জামায়াত ও হেফাজতের নিন্দা
স্ট্রিম প্রতিবেদক

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’– স্লোগানকে শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্য কেবল অসঙ্গতই নয় বরং ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।’
বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া স্লোগান নয়; এটি শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। দেশের ছাত্র-জনতা যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তখন তাদের কণ্ঠরোধ করার ভাষাগত যুক্তি দাঁড় করানো গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
জুবায়ের বলেন, ইনকিলাব শব্দটি আরবি উৎসভিত্তিক হলেও উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বহু দশক ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাষা কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। ভাষা জনগণের ব্যবহারে সমৃদ্ধ, বিকশিত ও আপন রূপ লাভ করে।
তিনি বলেন, বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের অবস্থানে পরিণত রূপ লাভ করেছে। অতএব, কোনো শব্দের উৎপত্তিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘বাংলাবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ভাষার প্রশ্নে বিভাজন সৃষ্টি করে জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপচেষ্টা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কাম্য নয়।
জুবায়ের বলেন, মন্ত্রী বলেছেন– ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান উচ্চারিত হলে আমার রক্তক্ষরণ হয়’। অথচ জনগণের অধিকার হরণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজির মতো ফৌজদারি অপরাধ, ঘুষ-দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম এবং বৈষম্য দেশে চরম আকার ধারণ করা সত্ত্বেও আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায় না। এগুলো কি আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট নয়? প্রকৃতপক্ষে এগুলোই তো জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আপনার মতো লোকদের হৃদয়ে এগুলো পৌঁছায় না। দেশবাসীর প্রত্যাশা, জনগণের ন্যায্য প্রতিবাদের ভাষাকে দোষারোপ না করে বরং জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব।
বিবৃতিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব, আমাদের আত্মপরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। বাংলা ভাষার ভেতরে বহুমাত্রিক শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় রয়েছে। কোনো শব্দ বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা পরিহার করতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আমরা অবিলম্বে মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় জনগণই এর যথাযথ জবাব দেবে। আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করুন।
ইনকিলাব, ইনসাফ, আজাদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাষাসম্পদ: হেফাজতে ইসলাম
‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’, ‘আজাদি’— এই শব্দগুলোকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাষাসম্পদ আখ্যায়িত করে জনপরিসরে ব্যাপকভাবে চর্চার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর বিবৃতিতে এই আহ্বান জানিয়েছে হেফাজত।
এতে বলা হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি– পরাজিত ও চিহ্নিত কালচারাল ফ্যাসিস্টরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে জনমানসে দ্রোহের স্ফূলিঙ্গ ছড়ানো কিছু ঐতিহাসিক আরবি-ফারসি শব্দের বিরুদ্ধে বিষোদগারে নেমেছেন। এরা মহান জুলাই বিপ্লবের শত্রু। এদের ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলার ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে আমরা জনপরিসরে ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদী’ শব্দগুলো ব্যাপকভাবে চর্চার আহ্বান জানাচ্ছি।
