সিএনএনের বিশ্লেষণ
স্ট্রিম ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি জটিল সন্ধিক্ষণে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এখনো নিজেকে পুরোপুরি বিজয়ী ঘোষণা করতে পারছেন না। একদিকে যুদ্ধ ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে অন্যদিকে হাল ছেড়ে দিলে এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিণতি বেশ ক্ষতিকর হতে পারে।
ট্রাম্প এখনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন এবং জর্জ ডব্লিউ বুশের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়েননি। তাঁরা হেরে যাওয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করেছিলেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ট্রাম্পের ক্রমশ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার দৃশ্য আরও প্রকট হচ্ছে। এই পদক্ষেপ দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি যতই বড় হোক না কেন, সব সমস্যার সমাধান সহিংসতার মাধ্যমে করা যায় না।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রাম্পের জন্য একটি কঠিন সামরিক ধাঁধা তৈরি করেছে। যদিও সামরিক শক্তিতে ইরান অনেক দুর্বল তবুও এই সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে মার্কিন নৌবাহিনীকে বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন লরেন্স ব্রেনান সিএনএনকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করা না গেলে বিজয় সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রণালিটি আবার খুলতে হবে কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি অত্যন্ত কঠিন, হয়তো অসম্ভব।’
অন্যদিকে ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি খুব দ্রুত এগোচ্ছে। সবকিছু খুব ভালো চলছে। আমাদের সামরিক শক্তি অতুলনীয়। এর মতো কিছু আগে কখনো ছিল না।’
তবে অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’পুরোপুরি ব্যর্থ বলা এখনো তাড়াহুড়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা সামরিকভাবে সফল হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। হামলায় ইরানের ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পুনর্নির্মাণের ক্ষমতাও কমে যেতে পারে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংখ্যাও কমে এসেছে।
যদিও প্রতিটি যুদ্ধজনিত মৃত্যু দুঃখজনক তবুও এখনো মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো বড় আকারের না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।

বাড়ছে রাজনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জ
ট্রাম্প অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিতে পছন্দ করেন। বুধবার কেন্টাকিতে তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, আমরা জয়ী হয়েছি। সাধারণত খুব তাড়াতাড়ি বলা ভালো নয়, কিন্তু আমরা জয়ী হয়েছি। প্রথম ঘণ্টাতেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছিল।’
তবে ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো জয়ী হয়নি। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
হরমুজ প্রণালি-সংকট
ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় এবং উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা করায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে প্রবেশে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এই প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সামরিক সমাধান নেই। যদি খুলেও দেওয়া যায় জাহাজগুলোর নিরাপত্তার জন্য নিয়মিত সামরিক পাহারা দিতে হবে। যা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নৌবাহিনীর জন্য কঠিন হতে পারে।
অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এর একমাত্র বাস্তব সমাধান রাজনৈতিক সমঝোতা। কিন্তু ট্রাম্প ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করছে আর তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করছে।

সর্বোচ্চ নেতা নিয়ে প্রশ্ন
যুদ্ধের প্রথম দিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এটি অনেকটা শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু তার ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ায় ট্রাম্পের যুদ্ধ জয়ের গল্প দুর্বল হয়ে গেছে।
ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধ করবে কি
যদি ট্রাম্প রাজনৈতিক কারণে যুদ্ধ শেষ করতে চান তবুও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এতে সম্মত হবে কিনা, নিশ্চিত নয়। কারণ, ইসরায়েল প্রায়ই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে দেখে।
যুদ্ধের উদ্দেশ্য নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্যে বিরোধ ও অস্পষ্টতা রয়েছে। ফলে একটি বিজয়ের গল্প তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে প্রশ্ন
ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আরও ধ্বংস করেছেন। কিন্তু ইরান যদি এখনো উচ্চমাত্রা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধরে রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে তাঁদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা থাকবে।
জতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা মনে করে, ইসফাহান পারমানবিক কেন্দ্রে এখনো প্রায় ২০০ কেজি উচ্চমাত্রায়-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম থাকতে পারে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানের জনগণকে সরকারবিরোধী বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো গণঅভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যায়নি। অনেক বিশ্লেষকের মতে, বোমা হামলা শেষ হলে সরকার বরং আরও কঠোর দমননীতি গ্রহণ করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি
যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জীবনযাত্রার খরচও বাড়বে। যখন মার্কিন সেনাদের মৃত্যু এবং বাড়তি জ্বালানি খরচের চাপ বাড়বে, তখন অনেক আমেরিকান ট্রাম্পের বিজয়ের দাবি সমর্থন নাও করতে পারেন।
ইতিহাসে যুদ্ধের সমাপ্তি খুব কম ক্ষেত্রেই ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানি ও সাম্রাজ্যবাদী জাপানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের হয়েছে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র জয়ের চেয়ে হার বেশি দেখেছে বলেই অনেকের মত।
এখন ট্রাম্প একটি স্বেচ্ছায় শুরু করা যুদ্ধের অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি। সামরিক শক্তির প্রাথমিক সুবিধা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই তাঁকে কোনো না কোনোভাবে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি জটিল সন্ধিক্ষণে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এখনো নিজেকে পুরোপুরি বিজয়ী ঘোষণা করতে পারছেন না। একদিকে যুদ্ধ ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে অন্যদিকে হাল ছেড়ে দিলে এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিণতি বেশ ক্ষতিকর হতে পারে।
ট্রাম্প এখনো সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন এবং জর্জ ডব্লিউ বুশের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতিতে পড়েননি। তাঁরা হেরে যাওয়া যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করেছিলেন।
ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ট্রাম্পের ক্রমশ ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার দৃশ্য আরও প্রকট হচ্ছে। এই পদক্ষেপ দেখাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি যতই বড় হোক না কেন, সব সমস্যার সমাধান সহিংসতার মাধ্যমে করা যায় না।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রাম্পের জন্য একটি কঠিন সামরিক ধাঁধা তৈরি করেছে। যদিও সামরিক শক্তিতে ইরান অনেক দুর্বল তবুও এই সমস্যা সমাধান করতে গিয়ে মার্কিন নৌবাহিনীকে বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে।
অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন লরেন্স ব্রেনান সিএনএনকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করা না গেলে বিজয় সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রণালিটি আবার খুলতে হবে কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি অত্যন্ত কঠিন, হয়তো অসম্ভব।’
অন্যদিকে ট্রাম্প বৃহস্পতিবার বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি খুব দ্রুত এগোচ্ছে। সবকিছু খুব ভালো চলছে। আমাদের সামরিক শক্তি অতুলনীয়। এর মতো কিছু আগে কখনো ছিল না।’
তবে অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’পুরোপুরি ব্যর্থ বলা এখনো তাড়াহুড়া হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা সামরিকভাবে সফল হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। হামলায় ইরানের ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন পুনর্নির্মাণের ক্ষমতাও কমে যেতে পারে এবং নিরাপত্তাব্যবস্থার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংখ্যাও কমে এসেছে।
যদিও প্রতিটি যুদ্ধজনিত মৃত্যু দুঃখজনক তবুও এখনো মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের মতো বড় আকারের না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।

বাড়ছে রাজনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জ
ট্রাম্প অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিতে পছন্দ করেন। বুধবার কেন্টাকিতে তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, আমরা জয়ী হয়েছি। সাধারণত খুব তাড়াতাড়ি বলা ভালো নয়, কিন্তু আমরা জয়ী হয়েছি। প্রথম ঘণ্টাতেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছিল।’
তবে ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ বলছে, যুক্তরাষ্ট্র এখনো জয়ী হয়নি। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
হরমুজ প্রণালি-সংকট
ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় এবং উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলা করায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে।
মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে প্রবেশে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।
এই প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট সামরিক সমাধান নেই। যদি খুলেও দেওয়া যায় জাহাজগুলোর নিরাপত্তার জন্য নিয়মিত সামরিক পাহারা দিতে হবে। যা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নৌবাহিনীর জন্য কঠিন হতে পারে।
অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, এর একমাত্র বাস্তব সমাধান রাজনৈতিক সমঝোতা। কিন্তু ট্রাম্প ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করছে আর তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করছে।

সর্বোচ্চ নেতা নিয়ে প্রশ্ন
যুদ্ধের প্রথম দিকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এটি অনেকটা শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু তার ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নতুন সর্বোচ্চ নেতা হওয়ায় ট্রাম্পের যুদ্ধ জয়ের গল্প দুর্বল হয়ে গেছে।
ইসরায়েল যুদ্ধ বন্ধ করবে কি
যদি ট্রাম্প রাজনৈতিক কারণে যুদ্ধ শেষ করতে চান তবুও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এতে সম্মত হবে কিনা, নিশ্চিত নয়। কারণ, ইসরায়েল প্রায়ই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতকে তাদের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কৌশলের অংশ হিসেবে দেখে।
যুদ্ধের উদ্দেশ্য নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্যে বিরোধ ও অস্পষ্টতা রয়েছে। ফলে একটি বিজয়ের গল্প তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
পারমাণবিক কর্মসূচী নিয়ে প্রশ্ন
ট্রাম্প দাবি করেছেন, তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আরও ধ্বংস করেছেন। কিন্তু ইরান যদি এখনো উচ্চমাত্রা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ধরে রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে তাঁদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা থাকবে।
জতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা মনে করে, ইসফাহান পারমানবিক কেন্দ্রে এখনো প্রায় ২০০ কেজি উচ্চমাত্রায়-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম থাকতে পারে।
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি
যুদ্ধের শুরুতে ট্রাম্প ইরানের জনগণকে সরকারবিরোধী বিদ্রোহের আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তেমন কোনো গণঅভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যায়নি। অনেক বিশ্লেষকের মতে, বোমা হামলা শেষ হলে সরকার বরং আরও কঠোর দমননীতি গ্রহণ করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি
যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জীবনযাত্রার খরচও বাড়বে। যখন মার্কিন সেনাদের মৃত্যু এবং বাড়তি জ্বালানি খরচের চাপ বাড়বে, তখন অনেক আমেরিকান ট্রাম্পের বিজয়ের দাবি সমর্থন নাও করতে পারেন।
ইতিহাসে যুদ্ধের সমাপ্তি খুব কম ক্ষেত্রেই ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানি ও সাম্রাজ্যবাদী জাপানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়ের হয়েছে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র জয়ের চেয়ে হার বেশি দেখেছে বলেই অনেকের মত।
এখন ট্রাম্প একটি স্বেচ্ছায় শুরু করা যুদ্ধের অনিবার্য পরিণতির মুখোমুখি। সামরিক শক্তির প্রাথমিক সুবিধা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই তাঁকে কোনো না কোনোভাবে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকে দুর্ঘটনার কবলে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান কেসি-১৩৫-এর ছয় জন সেনা সদস্যের সবাই মারা গেছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ভিডিও বক্তব্য দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি।
১ দিন আগে
রেকর্ডকৃত ভিডিও বার্তায় মুজবতা খামেনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সব ঘাঁটি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় সেগুলোতে হামলা চালানো হবে।
১ দিন আগে
লেবাননে থাকা হিজবুল্লাহর অস্ত্র সক্ষমতা দেখে রীতিমতো বিস্মিত ইসরায়েল। সর্বশেষ ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করে চালানো হামলার ধারা প্রমাণ করেছে—লেবাননের এই গোষ্ঠীটি এখনো শক্তিশালী।
১ দিন আগে