ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু: নাহিদ ইসলাম

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০১ মে ২০২৬, ২২: ১৯
বুদ্ধ পূর্ণিমা ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন মোঃ নাহিদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে এক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। আমাদের ধর্ম-মত ভিন্ন হলেও সবাই মিলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ব।’

বৌদ্ধ ধর্মের ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই বাংলা অঞ্চলে প্রাচীনকাল থেকেই অসংখ্য বৌদ্ধ বিহার শিক্ষা ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেছে।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, বৌদ্ধ বিহারের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কেবল প্রার্থনার কেন্দ্র নয়, বরং সামাজিক সংহতি ও ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করতে পারে।

বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, গৌতম বুদ্ধের অহিংসার বাণী বিশ্ব ও বাংলাদেশে আজও প্রাসঙ্গিক। তিনি বিশ্বাস করেন, ঘৃণা ও সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে শান্তির যে শিক্ষা বুদ্ধ দিয়েছিলেন, তা বিশ্ব নেতৃত্বের অনুসরণ করা উচিত।

স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে নাহিদ ইসলাম আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এই বিহারকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করার জন্য সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানান।

আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ সুনন্দ প্রিয় ভিক্ষুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত

সম্পর্কিত