আজিজুল ইসলামাবাদী বলেন, দুঃখজনকভাবে ক্ষমতাসীন দলের এক মন্ত্রীকেও দেখা গেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তুঙ্গ স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’-এর বিরুদ্ধে কথা বলতে। প্রকৃতপক্ষে, গোলামি মানসিকতার কারও পক্ষে জুলাইকে ধারণ করতে পারার কথা নয়। জুলাইর গণস্বীকৃত ঐতিহাসিক স্লোগানগুলোকে যারা সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি থেকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাইর ছাত্র-জনতাকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সরব থাকতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইংরেজি শব্দের মতো অগণিত আরবি-ফারসি-উর্দু শব্দও বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে; প্রাণ দিয়েছে। বিশেষ করে উপরে উল্লেখিত শব্দগুলো ব্রিটিশবিরোধী আজাদি আন্দোলন থেকে শুরু করে ইতিহাসের নানা পর্বে এই জনপদের গণমানুষের লড়াই-সংগ্রামকে রাজনৈতিক ভাষা ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা জুলাই পেয়েছি। কিন্তু ঔপনিবেশিক ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ব্রাহ্মণ্যবাদী প্রেতাত্মা ভর করা সাম্প্রদায়িক কালচারাল এলিটরা আজ বাংলা ভাষার ফ্যাসিবাদবিরোধী নতুন প্রাণশক্তি নষ্ট করতে তৎপর হয়েছে।
আজিজুল ইসলামাবাদী বলেন, লক্ষণীয় হলো– তারা কখনো ‘শহীদ মিনার’ কিংবা ‘আওয়ামী’ শব্দের পরিবর্তন চাননি। কিন্তু যেসব ঐতিহাসিক আরবি-ফারসি শব্দনির্ভর স্লোগান তাদের উগ্র সেক্যুলার বাঙালি জাতিবাদের জন্য হুমকি, সেগুলোর বিরুদ্ধে তারা আজ মুখোশ খুলে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। এই পরাজিত কালচারাল ফ্যাসিস্টরা যতবার হাঙ্গামা তৈরির চেষ্টা করবে, আমরা ততবার ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের রুখে দেব।

‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’– স্লোগানকে শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক বলে মন্তব্য করেছে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন, বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্য কেবল অসঙ্গতই নয় বরং ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও গণআকাঙ্ক্ষার বাস্তবতাকে অস্বীকার করার শামিল।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা প্রশাসনের আলোচনা সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ইনকিলাব জিন্দাবাদ চলবে না। এগুলোর সঙ্গে বাংলার কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা।’
বিদ্যুৎমন্ত্রীর বক্তব্যে গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াতের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর একচেটিয়া স্লোগান নয়; এটি শোষণ, অন্যায় ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। দেশের ছাত্র-জনতা যখন অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়, তখন তাদের কণ্ঠরোধ করার ভাষাগত যুক্তি দাঁড় করানো গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।
জুবায়ের বলেন, ইনকিলাব শব্দটি আরবি উৎসভিত্তিক হলেও উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম এবং গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বহু দশক ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ভাষা কোনো সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ নয়। ভাষা জনগণের ব্যবহারে সমৃদ্ধ, বিকশিত ও আপন রূপ লাভ করে।
তিনি বলেন, বাংলা ভাষা নিজেই তদ্ভব, তৎসম, আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, ইংরেজিসহ অসংখ্য ভাষা থেকে শব্দ গ্রহণ করে আজকের অবস্থানে পরিণত রূপ লাভ করেছে। অতএব, কোনো শব্দের উৎপত্তিকে কেন্দ্র করে তাকে ‘বাংলাবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া ভাষাবিজ্ঞানের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। ভাষার প্রশ্নে বিভাজন সৃষ্টি করে জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করার অপচেষ্টা কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছে কাম্য নয়।
জুবায়ের বলেন, মন্ত্রী বলেছেন– ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ স্লোগান উচ্চারিত হলে আমার রক্তক্ষরণ হয়’। অথচ জনগণের অধিকার হরণ, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, টেন্ডারবাজির মতো ফৌজদারি অপরাধ, ঘুষ-দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অনিয়ম এবং বৈষম্য দেশে চরম আকার ধারণ করা সত্ত্বেও আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায় না। এগুলো কি আপনার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট নয়? প্রকৃতপক্ষে এগুলোই তো জাতির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটানোর জন্য যথেষ্ট। কিন্তু আপনার মতো লোকদের হৃদয়ে এগুলো পৌঁছায় না। দেশবাসীর প্রত্যাশা, জনগণের ন্যায্য প্রতিবাদের ভাষাকে দোষারোপ না করে বরং জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াই সরকারের দায়িত্ব।
বিবৃতিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বাস করে, বাংলা ভাষা আমাদের গৌরব, আমাদের আত্মপরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। বাংলা ভাষার ভেতরে বহুমাত্রিক শব্দভাণ্ডার ও ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় রয়েছে। কোনো শব্দ বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে জাতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা পরিহার করতে আমরা সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। একই সঙ্গে আমরা অবিলম্বে মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় জনগণই এর যথাযথ জবাব দেবে। আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করুন।
ইনকিলাব, ইনসাফ, আজাদি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাষাসম্পদ: হেফাজতে ইসলাম
‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’, ‘আজাদি’— এই শব্দগুলোকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাষাসম্পদ আখ্যায়িত করে জনপরিসরে ব্যাপকভাবে চর্চার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো সংগঠনের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর বিবৃতিতে এই আহ্বান জানিয়েছে হেফাজত।
এতে বলা হয়, আমরা দেখতে পাচ্ছি– পরাজিত ও চিহ্নিত কালচারাল ফ্যাসিস্টরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে জনমানসে দ্রোহের স্ফূলিঙ্গ ছড়ানো কিছু ঐতিহাসিক আরবি-ফারসি শব্দের বিরুদ্ধে বিষোদগারে নেমেছেন। এরা মহান জুলাই বিপ্লবের শত্রু। এদের ইসলামবিদ্বেষী সেক্যুলার ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে আমরা জনপরিসরে ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’ ও ‘আজাদী’ শব্দগুলো ব্যাপকভাবে চর্চার আহ্বান জানাচ্ছি।
আজিজুল ইসলামাবাদী বলেন, দুঃখজনকভাবে ক্ষমতাসীন দলের এক মন্ত্রীকেও দেখা গেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের উত্তুঙ্গ স্লোগান ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’-এর বিরুদ্ধে কথা বলতে। প্রকৃতপক্ষে, গোলামি মানসিকতার কারও পক্ষে জুলাইকে ধারণ করতে পারার কথা নয়। জুলাইর গণস্বীকৃত ঐতিহাসিক স্লোগানগুলোকে যারা সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধি থেকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে জুলাইর ছাত্র-জনতাকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে সরব থাকতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইংরেজি শব্দের মতো অগণিত আরবি-ফারসি-উর্দু শব্দও বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করেছে; প্রাণ দিয়েছে। বিশেষ করে উপরে উল্লেখিত শব্দগুলো ব্রিটিশবিরোধী আজাদি আন্দোলন থেকে শুরু করে ইতিহাসের নানা পর্বে এই জনপদের গণমানুষের লড়াই-সংগ্রামকে রাজনৈতিক ভাষা ও প্রেরণা জুগিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা জুলাই পেয়েছি। কিন্তু ঔপনিবেশিক ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ব্রাহ্মণ্যবাদী প্রেতাত্মা ভর করা সাম্প্রদায়িক কালচারাল এলিটরা আজ বাংলা ভাষার ফ্যাসিবাদবিরোধী নতুন প্রাণশক্তি নষ্ট করতে তৎপর হয়েছে।
আজিজুল ইসলামাবাদী বলেন, লক্ষণীয় হলো– তারা কখনো ‘শহীদ মিনার’ কিংবা ‘আওয়ামী’ শব্দের পরিবর্তন চাননি। কিন্তু যেসব ঐতিহাসিক আরবি-ফারসি শব্দনির্ভর স্লোগান তাদের উগ্র সেক্যুলার বাঙালি জাতিবাদের জন্য হুমকি, সেগুলোর বিরুদ্ধে তারা আজ মুখোশ খুলে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছে। এই পরাজিত কালচারাল ফ্যাসিস্টরা যতবার হাঙ্গামা তৈরির চেষ্টা করবে, আমরা ততবার ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের রুখে দেব।

শিশির মনির বলেছেন, ‘যেহেতু স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকারের পদ খালি আছে, সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদ ও কার্যপ্রণালি বিধি ৮ থেকে ১০ মোতাবেক যে কোনো সংসদ সদস্য স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সে অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন।’
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাঁকে সিসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ে গিয়ে স্লোগান দিয়েছেন নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় তাদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখা যায়।
১ দিন আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘সংসদ সদস্যদের শপথ হয়েছে, আমরা শপথ নিয়েছি। গণভোটে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। খুব স্বাভাবিক কারণেই পার্লামেন্টে বিলটা রেইজ হবে। হ্যাঁ এর শপথের কোনও প্রয়োজন নেই, হ্যাঁ অটোমেটিক কার্যকর হবে; এটাই জুলাই সনদ।’
১ দিন আগে