১১ দলে টানাপড়েন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি ১১ দল। ফলে শরিকদের চূড়ান্ত আসন ঘোষণার জন্য বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন ডেকেও, তা স্থগিত করে। মূলত চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে আসন নিয়ে টানাপড়েন দেখা দিয়েছে।
অবশ্য মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত এই নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন। বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে। নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। হাতে সময় রয়েছে। এর মধ্যে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
এর আগে গণমাধ্যমে পাঠানো গাজী আতাউরের সই করা বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসলামপন্থার ‘এক বক্স নীতি’ বহাল রাখতে আলোচনা চলমান। এই নীতিতে ইসলামী আন্দোলন এখনো অটল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।
অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সহকর্মীদের ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বেলা পৌনে ৪টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি লেখেন, প্রিয় সহকর্মী, বহু ত্যাগ এবং কুরবানির সিঁড়ি বেয়ে প্রিয় সংগঠন ও জাতি মহান আল্লাহ তাআলার একান্ত মেহেরবানিতে এ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। সময়টা জাতীয় জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঁক। এ সময়ে সবাইকে সর্বোচ্চ প্রজ্ঞা ও ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে, দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কারও ব্যাপারেই কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
জামায়াত আমির আরও লেখেন, আমাদের উদ্দেশ্য– একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন। আশা করি, আমরা সবাই সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেব।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে ১১ দল সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদের সই করা বার্তায় বলা হয়, বেলা সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে এই সংবাদ সম্মেলন হবে। তবে সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলন থাকবে কিনা, তা দলটি স্পষ্ট করেনি।
এ ব্যাপারে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘সমঝোতায় থাকা না থাকা নিয়ে আজকালের মধ্যে আমাদের আমির পীর সাহেব চরমোনাই একটি সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।’ তিনি এও জানান, ইসলামী আন্দোলনের ১১ দলে থাকা বা না থাকা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নিজেরা বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরপর জরুরি বৈঠক করে ইসলামী আন্দোলন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় গাজী আতাউর রহমান গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পরে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামপন্থীদের একবক্স নীতির ঘোষণা করেন। সেই নীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখনো অটল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের পারস্পরিক আলোচনা চলমান। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই একবক্স নীতির রুপরেখা ও ধরন পরিষ্কার হবে।’
একই সময়ে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান ইসলামী আন্দোলন ১১ দলীয় সমঝোতায় শেষ পর্যন্ত থাকবে কিনা? এ সময় স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে গাজী আতাউর বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।

আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি ১১ দল। ফলে শরিকদের চূড়ান্ত আসন ঘোষণার জন্য বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন ডেকেও, তা স্থগিত করে। মূলত চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সঙ্গে আসন নিয়ে টানাপড়েন দেখা দিয়েছে।
অবশ্য মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় পর্যন্ত এই নির্বাচনী সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন। বুধবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে। নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি। হাতে সময় রয়েছে। এর মধ্যে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।
এর আগে গণমাধ্যমে পাঠানো গাজী আতাউরের সই করা বিবৃতিতে জানানো হয়, ইসলামপন্থার ‘এক বক্স নীতি’ বহাল রাখতে আলোচনা চলমান। এই নীতিতে ইসলামী আন্দোলন এখনো অটল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।
অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করার পর সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সহকর্মীদের ধৈর্যের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বেলা পৌনে ৪টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি লেখেন, প্রিয় সহকর্মী, বহু ত্যাগ এবং কুরবানির সিঁড়ি বেয়ে প্রিয় সংগঠন ও জাতি মহান আল্লাহ তাআলার একান্ত মেহেরবানিতে এ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। সময়টা জাতীয় জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বাঁক। এ সময়ে সবাইকে সর্বোচ্চ প্রজ্ঞা ও ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে, দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। কারও ব্যাপারেই কোনো ধরনের বিরূপ আচরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
জামায়াত আমির আরও লেখেন, আমাদের উদ্দেশ্য– একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন। আশা করি, আমরা সবাই সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেব।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় গণমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে ১১ দল সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদের সই করা বার্তায় বলা হয়, বেলা সাড়ে ৪টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে এই সংবাদ সম্মেলন হবে। তবে সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলন থাকবে কিনা, তা দলটি স্পষ্ট করেনি।
এ ব্যাপারে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব শেখ ফজলে বারী মাসউদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘সমঝোতায় থাকা না থাকা নিয়ে আজকালের মধ্যে আমাদের আমির পীর সাহেব চরমোনাই একটি সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি স্পষ্ট করবেন।’ তিনি এও জানান, ইসলামী আন্দোলনের ১১ দলে থাকা বা না থাকা নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নিজেরা বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরপর জরুরি বৈঠক করে ইসলামী আন্দোলন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান প্রমুখ।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যায় গাজী আতাউর রহমান গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়ে বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের পরে দেশ, জাতি ও ইসলামের স্বার্থে পীর সাহেব চরমোনাই ইসলামপন্থীদের একবক্স নীতির ঘোষণা করেন। সেই নীতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখনো অটল থেকে কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের পারস্পরিক আলোচনা চলমান। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই একবক্স নীতির রুপরেখা ও ধরন পরিষ্কার হবে।’
একই সময়ে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান ইসলামী আন্দোলন ১১ দলীয় সমঝোতায় শেষ পর্যন্ত থাকবে কিনা? এ সময় স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে গাজী আতাউর বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময়ের মধ্যে যেকোনো কিছু ঘটতে পারে।

১১ দলীয় ঐক্য অটুট রাখার স্বার্থে ন্যায্যতার ভিত্তিতে আসন সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছে খেলাফত মজলিস। দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসের শূরার জরুরি অধিবেশন শেষে এই মন্তব্য করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
সারা দেশের মতো বগুড়া জেলাজুড়ে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। তবে এবারের নির্বাচনে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে বগুড়া-৬ (সদর) আসন। এই আসনে প্রথমবারের মতো প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলের শীর্ষ নেতাকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে সদর উপজেলার ৪ লাখ ৪৯ হাজার ১৫২ জন ভোটারের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কোনো নির্বাচনী অফিস বা রাজনৈতিক অফিসে কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে দলটি।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ঢাকা -১১ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের খুলনা-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী চায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এমন দাবি করেছেন এনসিপি নেতা আরিফুর রহমান তুহিন।
৪ ঘণ্টা আগে