স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। নিজের বাবার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সুযোগ দেওয়ার পেছনে খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
আন্দালিব রহমান লিখেছেন, ২০০৮ সাল থেকে আমার সঙ্গে দেশনেত্রীর সম্পর্ক, সম্পর্কটা রাজনৈতিক হবার কথা থাকলেও ছিল স্নেহের, শ্রদ্ধা আর আস্থার। ২০০৮ সালে বাবার ইন্তেকালের পর থেকে আমার জীবনটা যখন একটা পালবিহীন নৌকার মতো ছিল, ঠিক তখনি দেশনেত্রীর সঙ্গে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয় মহান আল্লাহ।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, দেশনেত্রী আমাকে পাশে বসাতেন, রাজনীতি বোঝাতেন, প্রশংসা করতেন, সংসদে আমার বক্তৃতা শোনার পর বলতেন– পার্থকে আরও সময় বাড়িয়ে দাও, ও ভালো বলে।
স্মৃতি হাতড়ে আন্দালিব রহমান বলেন করেন, জনসভায় লাখো মানুষের সামনে খালেদা জিয়ার প্রশংসা আমাকে রাজনৈতিকভাবে সারাদেশে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে ২০১৩-১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ের একটি বিশেষ ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পার্থ লেখেন, তখন জাতীয় সরকারের প্রস্তাব এবং ২০-দলীয় জোট ভেঙে যাওয়ার জোর গুঞ্জন ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।
ঘটনার বর্ণনায় পার্থ লেখেন, দেশনেত্রীর রুমে ঢুকলাম। আমাকে দেখেই দেশনেত্রী বললেন– ‘কী পার্থ, তুমিও কি চলে যাচ্ছ?’ আমি খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলেছিলাম, ‘আপনার গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর পতাকা ওঠার আগে আমার গাড়িতে পতাকা উঠবে না, ইনশাআল্লাহ।
হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়াকে ‘হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়ে পার্থ লেখেন, আজ দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী পদের বহু ওপরে উঠে গিয়েছেন। আজ উনি মানুষের হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী... হৃদয়ের নেত্রী।
খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ধন্যবাদ দেশনেত্রী, বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য। ধন্যবাদ দেশনেত্রী, আমার পাশে থাকার জন্য। আমি এবং আমার পরিবার আপনার কাছে চিরঋণী, চিরকৃতজ্ঞ। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। নিজের বাবার মৃত্যুর পর রাজনীতিতে সুযোগ দেওয়ার পেছনে খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
আন্দালিব রহমান লিখেছেন, ২০০৮ সাল থেকে আমার সঙ্গে দেশনেত্রীর সম্পর্ক, সম্পর্কটা রাজনৈতিক হবার কথা থাকলেও ছিল স্নেহের, শ্রদ্ধা আর আস্থার। ২০০৮ সালে বাবার ইন্তেকালের পর থেকে আমার জীবনটা যখন একটা পালবিহীন নৌকার মতো ছিল, ঠিক তখনি দেশনেত্রীর সঙ্গে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেয় মহান আল্লাহ।
বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, দেশনেত্রী আমাকে পাশে বসাতেন, রাজনীতি বোঝাতেন, প্রশংসা করতেন, সংসদে আমার বক্তৃতা শোনার পর বলতেন– পার্থকে আরও সময় বাড়িয়ে দাও, ও ভালো বলে।
স্মৃতি হাতড়ে আন্দালিব রহমান বলেন করেন, জনসভায় লাখো মানুষের সামনে খালেদা জিয়ার প্রশংসা আমাকে রাজনৈতিকভাবে সারাদেশে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে ২০১৩-১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ের একটি বিশেষ ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পার্থ লেখেন, তখন জাতীয় সরকারের প্রস্তাব এবং ২০-দলীয় জোট ভেঙে যাওয়ার জোর গুঞ্জন ছিল। এমন পরিস্থিতিতে গুলশান কার্যালয়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান তিনি।
ঘটনার বর্ণনায় পার্থ লেখেন, দেশনেত্রীর রুমে ঢুকলাম। আমাকে দেখেই দেশনেত্রী বললেন– ‘কী পার্থ, তুমিও কি চলে যাচ্ছ?’ আমি খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে বলেছিলাম, ‘আপনার গাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর পতাকা ওঠার আগে আমার গাড়িতে পতাকা উঠবে না, ইনশাআল্লাহ।
হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়াকে ‘হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী’ আখ্যা দিয়ে পার্থ লেখেন, আজ দেশনেত্রী প্রধানমন্ত্রী পদের বহু ওপরে উঠে গিয়েছেন। আজ উনি মানুষের হৃদয়ের প্রধানমন্ত্রী... হৃদয়ের নেত্রী।
খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, ধন্যবাদ দেশনেত্রী, বাংলাদেশের মানুষের পাশে থাকার জন্য। ধন্যবাদ দেশনেত্রী, আমার পাশে থাকার জন্য। আমি এবং আমার পরিবার আপনার কাছে চিরঋণী, চিরকৃতজ্ঞ। আল্লাহ আপনাকে জান্নাতবাসী করুন।

তাঁর অভিযোগ, যেসব আসনে এনসিপির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বা জয়লাভের কাছাকাছি ছিলেন, সেসব এলাকায় ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় এসব ঘটনা ঘটেছে এবং নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা নেয়নি।
৬ মিনিট আগে
রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সদ্য বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘আমি এখানে জন্ম নিয়েছি। আমি জানি, কারা কী করে না করে এখানে। প্রত্যেককে কঠোর হস্তে দমন করা হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে লড়ছেন ২৭৩ স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী হয়েছিলেন ৭৯ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয় পেয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ধানের শীষ এবং একজন শাপলা কলি ও আরেকজন বিএনপির জোটের শরিক খেজুর গাছ প্রতীকের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে একসময় ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবারের নির্বাচনে রংপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে