স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। হাসপাতালে মা খালেদা জিয়ার মরদেহ রেখে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
লন্ডনের প্রবাস জীবনে স্থায়ী কমিটির বহু বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই প্রথম সশরীরে বৈঠক করলেন তিনি। বৈঠক সূত্র জানায়, পুরো সময় বিমর্ষ ছিলেন তারেক রহমান। শুরুতে কথা বলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর কথা বলার সময়ে বৈঠকে ইকবাল মাহমুদ টুকু এলে ইশারা করে বসতে বলেন তারেক রহমান।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার বেলা ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে হবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব নামাজে জানাজা পড়াবেন। এরপর খালেদা জিয়াকে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে তাঁর পাশে দাফন করা হবে। জানাজায় শৃঙ্খলা মেনে সবাইকে অংশ নেওয়ার আহবান জানান তিনি।
জনগণের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে জানাজা পড়বেন। কেউ নিয়ম ভঙ্গ করে শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য সামনে এগিয়ে যাবেন না এবং কার্যক্রম ব্যহত করবেন না। দেশনেত্রীর প্রতি আপনাদের যে সম্মান যে শ্রদ্ধা, তা অটুট রাখার জন্য শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন এবং সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আজকে নেত্রীর ইন্তেকালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। এই ক্ষতির পূরণ সহজে সম্ভব নয়। আজকে এমন একটা সময়ে তিনি চলে গেলেন, যখন তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। যখন গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য একটা নির্বাচনের দিকে জাতি যাচ্ছে। যখন সমস্ত জাতি তৈরি হয়েছে নির্বাচন করে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করবে, সেই সময় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এই শোক, এই বেদনা আমাদের পক্ষে ধারণ করা খুব কঠিন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে চাই। আমরা দেশনেত্রীর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। সেই পথকে লক্ষ্য করে আমরা সুষ্ঠু, আবাধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
তিনি বলেন, সাত দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে আমাদের পতাকা উত্তোলন করব, কালো ব্যাচ ধারণ করব। প্রত্যেক কার্যালয়ে দোয়া ও কুরআন তেলাওয়াত হবে। বিদেশি মিশন, দূতাবাস ও অফিসের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সুবিধার্থে গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয় ও পল্টনে দলীয় প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত শোকবই খোলা থাকবে। এরপরে অন্য কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হলে তা জানানো হবে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার পর থেকে এ পর্যন্ত সুস্থতা কামনায় দোয়া এবং মৃত্যুর পর মাগফেরাত কামনা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু সমগ্র জাতিকে অভিভাবকহীন করেছে এমন নয় বরং বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা আর স্বার্বভৌমত্বের সঙ্গে সমান্তরাল এক নক্ষত্রের বিদায়কে হৃদয়স্থ করতে হচ্ছে দেশবাসীকে। এই বিয়োগ বেদনা নিদারুন, এই শূন্যতার ভারবহন সাধ্যতীত। সমগ্র জাতি তাঁর রোগমুক্তির জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে যেমন শ্রান্তিহীন ফরিয়াদ করেছে, তেমনি বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাতেও তাঁরা রয়েছেন ক্লান্তিহীন। আত্মার পরমআত্মীয় খালেদা জিয়ার প্রতি দেশবাসীর এই গভীর ভালোবাসার প্রতি স্থায়ী কমিটি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি খালেদা জিয়াকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া, চিকিৎসায় সার্বিক সহায়তা, তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় শোক ও ছুটি ঘোষণার জন্য। বৈঠকে খালেদা জিয়ার মর্যাদা নন্দিত বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সুসংহত রাখাসহ এই রাষ্ট্রের বিকাশের প্রতিটি স্তরে তাঁর অসামান্য অবদানের স্মরণ পূর্বক একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে।
স্থায়ী কমিটি মনে করে, জাতির ক্রান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার বিদায় শোককে শক্তিতে পরিণত করে তাঁর আজন্ম অবরুদ্ধ গণতন্ত্র আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় আমরা যদি আমাদের শপথ থেকে সামান্যতম বিচ্যুত হই, তাহলে ইতিহাসের কাছে আমাদের দায়মুক্তি ঘটবে না। দেশনেত্রীর প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়ে গণতন্ত্র আর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতি ইস্পাত দৃঢ় ঐক্যের আহবান জানাচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। হাসপাতালে মা খালেদা জিয়ার মরদেহ রেখে এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
