স্ট্রিম সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল 'সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট'। এই প্যানেলের পাঁচ বস্তা খাবার জব্দ করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম খালেদা জিয়া হলে এ অভিযান চালানো হয়।
চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাকসুতে প্রার্থী আহসান সাদিক রাফি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি তুলে ধরছি, কিন্তু প্রশাসন তখন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ আজকে ঘটনাস্থলে হাতেনাতে প্রমাণসহ ধরা পড়ার পরও, আচরণবিধিতে স্পষ্ট জরিমানার বিধান থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন কোনো জরিমানা আরোপ করেনি—শুধু সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।’
সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের এজিএস পদপ্রার্থী ফাহিম রেজা বলেন, ‘আচরণবিধির কোথাও উপঢৌকন নিষিদ্ধ করা হয়নি। আজকের পাঁচ বস্তা খাবার জব্দ নয়, বরং ফেরত পাঠানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি। এই আচরণবিধিকে আমরা অসম্পূর্ণ মনে করি এবং এর দায় সম্পূর্ণ প্রশাসনের।’
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, ‘তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। হাতেনাতে ধরার পর আমরা তাদের সতর্ক করেছি। আমরা কোনো মোবাইল কোর্ট নই যে শাস্তি দেব। তবে আমাদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে খাবারগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’
রাবি শিবির সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, শিবির সমর্থিত প্যানেল এখন পর্যন্ত কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেনি। ছাত্রদলের প্যানেলসহ বিভিন্ন প্রার্থী বিভিন্ন সময় আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে, কিন্তু সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মনে হয়, এটা পক্ষপাতদুষ্টতা থেকেই করা হয়েছে। আচরণবিধিতে প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা দেওয়া নেই, তাই যে যার সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যয় করবে।’
মুজাহিদ ফয়সাল আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার আমাদের এক প্রার্থীকে বলেছেন, আপনার আয়ের উৎস কী? আমি মনে করি, তিনি তা বলার অধিকার রাখেন না। আর নাস্তার যে সৌজন্য, এটা শুধুমাত্র আমরাই করিনি, অন্যান্য অনেক প্রার্থীও করেছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আর আপনারা যদি প্রশ্ন করেন আমাদের টাকার উৎস কী, তাহলে বলব, আমরা আমাদের নিজেদের খরচের একটি অংশ নির্বাচন তহবিলে দিই। আমরা ওপেন চ্যালেঞ্জ করতে পারি। আমাদের টাকা কোনো অবৈধ টাকা না।’
উল্লেখ্য, পূর্ণাঙ্গ তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং দিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল 'সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট'। এই প্যানেলের পাঁচ বস্তা খাবার জব্দ করেছে নির্বাচন কমিশন।
আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম খালেদা জিয়া হলে এ অভিযান চালানো হয়।
চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী ও রাকসুতে প্রার্থী আহসান সাদিক রাফি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়টি তুলে ধরছি, কিন্তু প্রশাসন তখন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ আজকে ঘটনাস্থলে হাতেনাতে প্রমাণসহ ধরা পড়ার পরও, আচরণবিধিতে স্পষ্ট জরিমানার বিধান থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন কোনো জরিমানা আরোপ করেনি—শুধু সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা উচিত।’
সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের এজিএস পদপ্রার্থী ফাহিম রেজা বলেন, ‘আচরণবিধির কোথাও উপঢৌকন নিষিদ্ধ করা হয়নি। আজকের পাঁচ বস্তা খাবার জব্দ নয়, বরং ফেরত পাঠানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি। এই আচরণবিধিকে আমরা অসম্পূর্ণ মনে করি এবং এর দায় সম্পূর্ণ প্রশাসনের।’
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা কামাল আকন্দ বলেন, ‘তারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। হাতেনাতে ধরার পর আমরা তাদের সতর্ক করেছি। আমরা কোনো মোবাইল কোর্ট নই যে শাস্তি দেব। তবে আমাদের দায়িত্বের অংশ হিসেবে খাবারগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’
রাবি শিবির সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, শিবির সমর্থিত প্যানেল এখন পর্যন্ত কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করেনি। ছাত্রদলের প্যানেলসহ বিভিন্ন প্রার্থী বিভিন্ন সময় আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে, কিন্তু সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আমার মনে হয়, এটা পক্ষপাতদুষ্টতা থেকেই করা হয়েছে। আচরণবিধিতে প্রার্থীর সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা দেওয়া নেই, তাই যে যার সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যয় করবে।’
মুজাহিদ ফয়সাল আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনার আমাদের এক প্রার্থীকে বলেছেন, আপনার আয়ের উৎস কী? আমি মনে করি, তিনি তা বলার অধিকার রাখেন না। আর নাস্তার যে সৌজন্য, এটা শুধুমাত্র আমরাই করিনি, অন্যান্য অনেক প্রার্থীও করেছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আর আপনারা যদি প্রশ্ন করেন আমাদের টাকার উৎস কী, তাহলে বলব, আমরা আমাদের নিজেদের খরচের একটি অংশ নির্বাচন তহবিলে দিই। আমরা ওপেন চ্যালেঞ্জ করতে পারি। আমাদের টাকা কোনো অবৈধ টাকা না।’
উল্লেখ্য, পূর্ণাঙ্গ তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে এবং দিন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে বৈধতা দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার (মার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
৫ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) একসময় ‘বেশ্যাখানা ও মাদকের আড্ডা’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শামীম আহসান।
২ ঘণ্টা আগে
রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
২ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘরে বন্দি করার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্যাটায়ার করে দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, নারীদের ঘরে বন্দি করার মতো তালা কেনার এত টাকা তাদের নেই।
২ ঘণ্টা আগে