স্ট্রিম প্রতিবেদক

কুমিল্লা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালীর তিনটি আসনের কিছু কেন্দ্রে অনিয়ম, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত অভিযোগ দেয়।
পরে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেননি। অনিয়ম ও ভীতি প্রদর্শনের কারণে ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান তিনি।
মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, কুমিল্লা-৮ আসনে ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পরই ৩০টি কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও পদক্ষেপ নেননি।
তিনি জানান, নরসিংদী-৪ আসনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জোর করে ব্যালটে সিল দিয়েছেন। টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালী-৬ আসনে সহিংসতার ঘটনায় প্রার্থীর ভাই আহত হয়েছেন। এছাড়া ঝালকাঠি, পাথরঘাটা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম, জাল ভোট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা মুজিবুর রহমান মঞ্জুর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা কমিশনের নজরে আনা হয়েছে। অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কাছে শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া লিংক জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ হাজার কেন্দ্রের তথ্য প্রকাশ করেছে কমিশন। বাকি প্রায় ১০ হাজার কেন্দ্রের তথ্য তখনো যুক্ত হয়নি। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বিষয়টি দ্রুত স্পষ্ট করার দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। তবে যেসব কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে, সেগুলো দ্রুত সংশোধন করা হলে একটি সুষ্ঠু ও পরিছন্ন ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

কুমিল্লা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালীর তিনটি আসনের কিছু কেন্দ্রে অনিয়ম, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া ৩টার দিকে ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে লিখিত অভিযোগ দেয়।
পরে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল সাংবাদিকদের বলেন, কুমিল্লা-৮, শরীয়তপুর-২ ও পটুয়াখালী-১ আসনের কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেননি। অনিয়ম ও ভীতি প্রদর্শনের কারণে ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এসব কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান তিনি।
মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, কুমিল্লা-৮ আসনে ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পরই ৩০টি কেন্দ্র থেকে আমাদের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে অবহিত করা হলেও পদক্ষেপ নেননি।
তিনি জানান, নরসিংদী-৪ আসনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জোর করে ব্যালটে সিল দিয়েছেন। টাঙ্গাইলের গোপালপুর ও ভূঞাপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেওয়া হয়েছে। নোয়াখালী-৬ আসনে সহিংসতার ঘটনায় প্রার্থীর ভাই আহত হয়েছেন। এছাড়া ঝালকাঠি, পাথরঘাটা, শরীয়তপুর ও পটুয়াখালীর বিভিন্ন কেন্দ্রে অনিয়ম, জাল ভোট ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য।
মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এবি পার্টির চেয়ারম্যান ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা মুজিবুর রহমান মঞ্জুর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা কমিশনের নজরে আনা হয়েছে। অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কাছে শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও সংশ্লিষ্ট মিডিয়া লিংক জমা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশে প্রায় ৪৩ হাজার কেন্দ্রের মধ্যে ৩২ হাজার কেন্দ্রের তথ্য প্রকাশ করেছে কমিশন। বাকি প্রায় ১০ হাজার কেন্দ্রের তথ্য তখনো যুক্ত হয়নি। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কার কথা তুলে ধরে বিষয়টি দ্রুত স্পষ্ট করার দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিচ্ছেন। তবে যেসব কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে, সেগুলো দ্রুত সংশোধন করা হলে একটি সুষ্ঠু ও পরিছন্ন ফলাফল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

নির্বাচনে বিজয় অর্জিত হলে মিছিল, স্লোগান কিংবা উচ্ছ্বাস না করে মহান আল্লাহর দরবারে সিজদা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগমকে ভোটকেন্দ্রের সামনে মারধর করেছেন বিএনপির এক নেতা। বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে পবার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট শুরু হলেও গোপালগঞ্জে অধিকাংশ কেন্দ্র ছিল খালি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও অধিকাংশ কেন্দ্রে তা ২০ শতাংশ পার হয়নি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
টেন্ডার ব্যালট দেওয়া নিয়ে আগারগাঁওয়ে সরকারি সংগীত কলেজে উত্তেজনা তৈরি হয়। কলেজের ফটকের সামনে বেলা তিনটা ধানের শীষের সমর্থকরা জড়ো হন। তবে বেলা সাড়ে ৩টার পরে সেনাবাহিনীর মোতায়েন পর ফটকের সামনে থেকে জটলা সরে গেছে।
২ ঘণ্টা আগে