স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে বৈধতা দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার (মার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্লাটফর্মটির সংগঠক প্লাবন তারেক।
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই ঐক্যের দাবি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) উপেক্ষা করে অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কমিশন।
সংগঠনটি বলছে, যারা রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং জনগণকে তাদের ভোট দিতে বাধ্য করা সাংঘর্ষিক। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর মন জয় করতে মরিয়া হয়ে ইনসাফের কবর রচনা করছে।
এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ‘গণহত্যার সঙ্গে জড়িত’ থাকার অভিযোগে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে সংগঠনটি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘বসন্তের কোকিলের’ মতো আচরণ করছেন এবং সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও অস্ত্র উদ্ধারে কোনো দৃশ্যমান অভিযান নেই বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
দাবি আদায়ে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জুলাই ঐক্য:
১. ২৭ জানুয়ারি (আগামীকাল): ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক এবং জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’। দুপুর আড়াইটায় আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে পদযাত্রা শুরু হবে।
২. ৩১ জানুয়ারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবিতে ‘মার্চ টু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’। দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন থেকে পদযাত্রা শুরু হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদিন শিশির, ইসরাফিল ফরাজী, মুন্সি বুরহান মাহমুদ প্রমুখ।

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে বৈধতা দেওয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রার (মার্চ) কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্লাটফর্মটির সংগঠক প্লাবন তারেক।
সংবাদ সম্মেলনে জুলাই ঐক্যের দাবি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) উপেক্ষা করে অন্তত ৪৫ জন ঋণখেলাপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে কমিশন।
সংগঠনটি বলছে, যারা রাষ্ট্রের টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করেছে, গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং জনগণকে তাদের ভোট দিতে বাধ্য করা সাংঘর্ষিক। নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর মন জয় করতে মরিয়া হয়ে ইনসাফের কবর রচনা করছে।
এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ‘গণহত্যার সঙ্গে জড়িত’ থাকার অভিযোগে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের শরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবি পুনর্ব্যক্ত করে সংগঠনটি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘বসন্তের কোকিলের’ মতো আচরণ করছেন এবং সেনাবাহিনী মাঠে থাকলেও অস্ত্র উদ্ধারে কোনো দৃশ্যমান অভিযান নেই বলে অভিযোগ করে সংগঠনটি।
দাবি আদায়ে দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জুলাই ঐক্য:
১. ২৭ জানুয়ারি (আগামীকাল): ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিক এবং জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবিতে ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’। দুপুর আড়াইটায় আগারগাঁও মেট্রো স্টেশন থেকে পদযাত্রা শুরু হবে।
২. ৩১ জানুয়ারি: অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের দাবিতে ‘মার্চ টু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়’। দুপুর আড়াইটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রো স্টেশন থেকে পদযাত্রা শুরু হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব জয়নাল আবেদিন শিশির, ইসরাফিল ফরাজী, মুন্সি বুরহান মাহমুদ প্রমুখ।

বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা করছে, এটি প্রতিরণার প্যাকেজ। বাংলাদেশের সংকট এখন ফ্যামিলি কার্ড না, বাংলাদেশের সংকট এখন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদকে কারও ঘাড়ে ভর করে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৮ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম আদিবের নির্বাচনী সভায় হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপি।
২ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনি প্রচারে হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এনেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসবকে নির্বাচনের আগে কেন্দ্র দখল ও ভোটারকে ভয় দেখানোর প্র্যাকটিস ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দলটি।
২ ঘণ্টা আগে