স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই জুলাই মাসের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পটভূমি রচনা করেছেন।’
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে জাতীয়তাবাদী প্রকৌশলীদের সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (অ্যাব)-এর নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘তারেক রহমান জুলাইয়ের আন্দোলন এবং ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতনের যুগান্তকারী আন্দোলনের পটভূমি রচনা করেছেন। তিনি দূরে থেকেও নেতৃত্ব দিয়ে গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। আমরা সেই ধারাতেই রাজনীতি করছি।’
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীরা চক্রান্ত চালিয়ে এসেছে, সেই চক্রান্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে। তারা নানা কৌশলে এদেশের জাতীয়তাবাদকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ অন্ধকার দূর করে জাতীয়তাবাদের পতাকা এবং স্বাধীনতার পতাকাকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখবে।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের আন্দোলন-পরবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। সবাই তাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম ভারতে অসুরের মূর্তি বানানো হয়েছে ড. ইউনূসের চেহারা দিয়ে। এটি অত্যন্ত নিম্নরুচি ও অপসংস্কৃতির পরিচয়।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলেই বিশ্বাস করি। জনগণও প্রস্তুত। তাই নতুন কোনো ইস্যু তৈরি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের প্রতি আমাদের দলের আস্থা আছে।আমরা আশা করি, তিনি এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেবেন যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং কোনো দলের আজ্ঞাবহ হবে না।’
প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের অনুগত কর্মকর্তাদের বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। রিজভী বলেন, ‘আজকে প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলের মনোভাবাপন্ন লোকজনদের খুব কৌশলে বসানো হচ্ছে। এতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জনগণ তা প্রত্যক্ষ করছে।’
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করার নানা প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু হিন্দু-মুসলমান, আলেম-ওলামা, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদরাসার ছাত্র সবাই একসঙ্গে পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছে। এটাই আমাদের ঐতিহ্য, সম্প্রীতির ঐতিহ্য।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই জুলাই মাসের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পটভূমি রচনা করেছেন।’
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকালে জাতীয়তাবাদী প্রকৌশলীদের সংগঠন ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (অ্যাব)-এর নবগঠিত কমিটির সদস্যদের নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘তারেক রহমান জুলাইয়ের আন্দোলন এবং ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদের পতনের যুগান্তকারী আন্দোলনের পটভূমি রচনা করেছেন। তিনি দূরে থেকেও নেতৃত্ব দিয়ে গোটা জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। আমরা সেই ধারাতেই রাজনীতি করছি।’
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার জন্য আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদীরা চক্রান্ত চালিয়ে এসেছে, সেই চক্রান্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে। তারা নানা কৌশলে এদেশের জাতীয়তাবাদকে বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ অন্ধকার দূর করে জাতীয়তাবাদের পতাকা এবং স্বাধীনতার পতাকাকে দৃঢ়ভাবে ধরে রাখবে।’
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের আন্দোলন-পরবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। সবাই তাকে সমর্থন করেছে। কিন্তু আমরা দেখতে পেলাম ভারতে অসুরের মূর্তি বানানো হয়েছে ড. ইউনূসের চেহারা দিয়ে। এটি অত্যন্ত নিম্নরুচি ও অপসংস্কৃতির পরিচয়।’
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী ফেব্রুয়ারিতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন সেই প্রস্তুতি নিয়েছে বলেই বিশ্বাস করি। জনগণও প্রস্তুত। তাই নতুন কোনো ইস্যু তৈরি করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের প্রতি আমাদের দলের আস্থা আছে।আমরা আশা করি, তিনি এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেবেন যারা নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করবে এবং কোনো দলের আজ্ঞাবহ হবে না।’
প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে একটি ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের অনুগত কর্মকর্তাদের বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপির এই নেতা। রিজভী বলেন, ‘আজকে প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক দলের মনোভাবাপন্ন লোকজনদের খুব কৌশলে বসানো হচ্ছে। এতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। জনগণ তা প্রত্যক্ষ করছে।’
দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উদাহরণ তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করার নানা প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু হিন্দু-মুসলমান, আলেম-ওলামা, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, মাদরাসার ছাত্র সবাই একসঙ্গে পূজামণ্ডপ পাহারা দিয়েছে। এটাই আমাদের ঐতিহ্য, সম্প্রীতির ঐতিহ্য।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিনের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দল ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রার্থী, তাদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থকরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে