স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে, তবে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়া হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায় সরকারকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলটির নেতারা বলেছেন, ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই; দেশ যদি ফ্যাসিবাদের দিকে পা বাড়ায়, তবে এনসিপি রাজপথে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলের শীর্ষ নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও সালেহ উদ্দীন সিফাতসহ অন্য নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ভিত্তিতে যে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে পরিষ্কার বলা আছে—যারা নির্বাচিত হবেন, তারা একইসাথে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। ১৮০ কার্যদিবস পর এই পরিষদ বিলুপ্ত হবে। কিন্তু বিএনপির মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে বক্তব্য দিচ্ছেন—তারা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি—তা অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর।’
তুষার আরও বলেন, ‘গণভোটের মাধ্যমে জনগণ জুলাই সনদকে অনুমোদন দিয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া কোনো সরকারের অন্য কোনো পথ নেই। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে যে পরিণতি ভোগ করেছে, বর্তমান সরকার গণভোট অবজ্ঞা করলে জনগণ তাদের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেবে।’
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে, বিশেষ করে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগকে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, যোগ্য ব্যক্তিদের পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে আওয়ামীপন্থী নীল দলের কর্মকর্তারা এখন বিএনপিপন্থী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে গভর্নরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার গঠনের পরপরই গণমাধ্যমের অনেককে হয়রানি করা হচ্ছে এবং জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে বাসসের প্রধানকে হেনস্তা করে বিদায় করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রীদের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলোও আশাব্যঞ্জক নয়। এসব ঘটনা ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি করছে।’
দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও কাউন্সিলের বিষয়ে তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের কারণে কাউন্সিলে কিছুটা বিলম্ব হলেও অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাউন্সিল সম্পন্ন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘হিস্ট্রি ওয়াল’, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ফটো বুথের আয়োজন করা হবে বলে জানান আরিফুল ইসলাম।

সরকার যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে, তবে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দেওয়া হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায় সরকারকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
দলটির নেতারা বলেছেন, ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই; দেশ যদি ফ্যাসিবাদের দিকে পা বাড়ায়, তবে এনসিপি রাজপথে থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলের শীর্ষ নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও সালেহ উদ্দীন সিফাতসহ অন্য নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার অভিযোগ করে বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ভিত্তিতে যে নির্বাচন হয়েছে, সেখানে পরিষ্কার বলা আছে—যারা নির্বাচিত হবেন, তারা একইসাথে সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হবেন। ১৮০ কার্যদিবস পর এই পরিষদ বিলুপ্ত হবে। কিন্তু বিএনপির মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যে বক্তব্য দিচ্ছেন—তারা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি—তা অত্যন্ত বিভ্রান্তিকর।’
তুষার আরও বলেন, ‘গণভোটের মাধ্যমে জনগণ জুলাই সনদকে অনুমোদন দিয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া কোনো সরকারের অন্য কোনো পথ নেই। দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলেও জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে যে পরিণতি ভোগ করেছে, বর্তমান সরকার গণভোট অবজ্ঞা করলে জনগণ তাদের ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেবে।’
সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে, বিশেষ করে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার সমালোচনা করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগকে নজিরবিহীন ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের সময়ে আমরা রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের কথা বলেছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, যোগ্য ব্যক্তিদের পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে আওয়ামীপন্থী নীল দলের কর্মকর্তারা এখন বিএনপিপন্থী কর্মকর্তাদের সঙ্গে মিলে গভর্নরের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, যা আগে কখনো দেখা যায়নি।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার গঠনের পরপরই গণমাধ্যমের অনেককে হয়রানি করা হচ্ছে এবং জোরপূর্বক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে বাসসের প্রধানকে হেনস্তা করে বিদায় করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সিনিয়র রাজনীতিবিদ ও মন্ত্রীদের সাম্প্রতিক মন্তব্যগুলোও আশাব্যঞ্জক নয়। এসব ঘটনা ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার আশঙ্কা তৈরি করছে।’
দলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও কাউন্সিলের বিষয়ে তিনি জানান, জাতীয় নির্বাচনের কারণে কাউন্সিলে কিছুটা বিলম্ব হলেও অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাউন্সিল সম্পন্ন করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে।
এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘হিস্ট্রি ওয়াল’, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও ফটো বুথের আয়োজন করা হবে বলে জানান আরিফুল ইসলাম।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এখন আলোচনায় সিটি করপোরেশন নির্বাচন। রাজধানী ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রায় এক বছর আগে থেকে সিটি নির্বাচনের কাজ শুরু করা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এখন পর্যন্ত মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি।
৩৩ মিনিট আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসন বগুড়া-৬ থেকে উপনির্বাচনে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রেজাউল করিম বাদশাকে। যিনি বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, পুলিশ হত্যার বিচারের আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত যোদ্ধাদের বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনের পর তৎপরতা বাড়িয়েছে কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞায় থাকা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। কার্যক্রম বাড়লেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কাঠামোতে আমূল পরিবর্তনে আগে সরকারে থাকা দল বিএনপির কাছ থেকে ছাড় পাবে না।
১ দিন আগে