ করতে হবে এবং প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে।

প্রশাসনিক রদবদল, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কিছু সিদ্ধান্ত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দাবিতে প্রভাবিত বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।
আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এসব অভিযোগ করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কিছু কার্যক্রম আমাদের কাছে প্রভাবিত (ইনফ্লুয়েন্সড) মনে হচ্ছে। যেমন—বিএনসিসিকে ভোটকেন্দ্রে না রাখার বিষয়টি একটি দলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সামনে এসেছে। এ বিষয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।’
আসিফ মাহমুদ জানান, বৈঠকে ইসি জানিয়েছে যে তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করছে। এ প্রসঙ্গে এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, ‘আমাদের স্পষ্ট দাবি—বিএনসিসিকে ভোটকেন্দ্রে রাখতে হবে। এবারের নির্বাচন একটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অতিরিক্ত ফোর্স থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
প্রশাসনিক রদবদল নিয়েও ইসির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসনিক রদবদল স্বাভাবিক ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় হওয়ার কথা থাকলেও একটি দলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী কোনো কর্মকর্তার বিষয়ে প্রস্তাব দিলেই ওই কর্মকর্তা সেদিন বা পরদিনই সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে প্রত্যাহার হয়ে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীরা যখন বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিচ্ছেন, সেসব অভিযোগের কোনো জবাব (রিপ্লাই) আমরা পাচ্ছি না—এটাও আমাদের জন্য উদ্বেগজনক।’
মাঠ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘পুলিশ ও জনপ্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা মাঠপর্যায়ে অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। কোথাও কোথাও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, নির্দিষ্ট দলে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি কিছু ব্যবসায়ী গ্রুপকে ফোন করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টার অভিযোগও আমরা পেয়েছি।’
এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এনসিপি ইতিমধ্যে ইসির কাছে কিছু নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে অপসারণ ও বদলির দাবি জানিয়েছে বলে জানান তিনি।
জোটের মতে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে ইসিকে সব দলের প্রতি সমান আচরণ করতে হবে এবং প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৫ মিনিট আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে