স্ট্রিম প্রতিবেদক

সদ্য সরকারে বসা বিএনপির ‘ছাড় দেওয়ার মানসিকতা’র কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সক্রিয় হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দলটির জন্য সুযোগ তৈরির ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি উদ্বেগও জানিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের পাঠানো সংবাদ বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালিয়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে সম্প্রতি স্লোগান দেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ দল। তাদের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার এখতিয়ার নেই। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আরও কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মামলা থেকে মুক্তি, নিরাপত্তা ও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, তাদের এই ধরনের বক্তব্যের সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ দলটি আবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষত, শাসক দলের ‘ছাড় দেওয়ার মানসিকতা’ তাদের প্রত্যাশাকে উস্কে দিচ্ছে।
জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় অফিস খুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে এবং ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে জনগণের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দেশে আবারও অতীতের জুলুম-নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তবে সরকার ও প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে কোনো ধরনের সুযোগ দেওয়া জাতির জন্য আত্মঘাতী ছাড়া আর কিছু নয় জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দেশবাসীর সামনে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

সদ্য সরকারে বসা বিএনপির ‘ছাড় দেওয়ার মানসিকতা’র কারণে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সক্রিয় হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দলটির জন্য সুযোগ তৈরির ঘটনায় প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি উদ্বেগও জানিয়েছে দলটি।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের পাঠানো সংবাদ বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালিয়ে দেওয়া আওয়ামী লীগের কার্যালয় খুলে সম্প্রতি স্লোগান দেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ একটি নিষিদ্ধ দল। তাদের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার এখতিয়ার নেই। তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ আরও কয়েকজন নেতা প্রকাশ্যে বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মামলা থেকে মুক্তি, নিরাপত্তা ও বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, তাদের এই ধরনের বক্তব্যের সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ দলটি আবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষত, শাসক দলের ‘ছাড় দেওয়ার মানসিকতা’ তাদের প্রত্যাশাকে উস্কে দিচ্ছে।
জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আওয়ামী লীগ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় অফিস খুলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিচ্ছে এবং ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করছে। এ নিয়ে জনগণের মধ্যে ক্ষোভের পাশাপাশি উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দেশে আবারও অতীতের জুলুম-নির্যাতনের পুনরাবৃত্তির শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। তবে সরকার ও প্রশাসনের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
পতিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে কোনো ধরনের সুযোগ দেওয়া জাতির জন্য আত্মঘাতী ছাড়া আর কিছু নয় জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দেশবাসীর সামনে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে