স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন জারা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই জমা দিতে হয়। তাসনিম জারা জানান, তাঁর মনোনয়ন বাতিলের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের এলাকা সংক্রান্ত জটিলতাকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
মনোনয়ন বাতিলের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাসনিম জারা অভিযোগ করে বলেন, ‘সাধারণ ভোটারদের জন্য নিজেদের ভোটার নম্বর বা আসন যাচাই করার কোনো সহজ উপায় নির্বাচন কমিশন রাখেনি।’
বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যে দুজন সমর্থনকারীর বিষয়ে আপত্তি এসেছে, তারা নিজেদের এনআইডি ও পূর্বজ্ঞান অনুযায়ী জানতেন যে তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তাদের কাছে থাকা এনআইডির হার্ড কপিতেও ঠিকানা অনুযায়ী তারা এই আসনেরই ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে তারা এখানকার ভোটার নন। ওই ভোটারদের এটা জানার কোনো উপায় ছিল না যে তারা আসলে কোন এলাকার ভোটার বা তাদের ভোটার নম্বর কত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অধিকারের কথা বলি, কিন্তু এই বেসিক তথ্যটা জানার পর্যন্ত আমাদের কোনো উপায় রাখা হয়নি।’
মনোনয়ন বাতিল হলেও নির্বাচনে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে ফেরার বিষয়ে আশাবাদী। আশাবাদী বলেই আমরা মাঠে আছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার রাজনীতির যে লড়াই আমরা শুরু করেছি, তা জারি থাকবে।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘রাইট টু ইনফরমেশন’-এর অভাবকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখলেও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাসনিম জারার চাকরি থেকে বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে তার আয় ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
আইন অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তাসনিম জারা সেই আইনি প্রক্রিয়াতেই লড়বেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

ঢাকা-৯ সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং এনসিপির সাবেক নেত্রী তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন জারা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক সই জমা দিতে হয়। তাসনিম জারা জানান, তাঁর মনোনয়ন বাতিলের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারদের এলাকা সংক্রান্ত জটিলতাকে কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
মনোনয়ন বাতিলের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাসনিম জারা অভিযোগ করে বলেন, ‘সাধারণ ভোটারদের জন্য নিজেদের ভোটার নম্বর বা আসন যাচাই করার কোনো সহজ উপায় নির্বাচন কমিশন রাখেনি।’
বাতিলের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘যে দুজন সমর্থনকারীর বিষয়ে আপত্তি এসেছে, তারা নিজেদের এনআইডি ও পূর্বজ্ঞান অনুযায়ী জানতেন যে তারা ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। তাদের কাছে থাকা এনআইডির হার্ড কপিতেও ঠিকানা অনুযায়ী তারা এই আসনেরই ভোটার। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের তথ্যে দেখা যাচ্ছে তারা এখানকার ভোটার নন। ওই ভোটারদের এটা জানার কোনো উপায় ছিল না যে তারা আসলে কোন এলাকার ভোটার বা তাদের ভোটার নম্বর কত।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অধিকারের কথা বলি, কিন্তু এই বেসিক তথ্যটা জানার পর্যন্ত আমাদের কোনো উপায় রাখা হয়নি।’
মনোনয়ন বাতিল হলেও নির্বাচনে ফেরার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এই প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে ফেরার বিষয়ে আশাবাদী। আশাবাদী বলেই আমরা মাঠে আছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার রাজনীতির যে লড়াই আমরা শুরু করেছি, তা জারি থাকবে।’
স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘রাইট টু ইনফরমেশন’-এর অভাবকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখলেও সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাসনিম জারার চাকরি থেকে বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা। এছাড়া দেশের বাইরে থেকে তার আয় ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে পরিশোধ করেছেন ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা।
আইন অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তাসনিম জারা সেই আইনি প্রক্রিয়াতেই লড়বেন বলে নিশ্চিত করেছেন।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