লন্ডনের প্রবাস জীবনে স্থায়ী কমিটির বহু বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়েছেন তারেক রহমান। এই প্রথম সশরীরে বৈঠক করলেন তিনি। বৈঠক সূত্র জানায়, পুরো সময় বিমর্ষ ছিলেন তারেক রহমান। শুরুতে কথা বলেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁর কথা বলার সময়ে বৈঠকে ইকবাল মাহমুদ টুকু এলে ইশারা করে বসতে বলেন তারেক রহমান।
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার বেলা ২টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে হবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব নামাজে জানাজা পড়াবেন। এরপর খালেদা জিয়াকে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে তাঁর পাশে দাফন করা হবে। জানাজায় শৃঙ্খলা মেনে সবাইকে অংশ নেওয়ার আহবান জানান তিনি।
জনগণের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আপনারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে জানাজা পড়বেন। কেউ নিয়ম ভঙ্গ করে শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য সামনে এগিয়ে যাবেন না এবং কার্যক্রম ব্যহত করবেন না। দেশনেত্রীর প্রতি আপনাদের যে সম্মান যে শ্রদ্ধা, তা অটুট রাখার জন্য শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন এবং সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করবেন।
তিনি বলেন, আজকে নেত্রীর ইন্তেকালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি হলো। এই ক্ষতির পূরণ সহজে সম্ভব নয়। আজকে এমন একটা সময়ে তিনি চলে গেলেন, যখন তাঁকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল। যখন গণতন্ত্র উত্তরণের জন্য একটা নির্বাচনের দিকে জাতি যাচ্ছে। যখন সমস্ত জাতি তৈরি হয়েছে নির্বাচন করে একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করবে, সেই সময় তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। এই শোক, এই বেদনা আমাদের পক্ষে ধারণ করা খুব কঠিন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে চাই। আমরা দেশনেত্রীর নির্দেশিত পথ অনুসরণ করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। সেই পথকে লক্ষ্য করে আমরা সুষ্ঠু, আবাধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
তিনি বলেন, সাত দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময়ে আমাদের পতাকা উত্তোলন করব, কালো ব্যাচ ধারণ করব। প্রত্যেক কার্যালয়ে দোয়া ও কুরআন তেলাওয়াত হবে। বিদেশি মিশন, দূতাবাস ও অফিসের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সুবিধার্থে গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয় ও পল্টনে দলীয় প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার থেকে পরবর্তী তিন দিন পর্যন্ত শোকবই খোলা থাকবে। এরপরে অন্য কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হলে তা জানানো হবে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার পর থেকে এ পর্যন্ত সুস্থতা কামনায় দোয়া এবং মৃত্যুর পর মাগফেরাত কামনা করার জন্য দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু সমগ্র জাতিকে অভিভাবকহীন করেছে এমন নয় বরং বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা আর স্বার্বভৌমত্বের সঙ্গে সমান্তরাল এক নক্ষত্রের বিদায়কে হৃদয়স্থ করতে হচ্ছে দেশবাসীকে। এই বিয়োগ বেদনা নিদারুন, এই শূন্যতার ভারবহন সাধ্যতীত। সমগ্র জাতি তাঁর রোগমুক্তির জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে যেমন শ্রান্তিহীন ফরিয়াদ করেছে, তেমনি বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনাতেও তাঁরা রয়েছেন ক্লান্তিহীন। আত্মার পরমআত্মীয় খালেদা জিয়ার প্রতি দেশবাসীর এই গভীর ভালোবাসার প্রতি স্থায়ী কমিটি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি খালেদা জিয়াকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া, চিকিৎসায় সার্বিক সহায়তা, তাঁর সম্মানে রাষ্ট্রীয় শোক ও ছুটি ঘোষণার জন্য। বৈঠকে খালেদা জিয়ার মর্যাদা নন্দিত বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সুসংহত রাখাসহ এই রাষ্ট্রের বিকাশের প্রতিটি স্তরে তাঁর অসামান্য অবদানের স্মরণ পূর্বক একটি শোক প্রস্তাব গ্রহণ করে।
স্থায়ী কমিটি মনে করে, জাতির ক্রান্তিলগ্নে খালেদা জিয়ার বিদায় শোককে শক্তিতে পরিণত করে তাঁর আজন্ম অবরুদ্ধ গণতন্ত্র আর ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় আমরা যদি আমাদের শপথ থেকে সামান্যতম বিচ্যুত হই, তাহলে ইতিহাসের কাছে আমাদের দায়মুক্তি ঘটবে না। দেশনেত্রীর প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়ে গণতন্ত্র আর মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশবাসীর প্রতি ইস্পাত দৃঢ় ঐক্যের আহবান জানাচ্ছে।

তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
৪ মিনিট আগে
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে