স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শাসনামলে এত বেশি হত্যা ও অপকর্ম করেছেন যে, এর জন্য তাঁকে একবার ফাঁসি দিলে হবে না, তাকে বারবার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে হবে।
আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘শেখ হাসিনা এই বাংলাদেশে এত অপকর্ম করেছে, এত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে, এত গণহত্যা চালিয়েছে যে, একবার ফাঁসি দিলে বিচার সঠিক হবে না, হাসিনাকে বারবার ফাঁসিতে ঝুলাইতে হবে। বহু মানুষের জীবন নিয়ে তিনি হোলি খেলেছেন।’
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের হাতে নিহত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের পরিবারের সঙ্গে আজ এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
অনুষ্ঠানে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির, সাবেক সফল দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ জামায়াতের এগারোজন শীর্ষ নেতাকে তারা হয় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা জেলখানায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। জামায়াত-শিবিরের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হয় ক্রসফায়ার দিয়ে অথবা আয়নাঘরে নিয়ে গুম করে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে। আর জুলাই বিপ্লবে বাংলাদেশের প্রায় দুই হাজার মানুষকে গণহত্যার মাধ্যমে হত্যা করেছে, প্রায় চল্লিশ হাজার নারী-পুরুষ-শিশুসহ মানুষকে তারা পঙ্গু করে দিয়েছে, আহত করেছে। কাজেই সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য যদি একটা একটা করে বিচার করা হয়, তাহলে কত বছর খালি ফাঁসির রায়ই দিতে হবে।’
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ওইদিন আমাদের মিটিং ছিল বিকেল তিনটায়। কিন্তু আমরা সকালে বেলাই দেখলাম, যারা মিটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ও স্টেজের কাজ করছিলেন সেই লোকদের ওপরে সারা দেশ থেকে আওয়ামীলীগ লগি-বৈঠা নিয়ে আক্রমণ করা হয়। লগি-বৈঠা ছিল তাদের সিম্বল (প্রতীক)। বড় বড় সন্ত্রাসীদের সারা দেশ থেকে আমদানি করে ওইদিন হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল। এরপরেও ওই মিটিং সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিল। সেদিন আমি মিটিংয়ে সভাপতি ছিলাম মহানগরীর আমির হিসেবে।’
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জানান, শেখ হাসিনাকে ১ নম্বর আসামি করে ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট মামলা হয়েছিল। সেই মামলার চার্জশিটও হয়েছিল। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির ইশারায় অধিকতর তদন্তের নামে এই মামলা আর এগোয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে মামলা তুলে নেয়। মামলাটি পুণরায় চালু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ জানান রফিকুল ইসলাম খান।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাব, অবিলম্বে পল্টন হত্যাকাণ্ডের মামলা পুনরুজ্জীবিত করে শেখ হাসিনাসহ এই মামলায় যারা আসামি ছিলেন তাদের বিচার করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে হবে। এটাই হলো পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার। এর বাইরে অন্য কোনো বিচার আমরা এই দেশের মানুষ চিন্তাও করতে পারে না।’

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার শাসনামলে এত বেশি হত্যা ও অপকর্ম করেছেন যে, এর জন্য তাঁকে একবার ফাঁসি দিলে হবে না, তাকে বারবার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে হবে।
আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেছেন তিনি। রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘শেখ হাসিনা এই বাংলাদেশে এত অপকর্ম করেছে, এত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছে, এত গণহত্যা চালিয়েছে যে, একবার ফাঁসি দিলে বিচার সঠিক হবে না, হাসিনাকে বারবার ফাঁসিতে ঝুলাইতে হবে। বহু মানুষের জীবন নিয়ে তিনি হোলি খেলেছেন।’
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগের হাতে নিহত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের পরিবারের সঙ্গে আজ এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে জামায়াত। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
অনুষ্ঠানে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর আমির, সাবেক সফল দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ জামায়াতের এগারোজন শীর্ষ নেতাকে তারা হয় ফাঁসিতে ঝুলিয়ে অথবা জেলখানায় নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে। জামায়াত-শিবিরের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হয় ক্রসফায়ার দিয়ে অথবা আয়নাঘরে নিয়ে গুম করে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছে। আর জুলাই বিপ্লবে বাংলাদেশের প্রায় দুই হাজার মানুষকে গণহত্যার মাধ্যমে হত্যা করেছে, প্রায় চল্লিশ হাজার নারী-পুরুষ-শিশুসহ মানুষকে তারা পঙ্গু করে দিয়েছে, আহত করেছে। কাজেই সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য যদি একটা একটা করে বিচার করা হয়, তাহলে কত বছর খালি ফাঁসির রায়ই দিতে হবে।’
২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ওইদিন আমাদের মিটিং ছিল বিকেল তিনটায়। কিন্তু আমরা সকালে বেলাই দেখলাম, যারা মিটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ও স্টেজের কাজ করছিলেন সেই লোকদের ওপরে সারা দেশ থেকে আওয়ামীলীগ লগি-বৈঠা নিয়ে আক্রমণ করা হয়। লগি-বৈঠা ছিল তাদের সিম্বল (প্রতীক)। বড় বড় সন্ত্রাসীদের সারা দেশ থেকে আমদানি করে ওইদিন হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল। এরপরেও ওই মিটিং সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিল। সেদিন আমি মিটিংয়ে সভাপতি ছিলাম মহানগরীর আমির হিসেবে।’
মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জানান, শেখ হাসিনাকে ১ নম্বর আসামি করে ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় সুনির্দিষ্ট মামলা হয়েছিল। সেই মামলার চার্জশিটও হয়েছিল। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির ইশারায় অধিকতর তদন্তের নামে এই মামলা আর এগোয়নি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে মামলা তুলে নেয়। মামলাটি পুণরায় চালু করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ জানান রফিকুল ইসলাম খান।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাব, অবিলম্বে পল্টন হত্যাকাণ্ডের মামলা পুনরুজ্জীবিত করে শেখ হাসিনাসহ এই মামলায় যারা আসামি ছিলেন তাদের বিচার করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করতে হবে। এটাই হলো পল্টন হত্যাকাণ্ডের বিচার। এর বাইরে অন্য কোনো বিচার আমরা এই দেশের মানুষ চিন্তাও করতে পারে না।’

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